ড. মোহা. হাছানাত আলী
প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:২০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

গণতান্ত্রিক উত্তরণে ৭ নভেম্বর

গণতান্ত্রিক উত্তরণে ৭ নভেম্বর

৭ নভেম্বর ১৯৭৫ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অগ্নিঝরা দিন। যার অভিঘাত আজও কাঁপিয়ে দেয় রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং রাজনৈতিক চরিত্র। এ দিনটি শুধু একটি সেনা অভ্যুত্থান বা রাজনৈতিক সংঘাতের সীমাবদ্ধতা নয়, এটি ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের এক বিরাট অধ্যায়ের সূচনা। একদিকে বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনতার কাছে এটি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে স্মরণীয়, অন্যদিকে ৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি এই ঐতিহাসিক দিনটিকে নানাভাবে কলঙ্কিত করতে চায়। তারা কখনো মেনে নিতে পারে না যে মুক্তিযোদ্ধা, সৈনিক আর জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাস্তায় নেমে আসার মধ্য দিয়ে দেশের গণতন্ত্র উদ্ধারের পথ সুগম করবে। তারা মেনে নিতে পারে না দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে উত্তরণের এ মহান দিনটিকে।

বাংলাদেশবিরোধী অপশক্তি, ৭ নভেম্বরের পরাজিতরা তাই দিনটিকে নানাভাবে পরিচয় করায়। তারা ইতিহাসের পাতায় সত্য না পেয়ে উপন্যাসকে ইতিহাস বলে চালিয়ে দিতে চায়। তারা এই মহান গৌরবের দিনটিকে সেনা-জনতার অভ্যুত্থানের প্রতীক বলে পরিচয় করায়। আবার অন্যদিকে এটি সামরিক রাজনীতির পুনরুত্থানের দিন হিসেবেও তুলে ধরে কেউ কেউ। তবে যখন ইতিহাসকে নিরপেক্ষভাবে বিচার করা হয়, তখন দেখা যায়—৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন প্রক্রিয়ার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, যেখানে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু স্থানান্তরিত হয় এবং রাজনীতি নতুন এক গতিপথে প্রবাহিত হতে শুরু করে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর, যেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্ন পূর্ণতা পায়, সেখান থেকে দেশের অর্থনীতি, প্রশাসনিক কাঠামো এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি দুর্বল হয়ে পড়েছিল। অর্থনৈতিক সংকট, যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব দেশের প্রতিটি স্তরে হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ১৯৭২ সালে গৃহীত সংবিধান, যেখানে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং জাতীয়তাবাদকে মূল স্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রীকরণের শিকার হয়ে পড়ে। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা ‘বাকশাল’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রের চেতনায় স্থিতিশীলতা অস্বীকার করা হয়, যার ফলে রাজনৈতিক ক্ষমতার অগ্রগতির পথে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

৭ নভেম্বরের দিনটির তাৎপর্য এই কারণে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, কারণ এটি ছিল সেই সময়ের গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্রের চেতনার পুনরুদ্ধারের একটি মাইলফলক। ১৯৭৫ সালের আগস্টে শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্য হত্যার পর, খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনীর সহায়তায় একটি নতুন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে, এ অবস্থান দ্রুতই পরিবর্তিত হতে থাকে, যখন সেনাবাহিনীর মধ্যে অসন্তোষ তীব্র হতে থাকে এবং ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানে খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে এক নতুন পরিবর্তনের সূচনা হয়। যতই পরিস্থিতি অবনতির দিকে চলে যায়, ততই ৭ নভেম্বরের বিদ্রোহের আগুন জ্বলে ওঠে। এই দিনে সেনাবাহিনীর দেশপ্রেমিক সৈনিকরা বিদ্রোহ করে, তাদের অধিকার এবং সম্মান প্রতিষ্ঠার দাবিতে। তখন এক নতুন আন্দোলন শুরু হয়, যা সিপাহি-জনতার মিলিত দ্রোহে পরিণত হয়। অবশেষে, ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের পক্ষের হঠকারী সৈন্যদল পরাজিত হয়। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়ে সিপাহি-জনতার ভালোবাসায় সিক্ত হন। এরপর সামরিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে তার সফলতা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তারপর তিনি নিযুক্ত হন সামরিক প্রশাসক। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা কুক্ষিগত করেননি। তিনি দেশ শাসনের ভার তুলে দিয়েছিলেন জনগণের হাতে। তিনি তাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে প্রথম আগ্রহী হয়েছিলেন যাদের সমর্থনে তিনি কার্যত শীর্ষ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।

৭ নভেম্বরের এ আন্দোলন, যা অনেকেই ‘বিপ্লব’, ‘বিদ্রোহ’ বা ‘গণঅভ্যুত্থান’ হিসেবে চিহ্নিত করেন, তার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ছিল—প্রথমত সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষোভ, যা সৈনিকদের মধ্যে বৃদ্ধি পায়; দ্বিতীয়ত রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা, যেখানে জাসদের প্রভাব সৈনিকদের মধ্যে প্রবল হয়ে ওঠে এবং তৃতীয়ত সাধারণ জনগণের সমর্থন, যারা সেনা শাসন ও বিভাজনে হতাশ হয়ে উঠেছিল। এসব উপাদান মিলিত হয়ে ৭ নভেম্বরকে শুধু একটি সেনা অভ্যুত্থান হিসেবে চিহ্নিত না করে, বরং এটি হয়ে ওঠে সমাজ ও রাজনীতির বিরাট প্রতিবাদের প্রতীক।

৭ নভেম্বর, বাংলাদেশে একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা, যেখানে সামরিক শাসনের বদলে গণতান্ত্রিক ধারার দিকে ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে শুরু করে দেশ। একদিকে এটি ছিল সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থান, অন্যদিকে এটি ছিল জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সেনা-জনতার এক বিশাল বিদ্রোহ, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ঘটে।

এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে রাজনীতে জিয়াউর রহমানের উত্থান ও রাজনৈতিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়। ৭ নভেম্বরের ফলেই জিয়াউর রহমান দেশের কার্যত ক্ষমতাধারী হয়ে ওঠেন। তিনি প্রথমে সামরিক আইন প্রশাসক এবং পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি হন। শহীদ জিয়ার শাসনামলে রাষ্ট্রীয় রাজনীতিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যায়—বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন; সংবাদপত্র ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে আংশিক স্বাধীনতা প্রদান; গ্রামীণ উন্নয়ন ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ; সেনাবাহিনীতে পেশাদারিত্ব জোরদার; জাতীয়তাবাদের নতুন সংজ্ঞা: ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’।

এসব পদক্ষেপ একদিকে গণতন্ত্রের পুনরুত্থানের ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে সামরিক পটভূমি থেকে রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠা ঘটায়। ফলে ৭ নভেম্বর হয়ে ওঠে বাংলাদেশের রাজনীতির একটি মোড় পরিবর্তনের দিন। রাজনীতিতে দিনটির বহুমাত্রিক দিক রয়েছে।

৭ নভেম্বর ১৯৭৫ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য দিন, যার বহুমুখী তাৎপর্য ও গভীরতা আজও আমাদের রাজনৈতিক চেতনায় প্রতিধ্বনিত হয়। এটি ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যদিও সেই উত্তরণ ছিল সরল ও একক নয়। গণতান্ত্রিক উত্তরণ মানে কেবল ভোটের অধিকার বা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শাসকের পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি সমাজের রাজনৈতিক চেতনার পূর্ণ বিকাশের প্রতিফলন। ৭ নভেম্বর ছিল সেই বিকাশের প্রথম সংকেত, যেখানে সাধারণ মানুষ ও সেনাবাহিনীর অংশ একত্রে রাষ্ট্রীয় ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। এটি গণতন্ত্রের মানসিক ও রাজনৈতিক এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ইতিহাসে স্থায়ী হয়ে থাকে। ৭ নভেম্বরের পটভূমি ছিল এক কঠিন রাজনৈতিক সংকট। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার পর, দেশের পরিস্থিতি ছিল বিপর্যস্ত—অর্থনীতি ভেঙে পড়েছিল, প্রশাসনিক অচলাবস্থা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশকে বিপথগামী করছিল। ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণীত হলেও, শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ বাড়তে থাকে এবং একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা গণতন্ত্রের প্রসারের চেয়ে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি করে। এমন একটি সময়েই ৭ নভেম্বরের ঘটনাটি ঘটেছিল, যেখানে সেনাবাহিনীর নিম্নপদস্থ সৈনিক ও সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে ক্ষমতার পুনরায় শুরুর ডাক দেয়।

৭ নভেম্বরের আন্দোলনকে আমরা একদিকে ‘বিপ্লব’ হিসেবে দেখতে পারি, যেখানে সাধারণ মানুষ ও সৈনিকরা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য সংগ্রাম শুরু করে। তারা স্লোগান দেয়—‘খালেদ মোশাররফ গদিচ্যুত হোক’, ‘জিয়ার মুক্তি দাও’, ‘সৈনিকের অধিকার চাই’। এ আন্দোলন শুধু একটি সেনা অভ্যুত্থান ছিল না, এটি ছিল সামরিক শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের এক শক্তিশালী প্রতিবাদ। এর মাধ্যমে জেনারেল জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত হন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন।

তবে, ৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পূর্ণ বিকাশ ঘটতে বারবার বাধা সৃষ্টি করেছে। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে সামরিক প্রভাব দূর করে গণতান্ত্রিক বিকাশ ঘটাতে আন্তরিক চেষ্টা করলেও এ অপশক্তি নানারূপে গ্রাস করেছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। তারা গণতন্ত্রকে বারবার চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিল। তাই ১৯৭৬-৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে বহুদলীয় রাজনীতি প্রবর্তিত হলেও, গণতন্ত্রের পূর্ণতা তখনো অর্জিত হয়নি। এর জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে আপসহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ অবধি। তবে, ৭ নভেম্বরের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন সূচনা। এটি একদিকে ছিল সেনা শাসনের পতন, অন্যদিকে ছিল গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণের এক পদক্ষেপ। সৈনিক-জনতার ঐক্য গণচেতনার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হয়ে ওঠে, যা দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা এবং অংশগ্রহণের মনোভাব তৈরি করে। এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, গণতন্ত্র কেবল শাসকের বিষয় নয়, এটি নাগরিকদের অধিকারও। ৭ নভেম্বর জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া রাষ্ট্রের স্থিতি ও উন্নয়ন অসম্ভব এবং এই দিকটি আজকের বাংলাদেশেও প্রাসঙ্গিক।

৭ নভেম্বরের বার্তা আজকের প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। আজকের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংলাপ, সহনশীলতা ও গণঅংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্র টেকসই হতে পারে না। রাষ্ট্রের শক্তি জনগণের মধ্যে, তাদের অংশগ্রহণ এবং সক্রিয় দায়িত্ববোধের মধ্যে নিহিত। ৭ নভেম্বর আমাদের শেখায় যে, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্রের পথ কখনো সরল হতে পারে না। এটি সংগ্রাম, সংস্কার এবং সমাজের চেতনার ফল এবং সেই চেতনার প্রথম শক্তিশালী ধাক্কা ছিল ৭ নভেম্বর। তাই আধুনিক, সাংবিধানিক এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে, রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যে সিপাহি-জনতার ঐক্য, সংহতি এবং দায়বদ্ধতা ফিরিয়ে আনতে হবে।

৭ নভেম্বর ছিল দেশে গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতীক—এটি জাতিকে মুক্তি ও অংশগ্রহণের বার্তা দেয়। এই দিনটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ইতিহাসে একটি অমূল্য অধ্যায়, যা আমাদের ভবিষ্যতের রাজনৈতিক চেতনায় দীপ্তিময় হয়ে থাকবে। ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক মাইলফলক। এটি একদিকে সামরিক রাজনীতির সূচনা, অন্যদিকে গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণের বীজ বপন। এই দ্বৈততাই এর মূল তাৎপর্য। গণতন্ত্রের পথ কখনো সরল নয়—এটি সংগ্রাম, সংস্কার ও সমাজের চেতনার ফল। ৭ নভেম্বর সেই চেতনার প্রথম শক্তিশালী ধাক্কা, যা পরবর্তীকালে রাজনৈতিক বিকাশের ভিত তৈরি করে দেয়। আজকের প্রজন্মের কাছে এই দিন শুধু অতীত নয়, ভবিষ্যতের শিক্ষা। কারণ, গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যে সেই সিপাহি-জনতার ঐক্য, সংহতি ও দায়বদ্ধতা ফিরিয়ে আনতে হবে—তবে আধুনিক, সাংবিধানিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে।

লেখক: উপাচার্য, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান : যুক্তরাষ্ট্র

আ.লীগের চুরি ও পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চাপ : তথ্যমন্ত্রী

মাছবাহী পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২

ঢাকার সড়কে যাত্রীবাহী বাস উল্টে প্রাণ গেল হেলপারের

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আরও কোটি মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে : জাতিসংঘ

যাত্রীবাহী বাসের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দাম বাড়বে না : তথ্য উপদেষ্টা

সুপ্রিম কোর্ট ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বিভিন্ন শাখা শনিবার খোলা 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট

তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক

১০

শান্তিরক্ষায় আত্মত্যাগের স্বীকৃতি, জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি

১১

১০ লাখ টাকায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ আপসের দাবি

১২

শূন্য রেখায় থাকা সেই ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

১৩

প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা : নবম পে-স্কেল নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

১৪

দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত

১৫

ইরানের রাডার স্থাপনায় মার্কিন হামলা

১৬

সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ

১৭

মধ্যরাতে শাকিব-বুবলীকে নিয়ে মিষ্টি জান্নাতের রহস্যময় পোস্ট

১৮

পরিস্থিতি সামলাতে আমি খুব দ্রুত এগোচ্ছি : ট্রাম্প

১৯

স্বামীর সঙ্গে অভিমানের জেরে অন্তঃসত্ত্বা কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা

২০
X