

ঢাকা-১০ সংসদীয় আসনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া৷ তিনি বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। নির্বাচনের আগে তিনি উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করবেন। ঢাকায় নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও এখন পর্যন্ত আসন নির্দিষ্ট করে জানাননি আসিফ মাহমুদ। রোববার (৯ নভেম্বর) এসব তথ্য জানান তিনি।
এদিকে আসিফ মাহমুদের নির্বাচনী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। তিনি আসিফ মাহমুদের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
সোমবার (১০ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের জন্য শুভকামনা রইল। তিনি বা সরকারের যারা উপদেষ্টা হিসেবে আছেন এবং ভবিষ্যতে রাজনীতি করতে চান, তারা পদত্যাগ করলেই বরং সরকারের নিরপেক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। এক্ষেত্রে আমি আসিফ মাহমুদের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। বরং পদত্যাগ আরও আগে করলে তার নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার আরও সমৃদ্ধ হতো।
তিনি বলেন, উপদেষ্টা হিসেবে সরকারের যাওয়ার কারণে আসিফ মাহমুদের অনেক সমালোচনা আছে। তবে তার সব দোষ আমি তাকে দেব না। বরং সরকারে থাকা সিনিয়র উপদেষ্টারা আসিফ মাহমুদদের উপযুক্ত গাইডলাইন দিতে ও আসিফদের বিপ্লবের শক্তি ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়েছেন। যে কারণে আসিফরা হাল ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে আমার ধারণা।
তিনি আরও বলেন, আসিফ মাহমুদের অনেক ভুল থাকতে পারে, তরুণ বয়সে ভুল করা স্বাভাবিক। তবে আসিফ মাহমুদের ৭ শব্দের লাইন বদলে দেয় ইতিহাস, ‘পরশু নয়, কালকেই লংমার্চ টু ঢাকা!’ হ্যাঁ, ৬ আগস্টের লংমার্চ পরিবর্তন করে ৫ আগস্টে নিয়ে আসার নায়ক আসিফ মাহমুদ। আমি তার জাতীয় রাজনৈতিক জীবনের জন্য শুভকামনা জানাই।
আসিফ মাহমুদ তার ভুলভ্রান্তি শুধরে বাকি জীবন সচেতনভাবে রাজনীতি করবে এবং জনগণের নেতা নয় বরং সেবক হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদী রাশেদ খাঁন।