কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫০ পিএম
আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

শহীদদের স্বজনদের সামনে দাঁড়ালে অপরাধী মনে হয়: মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পুরোনো ছবি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পুরোনো ছবি

‘শহীদদের স্বজনদের সামনে দাঁড়ালে নিজেকে অপরাধী মনে হয়’ বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে জুলাইয়ের আন্দোলনে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আত্মত্যাগ জাতির জন্য এক গভীর বেদনার স্মৃতি হয়ে থাকবে। এই আত্মত্যাগ যেন কখনো বিস্মৃত না হয়, সেজন্য ইতিহাস মনে রাখা জরুরি।

রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন রাষ্ট্র নির্মাণের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে হবে। হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই, কারণ বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন আনতে পারে।

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের মধ্য দিয়েই দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের পথ তৈরি হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার একদলীয় শাসন কায়েমের লক্ষ্যে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে এবং ভিন্নমত দমনে হত্যা, গুম ও নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছিল।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ স্বাধীনতার পর থেকেই নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বারবার সংগ্রাম করেছে। এবারও সেই দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই হয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলন এবং পরে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ নতুন স্বপ্ন ও আশার জন্ম দিয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মাত্র অল্প সময়ে ১৫ বছরের লুটপাট, ধ্বংস ও অব্যবস্থাপনা দূর করা সম্ভব নয়। তবে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও গণতান্ত্রিক শক্তির ওপর আস্থা রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

কালবেলা
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে ট্রেন বন্ধ থাকায় রেলওয়ের ক্ষতি ৮৮ লাখ টাকা

রাসায়নিক কীটনাশক কীভাবে কাজ করে?

গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় চীনের প্রতিক্রিয়া

মোজাফফরের বিচার কোর্ট মার্শালে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার পর হত্যা, একজনের মৃত্যুদণ্ড

বিলে ঝাঁপিয়ে ২ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

টানা বৃষ্টি নিয়ে দুঃসংবাদ

গম্বুজ আর মিনারের মায়াবী শহর তুরস্কের ইস্তাম্বুল

সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করল শুভেন্দু সরকার

১০

শিশু মরিয়ম ধর্ষণ-হত্যা: একমাত্র আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

১১

গণরায় উপেক্ষা করার পরিণতি ভালো হয় না: চরমোনাই পীর

১২

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের থিম সং-রিলস পাঠানোর নির্দেশ দিল মাউশি

১৩

হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৫ শিশু, মোট মৃত্যু ৮০০ ছুঁইছুঁই

১৪

ভারত / ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আটক

১৫

খারাপ স্বপ্ন দেখলে কী করতে হবে? যা বলা হয়েছে হাদিসে

১৬

কুয়াকাটায় জেলের জালে ২০ কেজির বিরল সামুদ্রিক শোল

১৭

চিরকুট পাঠিয়ে পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি

১৮

সাগরে নিখোঁজ জেলের লাশ উদ্ধার

১৯

ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মেলালেন না ২ আর্জেন্টাইন ফুটবলার, ভিডিও ভাইরাল

২০
X