শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম
আপডেট : ১৩ মে ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইরানে এক রাতেই ৯ বার ভূমিকম্প, বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের রাজধানী তেহরানের পূর্বাঞ্চলে এক রাতের মধ্যে টানা ৯টি মৃদু ভূমিকম্পের ঘটনায় নতুন করে বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজধানীর আশপাশে জমে থাকা ভূত্বকীয় চাপ ভবিষ্যতে ভয়াবহ দুর্যোগ ডেকে আনতে পারে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ জানিয়েছে, বুধবার (১৩ মে) রাতে তেহরানের পূর্বদিকে পারদিস এলাকায় এসব কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পগুলো সংঘটিত হয়েছে মোশা ফল্টের কাছাকাছি এলাকায়, যা দেশটির অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ফল্ট রাজধানী তেহরান থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অঞ্চলে মাঝেমধ্যে ছোট কম্পন হলেও একই রাতে ধারাবাহিকভাবে এতগুলো ভূমিকম্প হওয়া অস্বাভাবিক ঘটনা।

মেহের নিউজের তথ্য অনুযায়ী, একটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৬। তবে এতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ভূকম্প বিশেষজ্ঞ মেহদি জারি বলেন, এই কম্পনগুলো ভবিষ্যতের ঝুঁকি কমাতে ভূগর্ভস্থ শক্তি নির্গমনের ইঙ্গিত কি না, নাকি আরও বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস; তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

তিনি সতর্ক করে বলেন, তেহরানের ঝুঁকি শুধু সক্রিয় ফল্ট লাইনের কারণেই নয়; ঘনবসতি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং দুর্বল প্রস্তুতিও পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

তার মতে, তুলনামূলক ছোট ভূমিকম্পও রাজধানীতে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। কারণ শহরটির অবকাঠামো অনেক জায়গায় দুর্বল এবং অতিরিক্ত যানজট জরুরি উদ্ধার কার্যক্রমকে জটিল করে তোলে।

প্রায় দেড় কোটির বেশি মানুষের বসবাস তেহরানে। শহরটি উত্তর তেহরান, মোশা ও রে; এই ৩টি বড় সক্রিয় ফল্ট লাইনের কাছাকাছি অবস্থান করছে।

ইরানি বিশেষজ্ঞরা বহুদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন, তেহরানের কাছে শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে তা ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।

বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ ইরান এখনো ভুলতে পারেনি ২০০৩ সালের বাম ভূমিকম্পের স্মৃতি। সেই দুর্যোগে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

সূত্র : আল জাজিরা

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্বপ্নভঙ্গের খতিয়ান: বাল্যবিয়ের বিষ-ছোবলে লাখো ছাত্রী

আনোয়ার ইস্পাতের আয়োজনে বুয়েটে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

স্থানীয় সরকারে ভোট দিতে ভোটার হওয়ার শেষ সময় ৩১ জুলাই

শাশুড়িকে হত্যার পর গোপনে দাফন, পুত্রবধূর স্বীকারোক্তিতে রহস্য ফাঁস

বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল ২ ভাইয়ের

সকাল ৯টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক

পাবিপ্রবির নারী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৯ দিন আত্মগোপনে থাকার পর ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

ম্যারাডোনা থেকে মেসি: বাংলাদেশে কেন আর্জেন্টিনার ফুটবল নিয়ে এত উন্মাদনা

১০

রিজার্ভ আরও বাড়ল

১১

রাকিবের ‘ঘৃণার’ পর জুলাই নিয়ে বক্তব্য সম্পর্কে যা বললেন নিলোফার মনি

১২

মাদকের বিরুদ্ধে বিএনপির অবস্থান জিরো টলারেন্স: গয়েশ্বর

১৩

লাল কার্ডের যে তালিকায় সবার ওপরে ব্রাজিল

১৪

রাত পোহালেই শিল্পী সমিতির ভোট, মুখোমুখি দুই প্যানেল

১৫

স্কুল ফিডিংয়ে ‘নষ্ট খাবার’ দিল ঠিকাদার, শোকজ খেলেন প্রধান শিক্ষক!

১৬

আজীবন বিএনপি করে মরতে চান নরসিংদী জেলা আ.লীগের উপদেষ্টা

১৭

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার দিনে অন্তত ২১ হাজার শিশু নিহত

১৮

যুবককে বুকে ঘুষি দিয়ে হত্যার অভিযোগে আটক ১

১৯

নতুন ভিসানীতির অনুমোদন

২০
X