কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম
আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সরকারের সমালোচনার পাশাপাশি সহযোগিতাও জরুরি : মুশফিকুল আনসারী

মুশফিকুল ফজল আনসারী। ছবি : সংগৃহীত
মুশফিকুল ফজল আনসারী। ছবি : সংগৃহীত

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেছেন, পাহাড়সম সমস্যার ভার এবং মানুষের সীমাহীন প্রত্যাশার মাঝে যাত্রা শুরু করা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সরকারের পথচলা, প্রত্যাশা ও সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

মুশফিকুল ফজল আনসারী তার পোস্টে উল্লেখ লিখেন, পাহাড়সম সমস্যার ভার এবং মানুষের সীমাহীন প্রত্যাশার মাঝখানে দাঁড়িয়ে যাত্রা শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন জনগণের সরকার। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতার জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ প্রেক্ষাপটে এই সরকারের পথচলা মসৃণ নয়। অনেকেই আমার মতামত জানতে চান, তবে অনেক ক্ষেত্রেই মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।

এটা সত্য যে, মানুষ দৃশ্যমান পরিবর্তনের প্রত্যাশা করে, আর এই প্রত্যাশা একেবারেই স্বাভাবিক ও যৌক্তিক। সেই জায়গায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। তার বিনয়, রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী হয়েও সহজ ও সাধারণ জীবনযাপন, একাগ্রতা ও সময়ানুবর্তিতা মানুষের মধ্যে আস্থা ও আশার সঞ্চার করেছে। মানুষ এটিও প্রত্যাশা করে, মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরাও প্রধানমন্ত্রীর পদাঙ্ক অনুসরণ করবেন এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সবার কাছে একই ধরনের সংবেদনশীলতা, দায়িত্ববোধ ও সংযত আচরণ প্রত্যাশিত।

তিনি আরও লিখেন, যারা প্রধানমন্ত্রীর আস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন, তাদের জন্য এটি শুধু সুযোগ নয় বরং একটি বড় দায়। তাদের প্রতিটি কথা ও আচরণে প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন যে, তারা এসেট, কোনোভাবেই লাইবিলিটি নন। সময় বদলেছে, মানুষের সচেতনতা ও ভাবনার পরিধি বিস্তৃত হয়েছে। এখন জবাবদিহিতা, সংবেদনশীলতা ও দক্ষতার মাধ্যমেই মানুষের আস্থার জানান দিতে হবে।

আমাদের সমাজের একটি সচেতন অংশ দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে অভ্যস্ত এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশে এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে তাদেরও মনে রাখা উচিত, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী এই সরকার ও সংসদ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত। সরকারের কাজের সমালোচনা এবং ভুল ধরিয়ে দেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগী হওয়াও নাগরিক সমাজের দায়িত্বের অংশ। গণতন্ত্রে ফেরা আজকের বাংলাদেশে যেখানে আলোচনার পথ প্রশস্ত, সেখানে হুমকি-ধমকি অনাহূত। শান্তি, স্থিতি, মানবিক মর্যাদা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এই সময়ের সবচেয়ে অগ্রাধিকার। আন্দোলনের মাঠ নয় বরং ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে পড়ার টেবিল হোক আমাদের ছেলেমেয়েদের গন্তব্য।

বাংলাদেশে এসে এটি আমার দুই আনার চিন্তা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপের ভেন্যুতে নিষিদ্ধ হলো পানির বোতল

নতুন চেয়ারম্যান ও তিন কমিশনার পেল বিএসইসি

একাকী অনুশীলন করছেন মেসি

বিএসইসির চেয়ারম্যান হলেন ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ারের মাসুদ খান

নেইমার নাকি ভিনি, ১০ নম্বর জার্সি কার

মার্কিন নাগরিককে ধরে নিয়ে গেছে ইসরায়েলি বাহিনী

বিশ্বকাপ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করল অপ্টা

জবানবন্দিতে দোষ স্বীকার / রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা ও নিজের পালিয়ে যাওয়ার বর্ণনায় যা জানালেন সোহেল

যুদ্ধবিরতির পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের হামলা 

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে বিভক্তি না করার আহ্বান ইরানের

১০

লেবাননের সঙ্গে শান্তিচুক্তির আশা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

১১

আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ

১২

বাবা ও দাদির কবরের ফুলগাছ চুরি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগ যুবকের

১৩

নয়াদিল্লির আগুনে বাংলাদেশি দুই পরিবারের ৯ সদস্য আহত

১৪

প্রেমিকার অভিমানে মোটরসাইকেলে আগুন, রহস্য খুঁজছে পুলিশ

১৫

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

১৬

কুয়েত বিমানবন্দরে হামলার দায় নিল না ইরান

১৭

আদালতে জবানবন্দিতে রামিসা ধর্ষণ-হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা ঘাতক সোহেলের

১৮

পাথর হতে পারে গলাতেও, অদ্ভুত এই সমস্যার লক্ষণ জানালেন চিকিৎসক

১৯

চট্টগ্রামে ওয়াসিম হত্যা : অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল

২০
X