

সোমবার বিকেলে হামজা চৌধুরী ঢাকা এসেছেন, গতকাল দলের সঙ্গে অনুশীলনও করলেন এ মিডফিল্ডার। কানাডা প্রবাসী সামিত সোমের ঢাকা আসার কথা ছিল গত রাতে। সবকিছু ঠিকভাবে চললে নেপালের বিপক্ষে ফিফা প্রীতি ম্যাচের আগে দলের সঙ্গে এক সেশন অনুশীলন করতে পারবেন এ মিডফিল্ডার। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের পরিকল্পনা মাথায় রেখে নেপাল দ্বৈরথে নামছে লাল-সবুজরা। তাই প্রীতি ম্যাচে দুই ফুটবলারকেই পরখ করতে পারেন হাভিয়ের ক্যাবরেরা। সে ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন বাংলাদেশ কোচ।
গতকাল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের স্প্যানিশ কোচ বলছিলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি পরিকল্পনা অনুযায়ী ভালোভাবেই এগোচ্ছে। আমরা পুরো দল নিয়ে কয়েক দফা আলোচনা করেছি। মাঠে আসার আগেও আমরা একবার আলোচনা করেছি। আমরা শুধু বৃহস্পতিবারের ম্যাচ নিয়ে ভাবছি না। আমরা মূলত কাজ করছি ভারতের ম্যাচটি সামনে রেখে।’
আগামীকাল ফিফা প্রীতি ম্যাচে নেপালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে এ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ‘সি’ গ্রুপের শেষ হোম ম্যাচের ড্রেস রিহার্সেল হিসেবে দেখা হচ্ছে এ ম্যাচকে। ১৮ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে সে ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজরা। ২৫ মার্চ শিলংয়ে গোলশূন্য ড্র করার পর এটি হতে যাচ্ছে দুই প্রতিবেশী দেশের প্রথম সাক্ষাৎ।
ম্যাচের আগে বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের ক্যাবরেরা বলছিলেন, ‘আজও গুরুত্বপূর্ণ একটি সেশন হলো। যেখানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। সামিত বুধবার দলে যোগ দেবেন। রাতে তিনি আসছেন।’ এ কোচ যোগ করেন, ‘সামিত আসার পর তার অবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ, আমরা তাদের যত্ন নিচ্ছি, যাতে ভারত ম্যাচে সেরা অবস্থায় থাকতে পারেন। তবে আশা করছি, দুজনই নেপালের বিপক্ষে খেলতে পারবেন।’
বাছাইয়ে বাংলাদেশ ও ভারত—দুই দেশের সম্ভাবনার প্রদীপ নিভে গেছে। তারপরও এ ম্যাচ নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই। অনলাইনে টিকিট বিক্রির পর দ্রুতই তা ফুরিয়ে গেছে। দুই দেশের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেলেও ম্যাচে মর্যাদার প্রশ্ন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তা ছাড়া দুই দেশের সর্বশেষ চার ম্যাচের তিনটি ড্র হয়েছে, এক ম্যাচ জিতেছে ভারত। ভারতের বিপক্ষে জয়ের স্বাদ ভুলতে বসেছে বাংলাদেশ! ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালের পর বাংলাদেশের বিপক্ষে অপরাজিত ভারত। ঢাকায় কি ঘুচবে প্রায় দুই যুগের খরা!