বেইলি রোডে আগুন / দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : ডিএমপি
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন বলেছেন, রাজধানীর বেইলি রোডে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় যাদের দায় থাকবে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার (২ মার্চ) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৬ জন মারা গেছে। মৃতদের মধ্যে ৪৩ জনের মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি তিনজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত হয়নি। সিআইডি এ তিনজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে। তিনি বলেন, পরবর্তীতে কেউ মরদেহের সন্ধানে এলে তাদের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলে গেলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কেউ না আসেন সে ক্ষেত্রে আঞ্জুমান মফিদুলকে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হবে এবং তাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহে রাখা হবে। এদিকে শনিবার (২ মার্চ) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চায়ের চুমুক রেস্টুরেন্টের মালিকসহ চারজনকে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরীর আদালত শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন রমনা থানার পরিদর্শক আবু আনসারি। অন্যদিকে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আসামিরা হলেন- ভবনের চুমুক রেস্টুরেন্টের দুই মালিক আনোয়ারুল হক, শফিকুর রহমান রিমন, কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার জয়নুদ্দিন জিসান, ভবনের ম্যানেজার মুন্সি হামিমুল আলম বিপুল। এর আগে সন্ধ্যায় তাদের আদালতে হাজির করে রমনা থানার পরিদর্শক আবু আনসারি সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।  
০২ মার্চ, ২০২৪

২১ ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই : ডিএমপি কমিশনার 
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জঙ্গি হামলার কোনো সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই। কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির তথ্য না থাকলেও জোরদার করা হয়েছে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ডিএমপির নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শনে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দুই ভাগে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। ১২টার পর প্রথম ভাগে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও বিদেশি কূটনৈতিকরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পরে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। পলাশী মোড় থেকে দোয়েল চত্বর ও বইমেলার পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। শহীদ মিনারের প্রত্যেকটি প্রবেশপথে আর্চওয়ে বসানো থাকবে। যারাই আসবেন আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে। শহীদ মিনারে ৪ স্তরে নিরারাপত্তাসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন থাকবে বোম ডিস্পোজাল, সোয়াত টিম, টহল দল, ড্রোন, সরাইবার প্যাট্রোলিং।
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ডিএমপি
আগামীকাল শুরু হচ্ছে এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের সহায়তা করতে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ট্রাফিক বিভাগের এই টিমের সদস্যরা পরীক্ষার্থীর নির্বিঘ্ন যাতায়াতে যে কোনো ধরনের সহায়তা দিতে রাস্তায় থাকবেন। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর গেট বা সামনের সড়কে ভিড় না করারও অনুরোধ এসেছে পুলিশের পক্ষ থেকে। গতকাল মঙ্গলবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান বলেন, পরীক্ষার্থীদের যে কোনো অসুবিধা মোকাবিলা করতে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের প্রতিটি জোনে আলাদা আলাদা কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত থাকবে। পরীক্ষার্থীরা যানজট বা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যার সম্মুখীন হলে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানের সঙ্গে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। গতকাল বুধবার সকালে ডিএমপি কমিশনার কার্যালয়ে আসেন মার্কিন দূতাবাসের অ্যাসিস্ট্যান্ট রিজিওনাল সিকিউরিটি অফিসার মাইকেল লি ও ক্রিমিনাল ফ্রড ইনভেস্টিগেটর ভেনিসা গোমেজ। ডিএমপির মুখপাত্র উপকমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ) ফারুক হোসেন জানান, বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাস ও বসবাসকারী মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তার সন্তোষ প্রকাশ করেছে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদল। ডিএমপি কমিশনারকে ধন্যবাদ জানান তারা।
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

নগরবাসীর নিরাপত্তায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে ডিএমপি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ৫০টি থানার ৩৪ হাজার জনবল নিয়ে ঢাকায় বসবাস করা নগরবাসীর নিরাপত্তার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশের মোট জনবল দুই লাখ ১০ হাজারের বেশি। সেই হিসাবে একজন পুলিশ  ৮২৫ জন মানুষকে নিরাপত্তা দিচ্ছে। তিনি বলেন, জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছিল, সে জন্য আমরা কাউন্টার টেররিজম ইউনিট গঠন করেছিলাম। আমরা সাইবার ইউনিট তৈরি করেছিলাম, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার গড়ে তুলেছিলাম, আমরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রের জন্য ট্রাফিক ইউনিট করেছি যা ডিএমপির কমিশনারের অধীনে কাজ করে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে ডিএমপির ৪৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সুধী সমাবেশ ও আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, রাজারবাগ এসে মনে পড়ে যায় সেই ২৫ মার্চের কথা। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ যে ডাক দিয়েছিলেন সেই ডাকে পুলিশ বাহিনী নিজের জীবনবাজি রেখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। অনেক পুলিশ সদস্য সেদিন শহীদ হয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন পুলিশ জনগণের পুলিশ হবে। আজকে কিন্তু পুলিশ জনগণের পুলিশ হয়েছে। জনগণের জন্য তারা সব সময় কাজ করে যাচ্ছে। আরও বিশ বছর আগে পুলিশের কথা যদি চিন্তা করি, সে সময় মানুষ পুলিশকে ভয় পেত। আজকে কিন্তু পুলিশের ওপর আস্থা, বিশ্বাস রাখছে, কোনো প্রয়োজন হলে মানুষ পুলিশের কাছে যাচ্ছে। কোভিডের সময় আপনারা দেখেছেন মায়ের মরদেহ সন্তান ফেলে রেখে গেছে। পুলিশই তাদের শেষ কার্যটি করেছে।  ঢাকার মেয়রদের কাছে দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের কাছে (দুই মেয়র) জোর দাবি জানাব,আমাদের ট্রাফিক সার্জেন্টরা ভয়ানক অসুবিধায় থাকেন। তাদের জন্য যদি মাঝে মাঝে বিশ্রামের জন্য ব্যবস্থা করে দেন। এই আহ্বানটি রাখছি। তিনি বলেন, ডিএমপি আরও এগিয়ে যাবে, তাদের সেবার পরিধি বাড়াবে। আরও দক্ষতায় সব কিছু মোকাবিলা করবে এই আস্থা ও বিশ্বাস রাখি।
০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

দক্ষতার সঙ্গে অপরাধ দমন করছে ডিএমপি : কমিশনার
ঢাকা মহানগর পুলিশ দক্ষতার সঙ্গে অপরাধ দমন করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।  বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে ডিএমপির ৪৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে সুধী সমাবেশ ও আলোচনাসভায় তিনি সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ১২টি থানা ও ৬ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। নগরবাসীর আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে আজ ৫০টি থানা ও ৩৪ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ডিএমপি। তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে অপরাধের ধরন। ডিএমপি অতি দক্ষতার সঙ্গে এসব অপরাধকে মোকাবিলা করেছে। এসব অপরাধ দমমে ক্রাইম বিভাগের পাশাপাশি ডিবি পুলিশও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এ ছাড়া জঙ্গি দমনেও দক্ষতার পরিচয় দেখিয়েছে ডিএমপি।  ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম জঙ্গিবাদকে সফলতার সঙ্গে দমন করেছে। জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল। এ ছাড়া গুজব ও সাইবার ক্রাইমের মতো অপরাধ ডিএমপি সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করে যাচ্ছে। সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে ডিএমপি ওয়ান স্টপ সাইবার সেন্টার চালু করতে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশু সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে নারী ও শিশুদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে নারীরা নারী পুলিশের কাছ থেকে সেবা নিতে পারছেন। আইনশৃঙ্খলার পাশাপাশি সামাজিক কাজ ডিএমপি করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশ ব্লাড ব্যাংকের মাধ্যমে ডিএমপি মুমূর্ষু রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। করোনাকালে মাতা পিতা ও আত্মীয়স্বজন মৃতদেহ রেখে পালিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তাদের পরম মমতায় তাদের সৎকার করেছে। কখনো কখনো তারা প্লাজমা দিয়ে রোগীদের সেবা করেছে।  ডিএমপি কমিশনার বলেন, যানজট ঢাকা শহরে অন্যতম একটি সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানে সকল সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসতে হবে। আমরা এমন একটি ঢাকা করতে চাই সেখানে উত্তরা থেকে ১৫ মিনিটে গুলিস্তান আসা যায়। সকলের সহযোগিতায় আমরা স্মার্ট ডিএমপি করতে চাই। আমরা এমন একটি ডিএমপি করতে চাই যেখানে একজন নারী রাত ৩টায় রাস্তায় দিয়ে চলাচল করলে তার যেন মনে হয় তার পেছনে একজন পুলিশ সদস্য আছে।
০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ঊনপঞ্চাশে ডিএমপি
“সেবা ও সদাচার, ডিএমপি’র অঙ্গীকার”—এই প্রতিপাদ্য উপজীব্য করে আজ বৃহস্পতিবার উদযাপিত হচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৪৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করছে ডিএমপি। ঢাকা মহানগরীর সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে ডিএমপি নগরবাসীর আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে বলে বলছেন বাংলাদেশ পুলিশের সর্ববৃহৎ এ ইউনিটের কর্মকর্তারা। ১৯৭৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ৬ হাজার পুলিশ সদস্য এবং ১২টি থানা নিয়ে যাত্রা শুরু করে ডিএমপি। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় ঢাকা মহানগরীর প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপির কার্যক্রম এখন ৫০টি থানায় বিস্তৃত হয়েছে। এ ছাড়া কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি), গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) এবং সাইবার ইনভেস্টিগেশন বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ও বিভাগ পরিচালিত হচ্ছে ডিএমপির আওতায়। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে কাজ করছেন ৬ জন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি), ১২ জন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি), ৫৭ জন উপপুলিশ কমিশনারসহ (এসপি) ৩৪ হাজার অফিসার ও সদস্য। হাবিবুর রহমান পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগ দিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ২০৪১ অনুযায়ী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে ডিএমপির সার্ভিসগুলো সহজীকরণ এবং দ্রুত স্মার্ট পুলিশিং সেবা দিতে সৃষ্টিশীল ও উদ্ভাবনী চিন্তা নিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এরই মধ্যে তিনি ‘মেসেজ টু কমিশনার’ প্রযুক্তির মাধ্যমে নাগরিকদের আইনি সেবা, পরামর্শ এবং অপরাধবিষয়ক তথ্য ও সরাসরি বার্তা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমন ও উদ্ঘাটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ২৫ হাজার ৯০২টি মামলার সব তথ্য ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস) এতে সন্নিবেশ করা হয়েছে। এ ছাড়াও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারসহ নানা ধরনের জনবান্ধব কার্যক্রম চালাচ্ছে ডিএমপি। ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘শান্তি শপথে বলীয়ান’ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিটি সদস্য নিরাপদ ঢাকা মহানগরী গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বইমেলা ঘিরে সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই : ডিএমপি কমিশনার
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, বইমেলায় জঙ্গি হামলার কোনো হুমকি নেই। তবে সব দিক মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শাহবাগের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একুশে বইমেলা ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করতে এসে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, বইমেলা অসাম্প্রদায়িক আয়োজন। এই আয়োজনকে বিভিন্ন সময় হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। এখানে নাশকতা ও জঙ্গি তৎপরতার অতীত ঘটনা রয়েছে। এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে মাথায় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই। বিভিন্ন সময় বেশ কিছু বইয়ের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে পুলিশ। এবার এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো বইয়ের লেখার বিষয়টি বাংলা একাডেমি করে থাকে। তবে এমন কোনো লেখা বা বিষয় পাঠকের নজরে আসে বা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং সেটি নিয়ে যদি কোনো সমালোচনা হয় তখন ও পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ করা ও প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হয় তাহলে সেই ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। হাবিবুর রহমান বলেন, বইমেলায় ডিএমপি পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মেলায় একটি পুলিশ কন্ট্রোলরুম বসানো হয়েছে। এর মাধ্যমে মেলা ও এর আশপাশ পর্যবেক্ষণ করা হবে। নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি মেলায় প্রবেশপথে কয়েক ধাপে নিরাপত্তা তল্লাশি করা হবে। মেলার ভেতর বাইরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ওয়াচ টাওয়ারসহ নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এবারের মেলায় বিশেষ একটি সুবিধা যুক্ত হয়েছে। মেট্রোরেলের একটি স্টেশন মেলার গাঁ ঘেঁষে। তাই দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধা বাড়বে। এ ছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট গেট খুলে দেওয়া হচ্ছে। এতে দর্শণার্থীদের মেলায় প্রবেশ সহজ হবে। পড় বই, গড় দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৪। এ দিন বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন করবেন।
৩১ জানুয়ারি, ২০২৪

সংসদ এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করল ডিএমপি
আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে। অধিবেশন চলাকালে সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার (২৮ জানুয়ারি) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আদেশে বলা হয়েছে, সোমবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ১২টা থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরকদ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয়দ্রব্য বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া যে কোনো ধরনের সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেসব এলাকায় এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে সেগুলো হচ্ছে- ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত, বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিমপ্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত, পান্থপথের পূর্বপ্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত, মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭) নং সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরাতন নবম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণির পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্বপ্রান্ত থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এই সীমানার মধ্যে অবস্থিত সমুদয় রাস্তা ও গলিপথ।  
২৮ জানুয়ারি, ২০২৪

বিএনপির মিছিলে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এলেই গ্রেপ্তার : ডিএমপি
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নির্ধারিত কালো পতাকা মিছিলে ওয়ারেন্টভুক্ত কোনো আসামি যোগ দিলে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) লিটন কুমার সাহা এ তথ্য জানান।  লিটন কুমার সাহা বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আমরা গ্রেপ্তার করছি। আজ বিএনপির প্রোগ্রাম রয়েছে, সেখানে ওয়ারেন্টভুক্ত কোনো আসামি আসলে তাদের গ্রেপ্তারে আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। প্রোগ্রামে কোনো আসামি এসেছে কিন্তু আমরা ধরিনি, এমন নয়। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সবসময়ই তাদের কর্মসূচি পালন করছে। রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচিতে আমরা বাধা দিচ্ছি না। আজ শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি রয়েছে বিএনপির। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার ও ‘অবৈধ সংসদ’ বাতিলের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করছে দলটি।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৪
X