কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
রামিসা হত্যা

দ্রুততম সময়ের মধ্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে: ডেপুটি স্পিকার

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। ছবি: সংগৃহীত
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। ছবি: সংগৃহীত

দেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। একইসঙ্গে রামিসা ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দোষীদের বিচার দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিশ্চিত করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৬ জুন) শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারের কনফারেন্স রুমে নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবিলা: প্রতিবন্ধকতা, দায়িত্ব ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলে ডেপুটি স্পিকার।

নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী, অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, রামিসার বাবা, নারী ও শিশু অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী, মানবাধিকার কর্মী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কায়সার কামাল বলেন, শিশু নির্যাতন একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রের সকল অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। শিশু নির্যাতনের মূল কারণসমূহ চিহ্নিত করে বিদ্যমান আইন, নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতিগুলো মূল্যায়ন করা জরুরি।

শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব উল্লেখ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাদের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর এবং টেকসই কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় রামিসা হত্যার বিচার প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী হতে হবে বলেও তিনি বৈঠকে উল্লেখ করেন।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, বর্তমানে শিশুদের প্রতি শারীরিক, মানসিক এবং অনলাইনভিত্তিক নির্যাতনের ঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার, প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের আইনি, চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নির্যাতিতদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কালবেলা/এমজে
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাকায় ‘অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো’র তারিখ ঘোষণা 

তথ্যের প্রবাহ থেকে অপতথ্য ফিল্টারিং করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী

হাতিয়ায় প্রথমবার অ্যান্টি স্নেক ভেনম প্রয়োগে বাঁচল শিশুর প্রাণ

যুবদল নেতা হত্যায় ২৫ লাখ টাকায় খুনি ভাড়া করেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা 

দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ভালো অবস্থানে থাকবে ইরান: মার্কিন বিশ্লেষক

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু

নকল সরবরাহের দায়ে শিক্ষকের কারাদণ্ড, ৫ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাসের সংকট কমবে, জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

ফাইনালের ৭ দিন পর নীরবতা ভেঙে আবেগমাখা চিঠিতে যা লিখলেন স্কালোনি

শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত, আহ্বায়ক কমিটি গঠন

১০

আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার

১১

২০২৭ সালের হজে যেতে পারবেন না যারা

১২

জুলাই ব্যর্থ হলে ‘শেখরাজ্য’ প্রতিষ্ঠা হতো বাংলাদেশে: মঞ্জু

১৩

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংকটের খবর উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প

১৪

মালদ্বীপকে ২০ হাজার গাছের চারা উপহার দিচ্ছে বাংলাদেশ

১৫

ডিউটিরত অবস্থায় পায়রা সেতুর টোল কালেক্টরের মৃত্যু

১৬

রান্নাঘরেও আছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি, গবেষণায় চাঞ্চল্যকর তথ্য

১৭

মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি-চোরাকারবারী গোলাগুলি, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

১৮

অবশেষে বিশ্বকাপের পর নীরবতা ভাঙলেন এমবাপ্পে

১৯

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ১০ আগস্ট

২০
X