

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন দাবির পর এখন প্রশ্ন উঠছে—দীর্ঘদিন ধরে রুশ জ্বালানি কেনার পক্ষে থাকা দিল্লি কি সত্যি মস্কোর তেল আর কিনবে না?
এখন পর্যন্ত এমন প্রশ্নের উত্তর সরাসরি দেয়নি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার দিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক ব্রিফিংয়ে জানায়, তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা সরকারের অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে রয়েছে। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
সম্প্রতি ট্রাম্প বলেছেন, ভারত এখন রাশিয়ার তেল ক্রয় বন্ধ করে যুক্তরাষ্ট্র বা ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সংগ্রহ করতে পারে। এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, কোন দেশ থেকে তেল কেনা হবে, তা ভারতের জাতীয় স্বার্থ এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ঠিক করা হয়। দেশের ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের জন্য ‘সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ’। জয়সওয়াল বলেন, ভেনেজুয়েলা ভারতের দীর্ঘদিনের জ্বালানি সহযোগী দেশ ছিল। ভারত ২০১৯ সাল পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করত, কিন্তু সংকলন ও নিষেধাজ্ঞার কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৩ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত কিছু সময় আবার তেল আমদানি শুরু হয়েছিল, কিন্তু পরে আবার তা স্থগিত হয়।
রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া: মস্কো বলেছে যে, ভারতের এ অবস্থান নতুন কিছু নয়। রাশিয়ার মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ভারত যে কোনো তেল সরবরাহকারী দেশ থেকে তেল কেনার স্বাধীনতা রাখে এবং ভারতের জ্বালানি আমদানির বৈচিত্রকরণ কোনো নতুন কৌশল নয়।