

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে খান খান হয়েছে। দেখা দিয়েছে তীব্র অন্তর্দ্বন্দ্ব। দলের বিদ্রোহী শিবিরের নেতা তথা বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একাংশ নতুন কমিটি গঠন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়ারপারসনের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করে নতুন নেতৃত্বের নামও প্রকাশ করা হয়েছে। গত সোমবার কলকাতার নিউ টাউনের একটি হোটেলে আয়োজিত বিশেষ অধিবেশনে বিদ্রোহী বিধায়কেরা এ সিদ্ধান্ত নেন। বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছে, তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে নতুন কমিটির তথ্য জমা দেবে। এ পদক্ষেপের পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের ঐতিহ্যবাহী জোড়াফুল প্রতীকের ওপর কার নিয়ন্ত্রণ থাকবে। কালীঘাটপন্থি নেতৃত্ব বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা শুরু করলেও প্রতীক রক্ষার লড়াই কতটা সহজ হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
অন্যদিকে, তৃণমূল থেকে বেরিয়ে এনসিপিআইতে যোগ দেওয়া ২০ বিদ্রোহী সাংসদও প্রতীক নিয়ে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জোড়াফুল প্রতীকটি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দলের পরিচয়ের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ১৯৯৮ সালে দল প্রতিষ্ঠার সময় থেকে এ প্রতীক ব্যবহার হয়ে আসছে। নির্বাচন কমিশন ও আদালতের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে জোড়াফুলের চূড়ান্ত মালিকানা কার হাতে থাকবে।