কূটনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৬:৩৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দিল্লির সঙ্গে টানাপোড়েন কমাতে দ্বিপক্ষীয়ভাবে চেষ্টা করতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। ছবি : সংগৃহীত
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কে দূরত্ব, অন্যদিকে ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্ক নিবিড় হওয়ার বিষয়টি মানতে নারাজ পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। দ্বিপক্ষীয়ভাবে দিল্লির সঙ্গে টানাপোড়েন কমাতে চেষ্টার কথা বলেন তিনি।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দিল্লি-ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাখ্যায় এমনটি জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

বাংলাদেশে ক্ষমতা পালাবদলের মধ্য দিয়ে বর্তমানে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিবিড় হচ্ছে কিনা- জানতে চাওয়া হয় অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে।

উপদেষ্টা বলেন, এ দুটির একটিকেও আমি ঠিক মানছি না। আমি মনে করি, কোনো এক পর্যায়ে, কোনো এক কারণে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কে একটু টানাপোড়েন ছিল। স্বাভাবিক একটা সম্পর্ক যদি উন্নীত হয়, আমাদের সবার খুশি হওয়া উচিত। আমরা তো সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। পাকিস্তানের সঙ্গে তো এখন আমাদের শত্রুতা করে কোনো ফায়দা নেই।

তৌহিদ হোসেন বলেন, আর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আপনারা যদি মনে করেন একটু টানাপোড়েন চলছে, দ্বিপাক্ষিকভাবে আমাদের চেষ্টা করতে হবে সেটাকে কিনারায় নিয়ে আসতে। তবে আমরা একটি কথা মনে করি, সম্পর্ক মানুষ (জনগণ) কেন্দ্রিক হতে হবে। আসলে এমন হতে হবে, যেন মানুষও মনে করে যে, সম্পর্কটা ভালো।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সোনালি অধ্যায়ের কথা বলা হতো। এ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, সম্পর্কের সোনালি অধ্যায় ছিল দুই সরকারের মাঝে। আমরা চাই, সুসম্পর্ক থাকুক জনসাধারণের পর্যায়ে, মানুষ সেটায় যুক্ত হোক। মানুষ মনে করুক, আসলে খুব ভালো সম্পর্ক। সেটি যে ছিল না, তা স্বীকার করা ভালো। মানুষের মাঝে ক্ষোভ ছিল, সেগুলো প্রশমন করা সম্ভব দুই পক্ষেরই সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে বলে আমি মনে করি।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তাতে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কিনা- জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটি তো বিচার করবেন আরও অনেক পরে। তখন দেখবেন যে আমাদের কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা। এ মুহূর্তে আমরা একটি পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। এখন আপনি বিচার করতে পারবেন না, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি কিনা। তাৎক্ষণিক আমি কোনো সমস্যা দেখছি না।

ভারতীয় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, ভারতীয় মিডিয়ায় যেটা হয়েছে, সেটা একেবারে মিথ্যা ও বাড়াবাড়ি। বিপ্লব সাধিত হওয়ার পর কিছু বিশৃঙ্খলা থাকে। এখানে একটা বিপ্লব হয়েছে। এটা মেনে নিতে হবে। কিছু বিশৃঙ্খলা ছিল, সেখানে কিছু দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তা নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া যেভাবে লেগে পড়েছিল…বিশ্ব মিডিয়ায় যারা নিরপেক্ষ তারা কেউ কিন্তু ভারতীয় লাইনটিকে গ্রহণ করেনি। ভারতীয় মিডিয়া হাইপ সৃষ্টি করেছিল। আমার মনে হয়, আমরা সেই স্টেজ পার হয়ে এসেছি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমিরাতে জরিমানা ছাড়াই বৈধ হওয়ার সুযোগ

জাল সনদধারী শিক্ষকের জন্য ফাঁসছেন অধ্যক্ষ ও সভাপতি

বিশেষ ভেস্ট পরে অনুশীলন করছেন মেসিরা, নেপথ্যে যে কারণ

মেসির কান্নার পর তার বাবার স্বাস্থ্যের খবর জানাল পরিবার

ফিফার পাওয়ার র‍্যাংকিং / বিশ্বকাপে মেসিকেও ছাড়িয়ে শীর্ষে ওঠা কে এই রামিন রেজায়িয়ান

এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১%

মাঠে নেমেই রেকর্ড গড়লেন এডিন জেকো

আবারও দেশে ভূমিকম্প

নতুন রাস্তা হলো, তবুও দুর্ভোগ গেল না

বরিশালে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সৌদি প্রবাসী নিহত

১০

ইরানের সব বন্দরে নৌ-অবরোধ তুলে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি আরইউজের

১২

কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

১৩

শাহজাহান চৌধুরীকে গুলির পরিকল্পনা ফাঁস, লোহাগাড়া-সাতকানিয়াজুড়ে তোলপাড়

১৪

সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের

১৫

দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা

১৬

এসএসসি বিরাশিয়ান বন্ধুদের উদ্যোগে ৮২টি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

১৭

২০টির বেশি প্রতিষ্ঠান নিয়ে নারীদের জন্য জব ফেয়ার

১৮

মেসিকে কেন ছাড়? ক্ষুব্ধ দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ

১৯

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক খেলা দেখেছে?

২০
X