

ব্যবসায়ী সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে আমার চাওয়া তারেক রহমানের যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি হবে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার নানারকম কালো আইন, অবৈধ ব্যাংকিং পলিসি, অপ্রয়োজনীয় ট্যাক্স আরোপ করার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত এবং অসহযোগিতা করায় ব্যবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারণে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। পক্ষান্তরে, কিছু তথাকথিত ব্যবসায়ীর অবাস্তব ও অবৈধভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়, যা তারা বিদেশে পাচার করে দেন। এতে দেশের ব্যাংকিং খাত ধসে পড়ার পাশাপাশি শিল্পের সম্প্রসারণ না হওয়ায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি। তরুণ প্রজন্মের বড় অংশের বেকারত্ব সৃষ্টি হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখন কোটি তরুণের আইকন। তার আগমনে বিএনপিসহ দেশবাসীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আমিও উচ্ছ্বসিত। আমি প্রত্যাশা করছি, তারেক রহমান দেশে আসার পর দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সার্বিক পরিস্থিতির ব্যাপক পরিবর্তন হবে। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। জাতি পাবে দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্তমূলক নির্বাচন এবং এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।
ব্যবসায়ী হিসেবে আমার প্রত্যাশা, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন হলে তিনি সব কালো, অবৈধ ও ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষতিকর আইন বা বিধি বাতিল করে ব্যবসা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও প্রকৃত ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করবেন।
লেখক: পরিচালক, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি; চেয়ারম্যান, এস এ ফ্যামিলি।