

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হলেও দেশটির সরকার ভেঙে পড়েনি। বরং হরমুজ প্রণালিতে শক্ত অবস্থান নিয়ে ইরান এখন বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করেছে।
দুই সপ্তাহের যুদ্ধের পর দেখা যাচ্ছে, ইরান তেলের সরবরাহ ব্যাহত করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর হামলা চালাচ্ছে। এতে উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠেছে।
খামেনির মৃত্যুর পর ইরান দ্রুতই নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনিকে দায়িত্ব দিয়েছে। নেতৃত্বে পরিবর্তন হলেও দেশটির সামরিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েনি। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এখন তিনটি কৌশল অনুসরণ করছে— টিকে থাকা, পাল্টা আঘাত করা এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করা।
এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। এই পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবহন করা হয়। ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বেড়ে গেছে।
এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপরও চাপ বাড়ছে। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে বিশ্বজুড়ে জীবনযাত্রার খরচ বাড়তে পারে এবং রাজনৈতিক চাপও তৈরি হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় এখনো হামলা পাল্টা হামলা চলছে। লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘর্ষও অব্যাহত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধের সহজ কোনো সমাধান নেই। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প এখন যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য পথ খুঁজছেন।