শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালিত

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে অতিথিরা। ছবি - সংগৃহীত
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে অতিথিরা। ছবি - সংগৃহীত

'শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের ক্রান্তিলগ্নে বার বার কান্ডারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন' বলে মন্তব্য করেছেন চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমান। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে মঙ্গলবার এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজনে তিনি এ কথা বলেন।

বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন, বিটিভির প্যাকেজ প্রিভিউ কমিটির সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক আহমেদ তেপান্তরসহ বোর্ডের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে এস এম আব্দুর রহমান বলেন, 'শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের ক্রান্তিলগ্নে বার বার কান্ডারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। ২৫ মার্চের ভয়াল রাত্রির পর যদি তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন তবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত দ্বিধাগ্রস্থ জাতি সংকল্পবদ্ধ হয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে না পরতেন তাহলে যুদ্ধের ও বিজয়ের ইতিহাস হয়তো ভিন্নভাবে লিখা হতো। ঠিক তেমনি ভাবে ৭৫ এর ৭ নভেম্বর দেশের সংকটময় মূহুর্তে দেশের হাল না ধরলে দেশ এক গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হতো। স্বাধীনতার পর যখন তিনি দেশ গড়ার দায়িত্ব পান তখন তিনি সবাইকে সাথে নিয়ে অভ্যন্তরীণ শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বর্হিবিশ্বের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে মনোনিবেশ করেন। চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নেও তার বলিষ্ট ভূমিকা ছিল। তিনিই চলচ্চিত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা করেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তার আমলেই প্রবর্তিত হয়। বিএফডিসিকে ঢেলে সাজানো, ফিল্ম সিটি প্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা তার হাত ধরেই শুরু হয়েছিল। নতুনকুঁড়ি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অঙ্গণে প্রতিভা অন্বেষন তার আমলেই জাতীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ে।'

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য মিশা সওদাগর বলেন, 'জিয়াউর রহমান ছিলেন সততার বিমূর্ত প্রতীক। দেশ গঠনে প্রেসিডেন্ট জিয়ার আত্মনিয়োগ তাকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান দিয়েছিল। তার খাল খনন কর্মসূচি, তরুনদের নিয়ে স্কাউট গঠন ও পরিচালনা ইত্যাদি কার্যক্রম তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। তিনি মানুষের অন্তরে এমনভাবে গেঁথে গিয়েছিলেন যে, তার শাহাদত বরণের পর নামাজে জানাজায় স্বরণকালের সর্বোচ্চ মানুষের ঢল নেমেছিল।'

চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ও সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য আওলাদ হোসেন বলেন, 'প্রেসিডেন্ট জিয়ার রাজনীতি ছিল অন্তর্ভূক্তিমূলক। তিনি সেনা প্রধান হয়েও রাজনীতিতে এসে সাধারণ জনগণের কাতারে নিজেকে দাড় করিয়ে সবার সাথে মিলেমিশে এদেশকে গড়তে চেয়েছিলেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পূনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তার মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসন আমলে বাংলাদেশ বহিবিশ্বের নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পেরেছিলেন। জনশক্তি রপ্তানি, কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন তার আমলের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।'

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নানার বাড়ি থেকে ফেরার পথে নিখোঁজ, খালে মিলল মরদেহ

দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ১, একাধিক বাড়িঘরে আগুন

কারাগারে আইভীকে গান শোনাতেন মমতাজ, যে গান না গাইতে অনুরোধ

পাকিস্তানের সিরিজ জয়

ইউক্রেন ছাড় দিলে সমঝোতায় প্রস্তুত রাশিয়া : পুতিন

ডাচদের হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ বাংলাদেশের

আফগানিস্তানকেও রুখে দিল বাংলাদেশ

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি নাগরিক

পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ

যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হলেন নির্যাতিত নেতা সাজিদ হাসান বাবু

১০

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তথ্য পেয়ে চুক্তি ও ঋণপত্র বাতিল, ফেরত যাচ্ছে ‘এমটি মেমেই’

১১

ছবি প্রকাশ করলেন রাশেদ খান / সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের

১২

বজ্রপাতে সারা দেশে প্রাণ গেল ১২ জনের

১৩

অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবি এনসিপির

১৪

দাবি এমপি শওকতুলের / শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান নোবেল পাওয়ার যোগ্য

১৫

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেতা আলভীর মা

১৬

কোটি টাকার ইয়াবাসহ কোস্টগার্ডের হাতে ৪ জন আটক

১৭

২২ বলের ফিফটিতে দিলারার রেকর্ড

১৮

বিশ্বকাপের আগে ব্যালন ডি’অর জয়ের তালিকায় এগিয়ে যারা

১৯

‘জনগণ ভাবছে সরকার ভোট নয়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নির্বাচিত’

২০
X