কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪৭ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক মেলেনি ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ উপাদান

টিআইবির মূল্যায়ন
ছবি : কালবেলা
ছবি : কালবেলা

সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন তুলে ধরেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলেছে, এই নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর কোনো উপাদান দেখা যায়নি। পাশাপাশি, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে। টিআইবি জানিয়েছে, দলীয়ভাবে নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা থাকলেও মাঠপর্যায়ে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের একটি অংশ ভোটাধিকার প্রয়োগসহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। নির্বাচনে দলটির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ—উভয় ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল।

গতকাল সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডি কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য জানিয়েছে টিআইবি। সেখানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হলো কি না—এ নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠবে।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির পক্ষ থেকে নির্বাচনের সামগ্রিক বিষয় জানাতে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে প্রতিনিধিত্বশীল নমুনায়ন পদ্ধতি ব্যবহার করে দৈবচয়নের ভিত্তিতে ৭০টি আসন বেছে নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে টিআইবি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত এবং দলটির কার্যক্রম ও ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করা হয়। তবে আওয়ামী লীগ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ ও ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে’ অবৈধ এবং ষড়যন্ত্রমূলক ঘোষণা করে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে। দলটি নির্বাচনকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করে তা প্রতিহত করার ঘোষণা দেয় এবং নির্বাচনী পরিবেশে নেতিবাচক ভূমিকা পালন করে।

এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা থাকলেও মাঠপর্যায়ে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। দলের একটি অংশ ভোট বর্জন করলেও কর্মী-সমর্থকদের অন্য একটি অংশ সাধারণ ভোটার হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে বিএনপি জোট ও জামায়াত জোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের ভোট টানার জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ছিলেন। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যেও সাড়া পাওয়া গেছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্য দলগুলোতে যোগদান করেছেন, অথবা তাদের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে কি না? জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, পেছনে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং হতে পারে, তবে আমাদের বিবেচনায় আমরা কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং পাইনি। নির্বাচন তুলনামূলক সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে।

আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আরেক সাংবাদিক। জবাবে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা স্থানীয় পর্যায়ে অন্য দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ে অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষ বা দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে বলেছিলেন। তারা ভোট দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের শতভাগ নেতাকর্মী ভোট দেননি—এটা বলার সুযোগ নেই। আমাদের দৃষ্টিতে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক, অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে।

আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন ৯৯ শতাংশ প্রার্থী: ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গবেষণার অন্তর্ভুক্ত আসনগুলোতে ৯৯ শতাংশ প্রার্থী কোনো না কোনোভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। ছোটখাটো শোডাউন, যানবাহনসহ মিছিল, মশাল মিছিল, প্রতিপক্ষের পোস্টার-ব্যানার ছেঁড়া, অতিরিক্ত সমর্থক নিয়ে মনোনয়ন দাখিল—এ ধরনের বিভিন্ন অনিয়ম ঘটেছে। অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই প্রচারণায় ব্যাপক লঙ্ঘন হয়েছে এবং বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সব অনিয়ম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।

টিআইবির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, নির্বাচনের শুরুতে সুস্থ প্রতিযোগিতার কিছু উপাদান থাকলেও, ভোট ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তা অনেক ক্ষেত্রে অসুস্থ প্রতিযোগিতায় রূপ নেয়। ‘বিজয়ী হতেই হবে’ মানসিকতা নির্বাচনী আচরণে প্রতিফলিত হয়েছে। কোথাও কোথাও সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষ করে বিরোধী অবস্থান ও নির্বাচনবিরোধী তৎপরতার প্রভাব বিভিন্ন স্থানে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের কারণে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অসহিষ্ণুতার ঘটনাও দেখা গেছে।

সংস্থাটি বলছে, এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৬০ শতাংশ। বৈশ্বিক মানদণ্ডে তা উল্লেখযোগ্য হলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রত্যাশার তুলনায় কম। প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটার ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন, যার পেছনে আস্থার ঘাটতি অন্যতম কারণ বলে মনে করে টিআইবি।

প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো আচরণবিধি মানার অঙ্গীকার করলেও বাস্তবে তা রক্ষা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন উভয়ক্ষেত্রেই প্রচারণা ব্যয়ের সীমা ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে লঙ্ঘনের মাত্রা সর্বাধিক। অফলাইন প্রচারণা ব্যয়ে নির্ধারিত সীমার তুলনায় ১৯ থেকে ৩২৮ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।

নির্বাচন আয়োজনে সম্পৃক্ত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাংশের মধ্যে প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে অনিয়ম ও নিষ্ক্রিয়তা লক্ষ করা গেছে বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের পক্ষ থেকেও নির্বাচন কমিশনের প্রতি অসহযোগিতার মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।

ত্রয়োদশ সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব মাত্র ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা ২০০৮ সালের নবম সংসদের তুলনায় অর্ধেক এবং সর্বনিম্ন। তবে এবারের সংসদ তুলনামূলকভাবে তরুণ; প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন ২০৯ জন বা ৭০ শতাংশ সদস্য। সম্ভাব্য সংসদ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতাও প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হচ্ছেন। এ ছাড়া সংসদের ৮৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ সদস্য স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী, এর মধ্যে ৪৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ স্নাতকোত্তর। ব্যবসায়ী পেশার সদস্য প্রায় ৬০ শতাংশ, যদিও আগের সংসদের তুলনায় কিছুটা কমেছে।

৭০টি আসনের মধ্যে ২১ শতাংশ আসনে কোথাও কোথাও জাল ভোট দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।

নির্বাচনী প্রচারণায় বিটিভির খরচ ৫ কোটি টাকার বেশি: নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণায় রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা খরচ করেছে বলে জানিয়েছে টিআইবি। এতে নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ভূমিকা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিটিভির রাত ৮টার খবরে নির্বাচন সম্পর্কিত সংবাদে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের পেছনে মোট ব্যয়িত সময় ৫৯৩ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড। যার মোট প্রাক্কলিত আর্থিক মূল্য ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা।

টিআইবি আরও বলছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার জন্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা অনিয়ন্ত্রিত অর্থ ব্যয় করেছেন। সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছে বিএনপি। তপশিল ঘোষণার আগে ২০২৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিএনপি ১১টি দলীয় পেজে ও ১১১ প্রার্থীর পেজে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮৭ হাজার ৩১২ টাকা ব্যয় করেছে। একই সময়ে জামায়াত ১১৫টি পেজে ১ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৩৬০ টাকা, এনসিপি ১৭টি পেজে ১০ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৭ টাকা ব্যয় করেছে অনলাইন প্রচারে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২১টি পেজে ২০ লাখ ৭৯ হাজার ৫৩১ টাকা এবং এবি পার্টি ৭টি পেজে ৩ লাখ ২৯ হাজার ১৯২ টাকা ব্যয় করেছে। মেটা প্ল্যাটফর্ম থেকে তথ্য প্রাপ্তির ভিত্তিতে ফেসবুক পেজগুলোর ব্যয় ধরা হয়েছে গবেষণায়।

নবনির্বাচিত এমপিদের অর্ধেকই ঋণগ্রস্ত: বিজয়ী এমপিদের একটি বড় অংশই সম্পদের দিক থেকে কোটিপতি। এর পাশাপাশি প্রায় অর্ধেক সদস্যই ঋণের বোঝা নিয়ে সংসদে যাচ্ছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নবনির্বাচিত এমপিদের মধ্যে ২৩৬ জন কোটিপতি। এদের মধ্যে শত কোটিপতি রয়েছেন ১৩ জন। দলভিত্তিক হিসাবে বিএনপির নির্বাচিত এমপিদের মধ্যে ১৮৯ জন কোটিপতি, যা দলটির সংসদ সদস্যদের ৯০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে কোটিপতির সংখ্যা ৩৮ জন, যা ৫৫ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

অস্থাবর সম্পদের হিসাবে কোটিপতি এমপির সংখ্যা ১৮৪ জন। স্থাবর সম্পদের মূল্য অনুযায়ী কোটিপতি রয়েছেন ১৬৭ জন। তাদের প্রত্যেকের অন্তত তিনটি দালান, অ্যাপার্টমেন্ট, খামার বা বাগান রয়েছে বলে প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে।

বর্তমান সংসদের প্রায় ৪৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ সদস্য দায় বা ঋণগ্রস্ত। ২০২৪ সালের নির্বাচনে এই হার ছিল ৫২ শতাংশ। এবারের নির্বাচনে দলভিত্তিক হিসাবে বিএনপির সংসদ সদস্যদের মধ্যে ঋণগ্রস্তের হার ৬২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে এ হার ১৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নবনির্বাচিত এমপিদের মোট ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা, যা দেশের আগের চারটি সংসদের তুলনায় সর্বোচ্চ। ঋণের পরিমাণের দিক থেকে শীর্ষ ১০ জন ঋণগ্রস্ত সংসদ সদস্যের সবাই বিএনপির নবনির্বাচিত প্রতিনিধি।

গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমান সংসদের ৬০ শতাংশ সদস্য ব্যবসায়ী। সংসদে শিক্ষক ও আইনজীবী পেশার সদস্যের সংখ্যা বেড়েছে। এই দুই পেশার হার যথাক্রমে ৮ দশমিক ১ শতাংশ এবং ১১ দশমিক ৫ শতাংশ।

ত্রয়োদশ সংসদের ৬৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ সদস্যের বার্ষিক আয় ১০ লাখ টাকার বেশি। কোটি টাকার বেশি আয় রয়েছে ৪৮ জন সংসদ সদস্যের। এ ছাড়া শীর্ষ ১০ জন আয়ের তালিকার মধ্যে বিএনপির রয়েছেন ৯ জন এবং জামায়াতে ইসলামীর একজন। সর্বোচ্চ বাৎসরিক আয় কুমিল্লা-৮ আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহেরের। তার ঘোষিত বার্ষিক আয় ৫৯ কোটি ১৬ লাখ টাকার বেশি।

প্রথমবার এমপি হয়েছেন ২০৯ জন: এবার প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হয়েছেন ২০৯ জন। সম্ভাব্য সংসদ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা—দুজনই প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন। নির্বাচনে বিজয়ীদের গড় বয়স ৫৯ বছর বলে জানিয়েছে টিআইবি। সংস্থাটি নতুন সংসদকে অপেক্ষাকৃত তরুণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এমপিদের বয়সভিত্তিক হার হলো—২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সী ৩ দশমিক ৩ শতাংশ, ৩৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সী ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ, ৪৫ থেকে ৫৪ বছর বয়সী ১৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ, ৫৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী ৩৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ৩৬ দশমিক ৩ শতাংশ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আ.লীগের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

রোববার চুক্তি সইয়ের দাবি ট্রাম্পের, ভিন্ন কথা বলছে ইরান

১৪ জুন / কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

যে কীর্তিতে পেলে-রোমারিওকেও ছাড়িয়ে গেলেন ভিনিসিয়াস

খেলাপ্রেমীদের জন্য চরম উত্তেজনায় কাটবে দিনটি

নিজেকে দক্ষ করে তুললে অর্থের অভাব হবে না : ভূমিমন্ত্রী

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই প্রথম গোলের দেখা পেল স্কটল্যান্ড

রোববার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

টিভি থেকে আজ মুখ ফেরাতে পারবেন না খেলাপ্রেমীরা

দুপুরের মধ্যে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরেও সতর্কতা

১০

শুরুতেই ধাক্কা, হেক্সা মিশন সফল করতে পারবে ব্রাজিল?

১১

জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

১২

চাকরির ইন্টারভিউতে বেতনের প্রশ্নের উত্তর দেবেন যেভাবে

১৩

বিশ্বকাপে ৯২ বছরের রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখল ব্রাজিল

১৪

মাস শেষে টাকা থাকে না? মধ্যবিত্তের ৭ সাধারণ ভুল

১৫

হাইভোল্টেজ ম্যাচে ব্রাজিলকে জিততে দিল না মরক্কো

১৬

ছুটির আবেদন মঞ্জুর করানোর বিশেষ ৮ কৌশল

১৭

শেষ পর্যন্ত ‘পল্টি’ই মারলেন সাকিব

১৮

আজকের নামাজের সময়সূচি

১৯

জার্সি পরে নামাজ পড়া কি বৈধ?

২০
X