

টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতাল, অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির (লাইসেন্সি: জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড) সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক কন্টিনিউয়িং মেডিকেল এডুকেশন (সিএমই) প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে।
বিশেষায়িত অস্ত্রোপচার ও ক্যান্সার বিষয়ক শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে জ্ঞান বিনিময়ে অংশ নিতে প্রায় ১০০ জন বাংলাদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থী, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট রেসিডেন্ট ও কনসালট্যান্ট এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
রোববার (২৮ জুন) দুপুরে অ্যাপোলো ক্লিনিক, ধানমন্ডির প্রাঙ্গণে এটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুটি বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত হয়- ‘নিউ ইনোভেশনস অ্যান্ড বিয়ন্ড ইন থোরাসিক সার্জারি’ এবং ‘প্রিসিশন রেডিয়েশন অনকোলজি ইন ২০২৬: এক্সপ্যান্ডিং দ্য রোল অব এসবিআরটি, এসআরএস অ্যান্ড প্রোটন থেরাপি অ্যাক্রস অর্গান সাইটস’।
বক্তব্য উপস্থাপন করেন, টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ ডা. খাদের হুসেইন (কার্ডিয়াক সায়েন্সেস ও রোবোটিক সার্জন) এবং ডা. শামসুদ্দীন সি. (রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট)। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির সিইও ডা. তামজিদ আলম।
অনুষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা, যার মধ্যে ছিলেন জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ.এইচ.এম. শামসুল আলম; রেডিওথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি ও প্যালিয়েটিভ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. এহতেশামুল হক এবং রেডিওথেরাপি ও অনকোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আরিফুর রহমান।
এই সিএমই প্রোগ্রাম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতাল ব্র্যান্ড জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড এবং বিখ্যাত দক্ষিণ এশিয়ান স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলো হাসপাতালের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। একাধিক দেশে ৭৬টিরও বেশি হাসপাতাল এবং ৭০০টিরও বেশি ক্লিনিক পরিচালনাকারী অ্যাপোলো হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশি রোগীদের বিদেশে না গিয়েও নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে মেডিকেল ট্যুরিজম আকৃষ্ট করা। অনুষ্ঠানে অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো তুলে করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে ১৩,০০০-এরও বেশি বহির্বিভাগ (ওপিডি) রোগী, ১,২০০টি অন্তঃবিভাগ (আইপিডি) এবং ৭৫০টিরও বেশি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা এবং সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশনের হার এক শতাংশেরও কম।