

বর্ষার রূপে ভরা শ্রাবণ মাসকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে উদযাপন করতে ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’ শীর্ষক এক মনোমুগ্ধকর সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (আইজিসিসি)।
শনিবার সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত ও রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশিত হয়। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে অনুষ্ঠিত সংগীত সন্ধ্যায় ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীসহ হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্পী অনিল কুমার সাহা এবং অলোক কুমার সেন। এরপর রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ড. চঞ্চল খান। অনিল কুমার সাহা বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ও সংগীত গুরু, যিনি হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সুপরিচিত। শাস্ত্রীয় সংগীতে তালিমপ্রাপ্ত এই শিল্পী দেশে ও বিদেশে ব্যাপকভাবে সংগীত পরিবেশন করেছেন এবং গজল, রবীন্দ্রসংগীত ও আধুনিক বাংলা গানের হৃদয়স্পর্শী পরিবেশনার জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
ড. চঞ্চল খান বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের হৃদয়স্পর্শী পরিবেশনার জন্য তিনি ব্যাপকভাবে সমাদৃত এবং দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেছেন। তিনি বর্ষা-কেন্দ্রিক বাংলা ও হিন্দি গানের এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপহার দেন। অনুষ্ঠানটি এক অনন্য সংগীত-অভিজ্ঞতা তুলে ধরে, যা বর্ষাকালের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের জনগণকে সংযুক্তকারী যৌথ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেও উদযাপন করে।
আইজিসিসি জানায়, সাংস্কৃতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে শিল্প-সংস্কৃতির মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।