বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের তাগিদ

বিএমএ ভবনে সাংবাদিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ছবি : কালবেলা
বিএমএ ভবনে সাংবাদিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ছবি : কালবেলা

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উত্তরাধিকার এবং ভোটাধিকারের মতো মৌলিক নাগরিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অপরিহার্য। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা, সুশাসন এবং বাজেট প্রণয়নেও নিবন্ধন তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন হার যথাক্রমে ৫০% ও ৪৭%, যা বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক গড় হারের তুলনায় অনেক কম। অথচ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার শতভাগে উন্নীত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪’ সংশোধন করে নিবন্ধনের আইনি দায়িত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হলে এই লক্ষ্য অর্জন দ্রুততর হবে। একই সঙ্গে এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ১৬.৯ অনুযায়ী সবার জন্য বৈধ পরিচয়পত্র নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকে ত্বরান্বিত করবে।

বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর বিএমএ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন: অগ্রগতি, প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শীর্ষক এক সাংবাদিক কর্মশালায় এসব বিষয় তুলে ধরেন বক্তারা।

গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই) এর সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন মিডিয়ার ৩০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় উল্লেখ করা হয়, বর্তমান আইনে জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য দেওয়ার মূল দায়িত্ব কেবল পরিবারের, স্বাস্থ্য বিভাগের নয়। তবে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে জন্ম নিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়া হলে এগুলোর আওতায় জন্ম নেওয়া দেশের প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশুকে সহজেই নিবন্ধনের আওতায় আনা সম্ভব। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বহু দেশ এই পদ্ধতি অনুসরণ করেই শতভাগ নিবন্ধনের লক্ষ্য পূরণ করেছে।

জিএইচএআই-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, শতভাগ নিবন্ধন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে আইনগতভাবে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের কোন বিকল্প নেই।

ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস-এর কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আইন শক্তিশালীকরণের পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে জনবল সংকট, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং আন্তঃখাত সমন্বয়হীনতা দূর করা বিশেষভাবে জরুরি।

ডেইলি টাইমস অফ বাংলাদেশ এর হেড অফ অনলাইন (বাংলা) মো. মনির হোসেন লিটন বলেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়ার দুর্বলতা ও জনভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে নিয়মিত সংবাদ প্রকাশ করতে হবে, যা নীতি পরিবর্তনে ইতিবাচক চাপ তৈরি করবে।

কর্মশালায় আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের। গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজ্ঞার কোঅর্ডিনেটর মাশিয়াত আবেদিন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভারী বর্ষণে ঘরের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু

পাকিস্তানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ৩০

মায়ের মৃত্যুর ১২ বছর পর পিতৃপরিচয় পেল সন্তান

হঠাৎ কেন রক্তচাপ মাপার ছবি পোস্ট করলেন মার্টিনেজ?

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের বেতন ফ্রি করার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

আবারও অভিনয়ে ফিরতে চান ডিজে সুমী

এবারের বিশ্বকাপে গোলের বন্যা, বাড়ছে কার্ডের ঝড়ও

বৃহস্পতিবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না এক জেলায়

রাস্তায় পড়েছিল বিদ্যুতের তার, সরাতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর

যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ও দামি ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

১০

সংসদে তথ্যমন্ত্রী / গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে ১৩৭ ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত

১১

মেসির দিকে কেন তেড়ে গিয়েছিলেন মিশরের গোলকিপিং কোচ

১২

সরকারি স্কুলের এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৩

মিশর কোচের হাতের ‘এক্স’ আকৃতি কীসের ইঙ্গিত?

১৪

দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার আগে বাংলাদেশকে প্রাধান্য দিতে হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান

১৫

ইরান ইস্যুতে স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম / সংসদ ভবনে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন দেশের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত

১৭

স্টেশন পরিষ্কার করে জমানো টাকা নিতেই হামলা, কেড়ে নিল প্রাণ

১৮

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ ঘিরে শিক্ষার্থীকে মারধর

১৯

ছেলেকে নিয়ে একসঙ্গে বিষপান, মায়ের মৃত্যু

২০
X