শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
হুমায়ূন কবির
প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৭:২০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

দ্বিরাষ্ট্র সমাধানে সমস্যা কোথায়

দ্বিরাষ্ট্র সমাধানে সমস্যা কোথায়

গাজার আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো বোমা ফেলছে ইসরায়েল। বিমান-ড্রোন হামলা হচ্ছে নির্বিচারে। স্থল অভিযানের নামে সব আবাসন, প্রার্থনালয়, বিদ্যালয়, আশ্রয়কেন্দ্র গুঁড়িয়ে এগোচ্ছে দখলদার বাহিনী। উপত্যকার চার সীমান্তে সর্বাত্মক অবরোধ দিয়ে ভেতরে চলছে এমন নারকীয় তাণ্ডব। ফিলিস্তিনিরা মরছে বোমা-গুলি-অনাহারে। অনাহারে ধুঁকে ধুঁকে মরছে শিশুরাও। ওষুধ সংকট আর আগ্রাসনে বন্ধ হচ্ছে গাজার একের পর এক হাসপাতাল—এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট। পরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো, সেবা ও অন্যান্য সুবিধার সব ধ্বংসের লক্ষ্যই হচ্ছে এ উপত্যকাকে জনশূন্য করার নকশা। ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর সশস্ত্র গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে গাজায় নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ ও জাতিগত নিধন শুরু করেছে, তাতে সারা বিশ্বেই ধিক্কার পাচ্ছে এবং এমনকি খোদ ইসরায়েলিরাই অনেকেই চান না আর যুদ্ধ চলুক। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের মিত্র ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা, পর্তুগালের প্রভাবশালী দেশসহ ১০টি রাষ্ট্র ফিলিস্তিনকে স্বাধীন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাদের ভাষ্য—এ সংকটের একমাত্র সমাধান দ্বিরাষ্ট্র নীতি। এরপর বিষয়টি ফের বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছে। আসলে দ্বিরাষ্ট্র নীতি কী, এটি কীভাবে এলো, সমস্যা কোথায়—এসব নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন হুমায়ূন কবির

গাজায় তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধ ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাতে দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের আলোচনাকে নতুন করে সামনে এনেছে। দ্বি-রাষ্ট্রকেই শান্তির উপায় হিসেবে দেখছে অনেকে। যদিও শান্তির পথ এমনকি সমঝোতার প্রক্রিয়াও বছরের পর বছর ধরে রুদ্ধ হয়ে আছে। এরপরও দ্বিরাষ্ট্র নীতি সমর্থন করে গত সপ্তাহে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে দিয়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, পতুর্গাল, ফ্রান্স, বেলজিয়ামসহ ১০টি দেশ।

জাতিসংঘের ৮০ সাধারণ অধিবেশনে এমন ঘোষণার কথা আগেই জানিয়েছিল ফ্রান্স। মূলত এরপর অন্য দেশগুলো বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল উভয় রাষ্ট্রের একটি শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছে কানাডা।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বলেন, দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান ও শান্তির আশা পুনরুজ্জীবিত করতে আমি এই মহান দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্পষ্টত ঘোষণা করছি যে, যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেন, আমাদের একমাত্র দাবি দ্বিরাষ্ট্র সমাধান।

তবে এই ঘোষণাকে হামাসের জন্য পুরস্কার আখ্যা তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি মানে হামাসের পুরস্কার।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, কোনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হবে না, এই জায়গা ইসরায়েলের।

নেতানিয়াহু বলছেন, জর্ডান উপকূলে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেবেন না। তার এ অবস্থানই মূলত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা দীর্ঘকাল ধরেই দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পথকে বাধাগ্রস্ত করেছে। এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যে রয়েছে জেরুজালেম নিয়ে উভয় পক্ষের অনড় অবস্থান এবং দীর্ঘদিন ধরে চালানো সহিংসতা ও গভীর অবিশ্বাস।

দ্বিরাষ্ট্র সমাধান

ফিলিস্তিন একসময় ছিল ব্রিটিশ উপনিবেশ। সেসময় আরবদের সঙ্গে অন্য এলাকা থেকে আসা ইহুদিদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ইউরোপ থেকে পালিয়ে আসা ইহুদিরা জেরুজালেমের সঙ্গে বাইবেলের যোগসূত্র ধরে সেখানে তাদের বসতি গড়ার পথ খুঁজছিল।

জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে দুই জাতির দ্বন্দ্বে ১৯৪৭ সালে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ফিলিস্তিনকে ভাগ করে আরব ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সম্মত হয়েছিল জাতিসংঘ। ইহুদি নেতারা সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করেন, যা তাদের ৫৬ শতাংশ ভূমির অধিকার দেয়; কিন্তু আরব লীগ এই পরিকল্পনাকে প্রত্যাখ্যান করে।

১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়। এক দিন পর পাঁচ আরব রাষ্ট্র আক্রমণ করে বসে ইসরায়েলে। সেই যুদ্ধে ৭৭ শতাংশ এলাকা দখল করে ইসরায়েল। এরপর ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েল পশ্চিম তীরসহ পূর্ব জেরুজালেম জর্ডানের কাছ থেকে দখল করে নেয় এবং মিশরের কাছ থেকে দখল করে নেয় গাজা। ভূমধ্যসাগর থেকে জর্ডান উপত্যকা পর্যন্ত সব অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ সুরক্ষিত করে। ফলে ফিলিস্তিনিরা রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ে।

আর কী পদক্ষেপ ছিল: যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত শান্তি প্রক্রিয়ার ভিত্তি ছিল দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান। ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তি অনুযায়ী এ সমাধানের কথা বলা হয়। প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন এ চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েলের অস্ত্বিত্বকে স্বীকৃতি দেয় পিএলও। সেইসঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) গঠনও হয়; যাদের পশ্চিম তীর ও গাজা ভূখণ্ডে সীমিত স্বায়ত্তশাসন রয়েছে।

ফিলিস্তিনিদের প্রত্যাশা ছিল, এটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার একটি পদক্ষেপ হবে, যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া থেকে উভয়পক্ষ প্রত্যাহার করে নেওয়ায় সহিংসতা বেড়ে যায়। হামাস ওই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে আত্মঘাতী হামলা চালায়। এরপর ২০০০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাককে ক্যাম্প ডেভিডে একটি চুক্তি জন্য ডাকেন। কিন্তু সেই প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়।

জেরুজালেমকে ইসরায়েল রাজধানী করায় প্রধান প্রতিবন্ধকতা ছিল। ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সীমানা বন্টন নিয়ে সমস্যা ছিল। এরপর দ্বিতীয় ইন্তিফাদার শুরু হলে সংঘাত বেড়ে যায়। মার্কিন প্রশাসন ফের শান্তি প্রতিষ্ঠা পদক্ষেপ নিলেও তাতে কোনো লাভ হয়নি।

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ধারণা

দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের কথা যারা বলছেন, তাদের ভাবনা অনুযায়ী ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হবে গাজা ও পশ্চিম তীর নিয়ে। ইসরায়েলের সঙ্গে একটি করিডোরের মাধ্যমে সংযোগ হবে। দুই দশক আগে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের নেতাদের আলোচনায় এ ব্যাপারে বিশদ বিবরণ এসেছিল।

আলোচনায় নতুন পথ খোলে ‘জেনেভা অ্যাকর্ড’। সেখানে বলা হয়, জেরুজালেমের ইহুদি বসতি এলাকা হবে ইসরায়েলের রাজধানী। অপরদিকে জেরুজালেমের ফিলিস্তিনি বসতি এলাকা হবে ফিলিস্তিনের রাজধানী। ইসরায়েল বড় বসতি এলাকাগুলো সংযুক্ত করবে এবং বিনিময়ে অন্য জমি ছেড়ে দেবে। ওই এলাকার বাইরে ফিলিস্তিনের সার্বভৌম ভূখণ্ডে ইহুদিদের পুনর্বাসন করবে। সেইসঙ্গে ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি একটি বহুজাতিক বাহিনী ফিলিস্তিনের সঙ্গে জর্ডান ও মিশরের সীমান্ত ক্রসিং এবং বিমান ও সমুদ্র বন্দরগুলো পর্যবেক্ষণ করবে।

সমস্যা কত বড়: সময় যত গড়াচ্ছে, সমস্যাও তত বাড়ছে। ২০০৫ সালে গাজা থেকে ইহুদি বসতি ও সেনাদের সরিয়ে নিলে ইহুদিরা অন্যান্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ফিলিস্তিনিরা তখন জানায়, এটি কার্যকর রাষ্ট্রের সম্ভাবনাকে ক্ষুণ্ন করে। ইসরায়েলের সংগঠন ‘পিস নাউ’ সেপ্টেম্বরে জানায়, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ১৯৯৩ সালে জনসংখ্যা ছিল আড়াই লাখ। তিন দশক পরে তা বেড়ে হয় প্রায় ৭ লাখ। দ্বিতীয় ইন্তিফাদার সময় আরও পুনর্গঠন করে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনিরা একে ভূমি দখল বলে অভিহিত করে।

অসলো চুক্তি অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে পশ্চিম তীর এলাকা, যার ৬০ শতাংশ ভূখণ্ডই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। জর্ডান সীমান্ত এলাকাও রয়েছে সেখানে। পশ্চিম তীরে ‘এরিয়া সি’ এলাকায় ইসরায়েলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

‘এরিয়া এ’-তে রয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের বেসামরিক বিষয় এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়াদি। ফিলিস্তিনের প্রধান শহরগুলো সেখানে। এ ছাড়া ‘এরিয়া বি- নামে আরেকটি ভাগ রয়েছে, যেখানে বেসামরিক বিষয়গুলো পরিচালনা করা হয় এবং সেখানে নিরাপত্তার বিষয়টি দেখে থাকে ইসরায়েল। যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের এলাকা রামাল্লাসহ নগরগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনী অভিযান চালিয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, জটিলতা আরও বাড়িয়েছে উভয়পক্ষের রাজনীতি। ইসরায়েলের ইতিহাসে নেতানিয়াহুর সরকার সবচেয়ে ডানপন্থি, ধর্মীয় জাতীয়তাবাদী। অপরদিকে হামাস ২০০৬ সালের নির্বাচনে জিতে এক বছর পর গাজা থেকে আব্বাসের অনুগত বাহিনীকে বের করে দেয়। এতে বিভক্ত হয়ে পড়ে ফিলিস্তিনিরা।

হামাসের ১৯৮৮ সালের চার্টারে ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেই সনদে।

হামাস নেতারা ১৯৬৭ সালে বেদখল হওয়া ভূখণ্ড ফিরিয়ে নিয়ে সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের বিনিময়ে ইসরায়েলকে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে মাঝে মধ্যে। তবে ইসরায়েল এটিকে কেবল একটি কৌশল বলেই মনে করে।

উপায় কী: গত বছরের ৭ অক্টোবরের আক্রমণের পর থেকে হামাসকে পুরোপুরি নির্মূলের লক্ষ্যে গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। নেতানিয়াহু বলছেন, গাজাকে অবশ্যই নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে এবং ইসরায়েলের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

আবার এও বলেছেন, তিনি চান না ইসরায়েল গাজা শাসন করুক বা সেখানে বসতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করুক।

এমন অবস্থায় গাজায় লড়াইয়ে টিকে থাকার কথা জানিয়ে হামাস বলেছে, তাদের বাদ দিয়ে গাজার জন্য বিকল্প কোনো ব্যবস্থার কল্পনা হবে অলীক। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি বলছে, ঐক্যমতের সরকার গঠনের জন্য আব্বাস-ফাত্তাহর উপগোষ্ঠী বা দলের সঙ্গে আলোচনার জন্য তারা প্রস্তুত।

এখন জাতিসংঘ, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া দ্বিরাষ্ট্রে সমাধান চায়। পাঁচ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের মধ্যে কেবল যুক্তরাষ্ট্রই এ নীতি বাস্তবায়নের পক্ষে না। যে কারণে বাস্তবিকপক্ষে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের বাস্তবায়ন কঠিন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুন

উপজেলা স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে সরকার

বিএনপি আবারও আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়েছে : নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী

পুলিশের উপস্থিতিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল

রাত ১টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

আল্লাহর রহমতে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি: নৌ প্রতিমন্ত্রী

কৌশলগত অংশীদারত্ব-বাণিজ্য সম্প্রসারণে সম্মত বাংলাদেশ-তুরস্ক

দুধে মজাদার স্বাদ: ঘরোয়া ও ঐতিহ্যবাহী কিছু জনপ্রিয় খাবার

বিশ্বকাপের আগে বর্ষসেরার পুরস্কার জিতলেন ইয়ামাল

নির্বাচনের পরও ভারত দ্বিচারী ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে: সাইফুল হক

১০

জেলেনস্কির বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন পুতিন

১১

সান মারিনো ম্যাচের একাদশে নেই শমিত

১২

ইউএনওর অভিযানে হামলার ঘটনায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

১৩

অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : জয়সওয়াল

১৪

ভারতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার ক্লার্ক

১৫

আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুখবর, দলে যোগ দিলেন মেসি

১৬

দুই হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা করলেন মোজতবা খামেনি

১৭

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ‘গোপন অস্ত্র’ হতে পারেন থিয়াগো

১৮

আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল মিলেমিশে একাকার

১৯

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে ভূখণ্ড ব্যবহারের অভিযোগ, জবাব দিল আজারবাইজান

২০
X