

ছোট পর্দার পরিচিত মুখ তাসনুভা তিশা। নিয়মিত কাজ করে দর্শকদের মুগ্ধ করছেন তিনি। বিশেষ করে অভিনেতা আরশ খানের সঙ্গে তার জুটি নাট্যপ্রেমীদের কাছে আলাদা এক আবেদন তৈরি করেছিল। তবে বেশ কয়েক মাস হলো এই জুটিকে একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাচ্ছে না। কেন? জানতে চাইলে হাসি চাপা কণ্ঠে তিশা শুধু বললেন, ‘যদি ভালো গল্প পাই, আর আমাদের সময় মেলে তাহলে অবশ্যই আমরা কাজ করব।’
বর্তমান সময়ে যখন ভিউ আর ট্রেন্ডই হয়ে উঠেছে সাফল্যের মাপকাঠি, সেখানে তিশার ভাবনা কিছুটা ভিন্ন। তিনি বললেন, ‘নাটকের ভিউ নিয়ে আমি খুব একটা চিন্তা করি না। আগেও করিনি, এখনো করি না। কোনো নাটক যদি ভিউ পায়, খুশি হই; না পেলেও মন খারাপ হয় না। আসলে অভিনয়ের সময় যদি আরাম লাগে, চরিত্রে যদি ডুবে যেতে পারি—সেটাতেই আমি সুখী।’ অভিনয়জীবনে তিশার অভিনীত নাটকের তালিকা ছোট নয় ‘তরী আমার হঠাৎ ডুবে যায়’, ‘প্রিয় বনলতা’, ‘ভালো আছি ভালো নেই’, ‘শেষ মুহূর্ত’, ‘ভালোবেসে পাগল’, ‘আমাদের বন্ধুত্ব’—প্রতিটি কাজই দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে ‘ভালো আছি ভালো নেই’ নাটকটিকে ঘিরে তার আবেগ ভিন্নরকম। কারণ, প্রথমবার যখন গল্পটি তার হাতে আসে, তখন তিনি মা হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। শারীরিক কারণে কাজটি করতে পারেননি। এবার নতুন করে নাটকটি শেষ করতে পেরে তিনি যেমন স্বস্তি পেয়েছেন, তেমনি দর্শকও দিয়েছেন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া।
গল্পের প্রশংসা করতে গিয়ে নির্মাতা সারোয়ার হোসাইনের নাম নিতে ভোলেননি তিশা। বললেন, ‘নির্মাতা মায়া দিয়ে কাজটি বানিয়েছেন। নিখুঁত করার চেষ্টা করেছেন।’ সহ-অভিনেতা সুদীপ বিশ্বাস দীপকেও পেলেন তিনি সমানভাবে প্রশংসাযোগ্য। ‘দীপ দারুণ কাজ করেছে। তার অভিনয় দেখে এবং তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি আনন্দ পেয়েছি।’
তাসনুভা তিশা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ভালো গল্প আর চরিত্রই তার সবচেয়ে বড় চাওয়া। দর্শকের জন্য ট্রেন্ডি কাজ করলেও, শিল্পীসত্তার তৃপ্তি মেলে কেবল গল্পনির্ভর কাজেই। তাই তিনি ভক্তদের অপেক্ষায় রাখছেন আরেকটি নতুন ভালো গল্পের।