ঝিনাইদহে হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া দণ্ডপ্রাপ্তদের ১ লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়। সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নাজিমুদ্দৌলা এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- লিটন বিশ্বাস ও মনিরুল বিশ্বাস। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৬ মে রাতে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আন্দুলিয়া গ্রামের মশিউর রহমান হামলার শিকার হয়। একই গ্রামের লিটন বিশ্বাস, মনিরুল বিশ্বাসসহ আরও কয়েকজন তাকে ধারালো অস্ত্র, রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মভাবে আহত করে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ২৭ মে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মশিউরের ভাই মতিয়ার রহমান ৯ জনের নাম উল্লেখ করে হরিণাকুণ্ডু থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ব্রজেন কুমার দাশ প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে ২০১৪ সালের ২৫ নভেম্বর মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মামলার ১ নম্বর আসামি লিটন বিশ্বাস ও ২ নম্বর আসামি মনিরুল বিশ্বাসকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এ ছাড়া মামলার অপর ৬ আসামি ইমদাদুল বিশ্বাস, রাজু বিশ্বাস, মজিদুল বিশ্বাস, ছানোয়ার মণ্ডল, ওহিদুল ইসলাম এবং মাহবুল বিশ্বাস আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। মামলার প্রধান কৌশলী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ইসমাইল হোসেন জানান, আমরা এ রায়কে স্বাগত জানাই। যারা দোষ করবে তাদের শাস্তি হতে হবে। তাহলে সমাজে আইন অমান্যের ঘটনা ঘটবে না।
১৩ ঘণ্টা আগে

দুর্বৃত্তদের হামলায় অটোরিকশাচালক নিহত
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভুরুলিয়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইজাফর আলী (৪৫) নামে এক অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের ছেলে ও বড় ভাই। হতাহতদের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে কেন এ হামলা হলো তার কোনো স্পষ্ট কারণ জানা যায়নি। নিহত ইজাফর আলী ভুরুলিয়া এলাকার হাজী সলিম উদ্দিনের ছেলে।   হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভাই আজাফর আলী বলেন, রোববার (৩ মার্চ) রাত ১১টার দিকে ভুরুলিয়া এলাকায় নিজেদের বাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। এ সময় তিন-চারজন যুবক তাকে অতর্কিতভাবে কিল-ঘুষি মারে। তিনি বিষয়টি বাড়িতে গিয়ে তার ভাই  ইজাফর আলী ও ভাতিজা ইসমাইলকে জানান। এ সময় তারা লাঠিসোঁটা নিয়ে পাশের একটি স্কুলের সামনে গেলে অভিযুক্ত ওই যুবকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের হামলা চালায়। তাদের হামলায় তিনিসহ ভাই ইজাফর ও ভাতিজা ইসমাইল গুরুতর আহত হন। পরে স্বজন ও এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইজাফর আলী মারা যান। আজাফর আলী আরও বলেন, তাদের সঙ্গে কারও বিরোধ নেই। কেন অভিযুক্তরা হামলা চালিয়েছে বুঝতে পারছি না। জিএমপির সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ রাফিউল করিম বলেন, দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইজাফর আলী নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। কী কারণে হামলা হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে মামলা দায়েরসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে

নারায়ণগঞ্জে সাধন হত্যা মামলার রায় ঘোষণা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সাধন মিয়া হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার (৩ মার্চ) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময়ে আসামিরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- সোনারগাঁওয়ের পূর্ব কান্দারগাঁও এলাকার মো. আব্দুর রহমান সরকারের ছেলে মো. শামীম (৪৬) ও আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আল আমিন (৩৫)। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রাসেল (৩৪)।   কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই মামলাটি বেশ চাঞ্চল্যকর ছিল। ভিকটিমের পরিবার এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।  আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. শামীম হোসাইন বলেন, সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের কান্দারগাঁও ফয়জুল হকের ছেলে সাধনকে ২০১৪ সালের ১৬ জুন রাতে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। যা সোনারগাঁওসহ নারায়ণগঞ্জজুড়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে। সেই সঙ্গে এই ঘটনার পরের দিন নিহত সাধনের মা জয়তুন নেছা বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন।  তিনি আরও বলেন, এই মামলায় নিহত সাধনের দুই বন্ধু শামীম ও আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হলে তাদের স্বীকারোক্তিতে এ হত্যাকাণ্ডে চারজনের নাম উঠে আসে। পরে আসামি মোহাম্মদ আলীকে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করে। বর্তমানে এ মামলায় তিনজন আসামি। এই মামলায় বিচার কার্যক্রম শেষে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই রায় দেন।
০৩ মার্চ, ২০২৪

উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মাদ্রাসা ছাত্রকে হত্যা
নড়াইলের কালিয়ায় উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় এক মাদ্রাসাছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাতে উপজেলার নড়াগাতি থানার খাশিয়াল ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোর উপজেলার টোনা গ্রামের সাবেক পুলিশ সদস্য সুলতান আহমেদ মোল্লার ছেলে নিলয় মোল্লা। সে টোনা দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল। হামলার সময় নিলয় মোল্লার সঙ্গে থাকা তামিম খান নামে এক যুবক আহত হন। তামিম একই গ্রামের একরাম খানের ছেলে। আহত তামিম খান জানান, ১৪ থেকে ১৫ দিন আগে টোনা গ্রামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ব্রাহ্মণ পাটনা গ্রামের কামরুল খানের ছেলে শাকিল খান উত্ত্যক্ত করছিল। এ ঘটনা দেখে নিলয় মোল্লা শাকিল খানকে দুটি চড় দেয়। পরবর্তী সময়ে স্থানীয়রা ঘটনাটি মীমাংসা করে দেন। এ ঘটনার জেরে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তালবাড়িয়া গ্রামে ওয়াজ মাহফিল থেকে ফেরার পথে শাকিল খান বিড়ি খাওয়ার কথা বলে আমাকে ও নিলয়কে ডেকে নিয়ে রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের আঘাত করে। এ সময় আমরা বাঁচার জন্য চিৎকার করলে ওয়াজ মাহফিলে থাকা লোকজন এসে আমাদের উদ্ধার করে। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী ও খাশিয়াল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রেজ্জাক খন্দকার বলেন, আমরা ওয়াজ মাহফিল থেকে ফেরার পথে জানতে পারি ব্রাহ্মণ পাটনা গ্রামের কামরুল খানের ছেলে শাকিল খানের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ লোক দুটি ছেলেকে কুপিয়ে পালিয়েছে। পরে তাদের কাছে গিয়ে দেখতে পাই তারা আমার নির্বাচনী এলাকার পিকু মোল্লার ছেলে নিলয় মোল্লা ও একরাম খানের ছেলে তামিম খান। এ সময় তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কালিয়া হাসপাতালে নিয়ে আসি। হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিলয়কে মৃত ঘোষণা করেন। কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পার্থ প্রতিম বিশ্বাস বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা দুজনের মধ্যেও নিলয় নামে এক কিশোরকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করা হয়। তামিম নামে অন্য একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ওই কিশোরের মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য সকালে (গতকাল) নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
০৩ মার্চ, ২০২৪

বগুড়ায় ইন্টারনেট ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
বগুড়া শহরের চক ফরিদ কলোনি এলাকায় ইন্টারনেট ব্যবসায়ী এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (০২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চক ফরিদ কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজাহারুল ইসলাম শান্ত (২৪) সারিয়াকান্দি উপজেলার কুপতলা সাহপাড়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি কলোনিতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সৈয়দ আহম্মেদ কলেজে লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি ইন্টারনেট লাইনের ব্যবসা করতেন। পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চক ফরিদ কলোনিতে শান্তর ওপরে হামলা চালানো হয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আকতার বলেন, সেখান থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি হামলায় জড়িতদের, নাকি নিহতের তা নিশ্চিত করা যায়নি। নিহতের পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে হত্যার কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশের একাধিক দল মাঠে নেমেছে।
০২ মার্চ, ২০২৪

বিয়েবাড়ি থেকে ফেরা হলো না মন্টুর
শরীয়তপুরে মন্টু বেপারী নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে দীর্ঘ বছরের শত্রুতার জেরে এ খুন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। শুক্রবার (১ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার সেনেরচর ইউনিয়নের সাকিম আলী মাদবর কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মন্টু বেপারী (৬০) সেনেরচর ইউনিয়নের ভোলাই মুন্সী কান্দি গ্রামের আরশেদ আলী বেপারীর ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোলাই মুন্সী কান্দি গ্রামের মন্টু বেপারীর সঙ্গে সাকিম আলী মাদবর কান্দি গ্রামের এমদাদ মাদবরের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘ বছরের বিরোধ চলমান। একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় মন্টু বেপারী ও তার ভাতিজা বাবু বেপারী মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। তারা সাকিম আলী মাদবর কান্দি এলাকায় আসলে দুর্বৃত্তরা তাদের গতিরোধ করে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপ দিলে আত্মরক্ষার জন্য তারা মালেক মাদবরের ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় ওই দুর্বৃত্তরা মালেক মাবদরের ঘরে ঢুকে তাদের কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মন্টু বেপারীকে মৃত ঘোষণা করেন।  গুরুতর আহত বাবু বেপারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে জাজিরা থানা পুলিশের ওসি হাফিজুর রহমান কালবেলাকে বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিনের শত্রুতা ছিল। এই শত্রুতার জের ধরেই মন্টু বেপারী নামের একজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মন্টু বেপারীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
০২ মার্চ, ২০২৪

স্বামীকে কুপিয়ে মেরে থানায় হাজির স্ত্রী
স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন স্ত্রী। শুক্রবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় পটুয়াখালীতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ঈদুল আজহার তিন দিন আগে শহরের কলাতলা আকন বাড়ির ভাড়াটিয়া নজরুল ইসলামের ছেলে মো. রাকিব ইসলাম (২০) এর সঙ্গে সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের জুয়েল আকনের মেয়ে জিনিয়া ইসলাম (১৮) এর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক কলহের জের ধরে প্রায় রাকিব তার স্ত্রীকে মারধর করত। সম্প্রতি স্ত্রী ঝগড়া করে জিনিয়া তার বাবার বাড়ি চলে যায়।  শুক্রবার দুপুরে রাকিব স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে নিয়ে আসে। আসার পথে তাদের মধ্যে আবার ঝগড়া হয়। বাড়ি ফিরে রাকিব ঘুমাতে গেলে জিনিয়া ধারাল একটি বঁটি দিয়ে কুপিয়ে ও ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে রাকিবের মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে রাত ৮টায় পটুয়াখালী সদর থানায় উপস্থিত হয়ে কর্মকর্তাকে স্বামীকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে জিনিয়া। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমদ মঈনুল হাসান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
০২ মার্চ, ২০২৪

ঘুমন্ত গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা স্বামী আহত
নারায়ণগঞ্জে ঘুমের মধ্যে দিপালী রানী (৪২) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। একই ঘটনায় স্বামী শ্যামা চন্দ্র দাশকে (৪৮) গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে বন্দর উপজেলার লেজারস এলাকায় একটি ভাড়া বাড়ি থেকে দিপালীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি গৃহকর্মী ছিলেন। স্বামী শ্যামা চন্দ্র পেশায় চর্মকার। এই দম্পতির চার মেয়ে। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মেয়ে মলি দাশ জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে পাশের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিল। ছোট বোন অথৈকে নিয়ে সেখানে যাই। ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগিয়ে যাই। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফিরে বাতি না জ্বালিয়েই দুজন ঘুমিয়ে পড়ি। বাবা-মা প্রতিদিনের মতো নিচে বিছানা পেতে শুয়েছিল। পরদিন ঘুম ভাঙলে দেখি মায়ের রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে আছে। শরীরে অনেক কোপের চিহ্ন। পাশেই বাবাও রক্তাক্ত। কাছে গিয়ে দেখি, তার নিঃশ্বাস চলছে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাবাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এখনো তার চিকিৎসা চলছে। হত্যাকাণ্ডে বাড়ির কেয়ারটেকার জড়িত বলে অভিযোগ তার। মলি বলেন, বাড়িওয়ালার বোন ফরিদা বেগমই এখানকার কেয়ারটেকার। তার সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো মায়ের। গত বুধবারও রান্না করা নিয়ে কথা কাটাকটি হয়। এর রেশে ফরিদা বেগম ও তার স্বামী মিলে বাবা-মাকে কুপিয়েছে। বাবা হাসপাতালে বসে এ কথা বলেছে। খুনিদের বিচার চাই। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি রহস্যজনক। ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডটি কে বা কারা ঘটিয়েছে তার তদন্ত চলছে।
০২ মার্চ, ২০২৪

বলছে যুক্তরাষ্ট্র / ২৫ হাজারের বেশি নারী-শিশুকে হত্যা করেছে ইসরায়েল
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েল ২৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন। যদিও ইসরায়েলি বর্বর হামলায় ভূখণ্ডটিতে নিহতের মোট সংখ্যা এরই মধ্যে ৩০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। অবশ্য গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা এখনো চলছে এবং এতে করে ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। খবর আলজাজিরার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল ২৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুকে হত্যা করেছে বলে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বৃহস্পতিবার জানান। এদিন মার্কিন হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানির সময় গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুদের হত্যার পরিসংখ্যান জানতে চাওয়া হয় লয়েড অস্টিনের কাছে। জবাবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এটি ২৫ হাজারেরও বেশি।’ উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
০২ মার্চ, ২০২৪

পানি নিয়ে দ্বন্দ্বে ব্যবসায়ীকে হত্যা
বগুড়া সদরে ফসলি জমিতে সেচের পানি দেওয়ার দ্বন্দ্বে আব্দুল করিম (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নামুজা ইউনিয়নের বগারপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। তিনি পেশায় সেচযন্ত্রের মালিক। বগুড়া সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নূর জাহিদ বলেন, বগারপাড়া গ্রামের আলাল মিঞা নামে অন্য এক সেচযন্ত্রের মালিকের সঙ্গে জমিতে পানি সরবরাহের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে করিমের দ্বন্দ্ব চলছিল। এ ঘটনার জেরে বিরোধিপক্ষের সঙ্গে হাতাহাতি হলে করিম জ্ঞান হারান। হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
০২ মার্চ, ২০২৪
X