পৃথিলা দাস
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৮ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

আয়ের দুয়ার খোলায় বন্ধ বাল্যবিয়ে

১৫ বছর বয়সের আগে বিয়ে হচ্ছে ৮ শতাংশ মেয়ের
আয়ের দুয়ার খোলায় বন্ধ বাল্যবিয়ে

বরিশালের ছোট্ট একটি গ্রামের বাসিন্দা আমিনা। ১৪ বছর বয়সী মেয়েটির কাঁধে তখন পুরো পৃথিবীর ভার চাপিয়ে দিয়ে পরপারে চলে গেছেন বাবা। তাই যেন শোক কাটার আগেই শুরু হয় তার জীবনযুদ্ধ। আত্মীয়ের মুখে একটাই কথা—‘মেয়ে বড় হয়ে গেছে, আর কত দেরি!’ ততক্ষণে স্কুলের বই-খাতা গুছিয়ে তুলে রাখা শেষ। ভবিষ্যতের আলোর বাতি মিলে যাচ্ছিল অন্ধকারে। তার বড় দুই বোনেরও বিয়ে হয় ১৪ আর ১৫-তে। গ্রামের সবাই জানত, আমিনার ভাগ্যেও লেখা আছে একই পরিণতি; কিন্তু আমিনার গল্পটা অন্যভাবে লেখা হলো।

আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের ‘শিশুদের জন্য’ কর্মসূচির আওতায় আমিনার হাতে তুলে দেওয়া হয় দুটি ছাগল। দেখতে সামান্য দুটি প্রাণী—কিন্তু এই দুটি ছাগলই হয়ে উঠল জীবন বদলের খুঁটি। দিন যায়, মাস যায়। ছোট ছোট পায়ে এগিয়ে চলে আমিনা। দুটি ছাগল হয় চারটে। একটি বিক্রি করে সে জমায় ভর্তি পরীক্ষার ফি। আবার খুলে যায় স্কুলের দরজা। সেখানেই থামেনি সে। স্থানীয় শিশুদের পড়িয়ে গড়ে তুলেছে আরেকটি আয়ের পথ।

১৮ বছর বয়সী আমিনা এখন মাথা উঁচু করে বলতে পারছেন, ‘আগে আত্মীয় দ্রুত বিয়ে দিতে চাইত; কিন্তু এখন নিজের আয় আছে, শিক্ষার সুযোগ আছে—সেই চাপ অনেকটাই কমে গেছে।’ তারপর একটু থেমে সে যোগ করে, ‘অল্প বয়সে বিয়ে হলে এখন সংসার আর সন্তান সামলাতে হতো। নিজের জন্য বাঁচার কোনো সুযোগ থাকত না।’

একই জেলার মুলাদীর মেয়ে রাবেয়া। ১৬ বছর বয়সী রাবেয়া (ছদ্মনাম) এই পরিবারের বড় সন্তান। তার পরেই আরও তিন বোন। চার মেয়ে নিয়ে সংসার—আর সেই সংসারের একমাত্র কর্মক্ষম তাদের বাবা; কিন্তু তিনিও নিয়মিত কাজ করতে পারেন না; মাঝেমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাবা যখন অসুস্থ থাকেন তখন যেন পুরো ঘরটাই থমকে যায়। রান্নার হাঁড়ি চড়ে না নিয়মিত। এ বাস্তবতার মধ্যেই বড় হতে থাকে রাবেয়া।

সংসারের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে বিয়ের চাপ। ‘মেয়েটাকে বিয়ে দিয়ে দিলে একটি দায় কমবে।’ আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে এই পরামর্শ বারবার আসে। চার মেয়ের সংসারে বড় মেয়েকে দ্রুত বিয়ে দেওয়া যেন এক ধরনের সমাধান হিসেবেই দেখা হচ্ছিল।

এমন পরিস্থিতিতে ‘শিশুদের জন্য’ কর্মসূচির আওতায় তাকে দেওয়া হয় একটি সেলাই মেশিন এবং হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ। শুরুটা সহজ ছিল না। নতুন কাজ, নতুন দায়িত্ব—সবকিছু মিলিয়ে প্রথমদিকে অনেক ভুল হয়েছে; কিন্তু রাবেয়া থামেনি। ধীরে ধীরে সে নিজের কাজের জায়গা তৈরি করতে শুরু করে। প্রথমে প্রতিবেশীর ছোটখাটো সেলাই—কাপড় ঠিক করা, ব্লাউজ বানানো, বাচ্চাদের জামা। কাজের মান ভালো হওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই তার পরিচিতি বাড়তে থাকে।

কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। নিজের হাতে আয় করা টাকায় রাবেয়া শুধু নিজের খরচই চালায় না, সংসারের খরচেও সহায়তা করতে শুরু করে। বাবার অসুস্থতার সময় তার এই আয় পরিবারকে বড় ধরনের সহায়তা দেয়। এ পরিবর্তন পরিবারের দৃষ্টিভঙ্গিতেও বড় প্রভাব ফেলে। যে পরিবার আগে বিয়েকেই একমাত্র পথ মনে করছিল, তারা এখন বুঝতে পারে—রাবেয়া সংসারের জন্য একটি শক্তি। ফলে বিয়ের চাপ ধীরে ধীরে কমে যায়, এবং শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে পরিবার।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে রাবেয়ার নিজের জীবনে। সে আবার স্কুলে ফিরতে পারে। নিজের উপার্জনের টাকায় পড়াশোনার খরচের একটি অংশ বহন করে, যা তাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

এখন রাবেয়া দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ‘আগে মনে হতো আমার জীবনটা অন্যদের সিদ্ধান্তে চলে যাবে। এখন আমি নিজে উপার্জন করি, পড়াশোনা করছি—তাই নিজের কথা বলতে পারি।’ একটু থেমে তিনি আরও বলেন, ‘যদি তখন বিয়ে হয়ে যেত, হয়তো আজ এই জায়গায় আসতে পারতাম না। সংসারের চাপেই আটকে থাকতাম।’

আমিনা ও রাবেয়া একা নয়। তাদের মতো কিশোরীরা আজও এগিয়ে চলছে—অন্ধকার পেরিয়ে আলোর পথে। সেভ দ্য চিলড্রেন জানায়, তাদের কর্মসূচির আওতায় কিশোরীদের অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম করে তুলতে বিভিন্ন আয়মুখী উপকরণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যা তাদের জীবনে দৃশ্যমান পরিবর্তন এনে দিচ্ছে।

এই সহায়তার অংশ হিসেবে ১৮৬ জন কিশোরীর মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১ হাজার ৪৬৯ জন কিশোরী পেয়েছে ছাগল, যা তাদের জন্য টেকসই আয়ের উৎসে পরিণত হয়েছে। বেদে সম্প্রদায়ের ২০ জন কিশোরীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে মাছ ধরার জাল, যাতে তারা নিজেদের ঐতিহ্যগত পেশার সঙ্গে যুক্ত থেকে আয় করতে পারে। এ ছাড়া ১৯ জন কিশোরীকে শীতল পাটি ও হোগলা পাতার উপকরণ দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে তারা দেশীয় পণ্য তৈরি করে জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাচ্ছে। পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের অংশ হিসেবে আরও ৬ জন কিশোরীকে শপিং ব্যাগ তৈরির উপকরণ—যেমন সিমেন্টের ব্যাগ—সরবরাহ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, সমাজে মেয়েদের বাল্যবিয়ের অন্যতম প্রধান কারণ নিরাপত্তাহীনতা। অনেক অভিভাবক মনে করেন, মেয়েকে বিয়ে দিলেই দায়িত্ব শেষ। সমাজ এখনো মেয়েদের পরনির্ভরশীল হিসেবে দেখে এবং নিজের পরিচয়ে বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে চায় না।

তিনি বলেন, বাল্যবিয়ে এখন শুধু দরিদ্র বা কম শিক্ষিত পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; শিক্ষিত ও উচ্চবিত্ত পরিবারেও এটি বাড়ছে। নারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা থেকে নারীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও নেতিবাচক প্রচারণা বাড়ছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। এর প্রভাবেও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং বাল্যবিয়ের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফওজিয়া মোসলেম আরও বলেন, বাল্যবিয়ে নিরোধ আইনে ‘বিশেষ পরিস্থিতিতে’ আদালতের অনুমতি নিয়ে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ের সুযোগ রাখায় বাল্যবিয়ের প্রবণতা আরও বেড়েছে। পাশাপাশি দেশে আইনের শাসন দুর্বল হওয়ায় নারীবিরোধী শক্তিও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই কর্মসূচি কেবল উপকরণ বিতরণে সীমাবদ্ধ নয়; বরং কিশোরীদের স্বাবলম্বী করে তোলা এবং বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, আয়মুখী সহায়তা পাওয়া কিশোরীর মধ্যে প্রায় ৮৫ শতাংশই এখন স্বাধীনভাবে আয় করতে সক্ষম। তারা বিয়ের চাপ সামলে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ১ হাজারেরও বেশি কিশোরী আবার স্কুলে ফিরে গেছে।

২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত এই কর্মসূচির আওতায় বরিশাল, গাইবান্ধা ও ঢাকার প্রায় ২০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার, লিঙ্গসমতা, শিশু অধিকার এবং বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছে প্রায় ৬৫ হাজার কিশোর-কিশোরী, যার দুই-তৃতীয়াংশই মেয়ে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের অ্যাডোলেসেন্ট ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার কনিকা ফেরদৌস বলেন, গত তিন বছরে ১ হাজারের ওপরে কিশোরীর মধ্যে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। তবে এটি শুধু ছাগল পালনের সাধারণ কোনো উদ্যোগ নয়; বরং বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে থাকা ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া কিশোরীদের স্বাবলম্বী করে তোলার একটি আয়বর্ধনমূলক কর্মসূচি।

তিনি বলেন, সংস্থাটি মূলত কৈশোরকালীন শিশুদের নিয়ে কাজ করে, বিশেষ করে ১৫ বছরের বেশি বয়সী সেসব কিশোরীকে নিয়ে, যারা বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে; স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে কিংবা দরিদ্রতার কারণে পিছিয়ে পড়ছে। কিশোরীদের চাহিদা যাচাইয়ের মাধ্যমে তারা কোন ধরনের সহায়তা চায়, তা নির্ধারণ করা হয়। অনেকেই ছাগল পালনের আগ্রহ প্রকাশ করায় তাদের সে অনুযায়ী সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

কনিকা ফেরদৌস আরও বলেন, শুধু ছাগল পালন নয়, কিশোরীদের সেলাই মেশিনসহ বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ২০০ কিশোরীকে নিয়ে গ্রুপ গঠন করা হয়েছে, যেখানে ১ হাজারের বেশি কিশোরী সক্রিয় রয়েছে। সেখান থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও অসচ্ছল পরিবারের কিশোরীদের বাছাই করে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বরিশাল অঞ্চলে এই কর্মসূচি ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলবে। কিছু ক্ষেত্রে ছাগল মারা যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিলেও পুনরায় ছাগল সরবরাহ, টিকাদান ও নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিভাবকদের কাছ থেকেও অঙ্গীকার নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা মেয়েদের ১৮ বছরের আগে বিয়ে না দেন।

আমিনা ও রাবেয়ারা যে লড়াই করছে, সেই লড়াইটা কতটা কঠিন—সেটা বোঝা যায় পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে। জাতিসংঘের তথ্য বলছে, বাংলাদেশে এখন ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই বিয়ে হচ্ছে প্রায় ৪২ শতাংশ মেয়ের। ২০১৮ সালে এই হার ছিল ৩০ শতাংশ। মাত্র সাত বছরে বেড়েছে ১২ শতাংশ। সংখ্যাটা শুনতে ছোট মনে হলেও এর পেছনে লুকিয়ে আছে লাখো মেয়ের স্বপ্নভাঙার গল্প। আরও ভয়ের বিষয় হলো, ১৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই বিয়ে হচ্ছে ৮ শতাংশ মেয়ের—২০১৮ সালে যা ছিল মাত্র ৫ শতাংশ। অর্থাৎ এই হারও বাড়ছে এবং দ্রুতগতিতেই বাড়ছে।

শিক্ষার সঙ্গে এই সংকটের সম্পর্কটা যেন একটা দুষ্টচক্র। যেসব মেয়ের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই, তাদের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বাল্যবিয়ের শিকার। আর একবার বিয়ে হয়ে গেলে পড়াশোনার পথ প্রায় চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। ১৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী বিবাহিত মেয়েদের ৮০ শতাংশই স্কুলের বাইরে থেকে যাচ্ছে। পড়াশোনা নেই, তাই বিয়ে। বিয়ে হলে পড়াশোনা বন্ধ।

বাল্যবিয়ের প্রভাব শুধু বিয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। অল্প বয়সে বিয়ে হওয়া মেয়েদের একটা বড় অংশ অল্প সময়ের মধ্যেই মাতৃত্বের মুখোমুখি হয়, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে। শিক্ষাজীবন থেমে যাওয়ায় ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের সুযোগও সংকুচিত হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাল্যবিয়ে একজন কিশোরীর জন্য একসঙ্গে তিনটি বিপদ ডেকে আনে—মাতৃত্বজনিত জটিলতা, শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়া এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির বলেন, বাল্যবিয়ে শুধু পারিবারিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি একটি কাঠামোগত মানবাধিকার লঙ্ঘন। ফলে কিশোরীদের শিক্ষা ব্যাহত হয়, তারা শারীরিক ও মানসিক ঝুঁকিতে পড়ে এবং অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতার চক্রে আটকে যায়। অল্প বয়সে মাতৃত্বের কারণে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়ে।

তিনি বলেন, দারিদ্র্য, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, যৌন সহিংসতার ভয় এবং ‘সম্মান রক্ষার’ মানসিকতা বাল্যবিয়ে বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। পাশাপাশি শিক্ষার সীমাবদ্ধতা, কর্মসংস্থানের অভাব এবং আইনের দুর্বল প্রয়োগও এই প্রথাকে টিকিয়ে রাখছে।

বাল্যবিয়ে রোধে শুধু আইন নয়, সমন্বিত সামাজিক উদ্যোগ প্রয়োজন উল্লেখ করে আবু আহমেদ ফয়জুল কবির বলেন, আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি মেয়েদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও তরুণদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে, যাতে দীর্ঘমেয়াদে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এসএসএফের ফায়ারিং রেঞ্জে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে বিশ্বকাপে, পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গড়লেন ইতিহাস

মাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন কিশোর

অবশেষে দলের সঙ্গে নেইমারের অনুশীলন

হাম ও উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু

পানির ট্যাংক বসাতে গিয়ে প্রাণ গেল ইলেকট্রিশিয়ানের

‘রাজধানীর কোন রুটে কোন কোম্পানির বাস চলবে, তা নিয়ে কাজ চলছে’

গৃহকর্মী ‘নির্যাতন করা’ পুলিশ দম্পতি কারাগারে 

বিএনপির দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, ১৪৪ ধারা জারি

হাইকোর্টের যে রায়ে ধাক্কা খেলেন মমতা ব্যানার্জী

১০

৩৫ বছরেই চলে গেলেন ডাভেইগ চেজ

১১

চট্টগ্রাম বন্দরে রেকর্ড কন্টেইনার হ্যান্ডলিং

১২

অক্সফোর্ড ইউনিয়নে টমি রবিনসনের বক্তৃতা ঘিরে বিক্ষোভ  

১৩

‘নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়’

১৪

ভারতে বিজেপি নেতাকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা

১৫

ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচের রেফারি নিয়ে বিতর্ক

১৬

আইসিইউতে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার

১৭

আমার গোড়ালি ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেত না : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার

১৮

ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বাবা ও ছেলের মৃত্যু

১৯

মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণ গেল ২ যুবকের

২০
X