শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬, ০১:৫৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

অনাথ শিশুদের দায়িত্ব নিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করলেন নোরা ফাতেহি

নোরা ফাতেহি । ছবি : সংগৃহীত
নোরা ফাতেহি । ছবি : সংগৃহীত

অবশেষে বলিউড সেনসেশন নোরা ফাতেহির বিরুদ্ধে চলা বিতর্কের অবসান হলো এক ঘোষণায়। ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ ছবির বিতর্কিত গান ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ নিয়ে ভারত জুড়ে চলা সমালোচনার ঝড়ে এবার চূড়ান্ত ইতি টানলেন এই অভিনেত্রী। আইনি জটিলতা আর জনরোষের মুখে নতিস্বীকার করে নয়, বরং হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে এক নজিরবিহীন প্রায়শ্চিত্তের পথ বেছে নিলেন তিনি। পর্দার গ্ল্যামার সরিয়ে রেখে এক লহমায় বাস্তবের হিরোইন হয়ে উঠলেন নোরা। বিতর্কের কালি মুছতে একঝাঁক অনাথ শিশুর পড়াশোনার দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে বলিউডকে স্তব্ধ করে দিলেন এই আবেদনময়ী সুন্দরী।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনের সামনে হাজিরা দেন নোরা ফাতেহি। সেখানে গানটি নিয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। সমাজমাধ্যমে আগে থেকেই ট্রোলিং ও সমালোচনার মুখে পড়ে ভেঙে পড়েছিলেন নোরা। এদিন কমিশনের সামনে তিনি বলেন, ‘কাউকে আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না।

শিল্পী হিসেবে কাজের দায়বদ্ধতা এড়িয়ে যাওয়া যায় না। আমি সত্যিই ক্ষমাপ্রার্থী। এমন এক পরিস্থিতির শিকার হয়েছি যা আমাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে।‘

ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি সমাজ সংস্কারের লক্ষ্যে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগের কথা জানান নোরা। তিনি ঘোষণা করেন, এখন থেকে তিনি অনাথ মেয়েদের পড়াশোনার সমস্ত দায়িত্ব নিজের কাঁধে নেবেন।

তার কথায়, ‘সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়া এখন আমার কাছে সবচেয়ে জরুরি। তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়াই এখন আমার লক্ষ্য।‘

উল্লেখ্য, ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গানটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, গানের কথা অত্যন্ত কুরুচিকর ও অশালীন। নোরার নাচের মুদ্রা ও দৃশ্যায়ণ ছিল আপত্তিকর। বিভিন্ন মহল থেকে গানটি নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে, যার ফলে শেষ পর্যন্ত এটি ডিজিটাল মাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

এই গানে নোরার সঙ্গে কোমর দুলিয়েছিলেন বলিউড মেগাস্টার সঞ্জয় দত্তও। তাকেও সমন পাঠিয়েছিল মহিলা কমিশন। গত ২৭ এপ্রিল কমিশনে হাজিরা দিয়ে সঞ্জয় জানান যে, তিনি এই বিতর্কের বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানতেন না।

অভিনেতার আইনজীবী হেমন্ত শাহের বয়ান অনুযায়ী, গানটি এমন একটি ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল যা সঞ্জয় বোঝেন না। তাই গানের কথা যে আপত্তিকর হতে পারে, সেই সম্পর্কে তাঁর কোনো ধারণা ছিল না।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মুক্তিপণের আদায়ে অপহরণ, পুলিশের অভিযানে বাঁচল যুবক

পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ কে জিতবে, জানাল সুপার কম্পিউটার

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে গেল স্পেন

আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে গাঁজাসহ ২ মাদককারবারি গ্রেপ্তার

কলাবাগানে নিয়ে মাকে হত্যা, ঘাতক ছেলে গ্রেপ্তার

স্বপ্নভঙ্গের খতিয়ান: বাল্যবিয়ের বিষ-ছোবলে লাখো ছাত্রী

আনোয়ার ইস্পাতের আয়োজনে বুয়েটে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

স্থানীয় সরকারে ভোট দিতে ভোটার হওয়ার শেষ সময় ৩১ জুলাই

শাশুড়িকে হত্যার পর গোপনে দাফন, পুত্রবধূর স্বীকারোক্তিতে রহস্য ফাঁস

বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল ২ ভাইয়ের

১০

সকাল ৯টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১১

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক

১২

পাবিপ্রবির নারী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১৩

৯ দিন আত্মগোপনে থাকার পর ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

১৪

ম্যারাডোনা থেকে মেসি: বাংলাদেশে কেন আর্জেন্টিনার ফুটবল নিয়ে এত উন্মাদনা

১৫

রিজার্ভ আরও বাড়ল

১৬

রাকিবের ‘ঘৃণার’ পর জুলাই নিয়ে বক্তব্য সম্পর্কে যা বললেন নিলোফার মনি

১৭

মাদকের বিরুদ্ধে বিএনপির অবস্থান জিরো টলারেন্স: গয়েশ্বর

১৮

লাল কার্ডের যে তালিকায় সবার ওপরে ব্রাজিল

১৯

রাত পোহালেই শিল্পী সমিতির ভোট, মুখোমুখি দুই প্যানেল

২০
X