

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনার সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে তা জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ) রাজধানীর পল্টনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের ৩য় সাধারণ সভায় এই দাবি উত্থাপন করা হয়।
ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারীর সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকিরের সঞ্চালনায় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে এ সভা শুরু হয়। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, নতুন প্রজন্ম যেন শাপলা চত্বরের ঘটনার সঠিক ইতিহাস জানতে পারে, সেজন্য ৫ মে’র প্রকৃত চিত্র পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরা জরুরি।
সভায় কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ‘আল-হাইআতুল উলয়া’র সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সংশ্লিষ্ট মহলে জোরালো ভূমিকা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া সারাদেশে ছাত্র জমিয়তের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নতুন ইউনিট গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মুহাম্মদ নুর হোসাইন, সহসভাপতি কাউসার আহমাদ (ঢাকা), সহসভাপতি কাওছার আহমদ (সিলেট), সহসভাপতি আব্দুর রহমান সাব্বিত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুইনুল ইসলাম, সহসাধারণ মারুফ বিল্লাহ, সহসাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ, সহসাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান মানসুর, সহসাধারণ সম্পাদক বায়জিদ আহমাদ সিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইনআমুল হাসান নাইম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন (ঢাকা বিভাগ), সহসাংগঠনিক সম্পাদক ফোরকান আলী (চট্টগ্রাম বিভাগ), সহসাংগঠনিক সম্পাদক ফাহিম আহমদ (সিলেট বিভাগ), সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক (খুলনা বিভাগ)।
এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক হোসাইন আহমাদ, প্রচার সম্পাদক আহমাদ আল গাজি, দপ্তর সম্পাদক জুবায়ের হোসেন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক কাজী শামসুল আরেফীন, সমাজসেবা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ, ভার্সিটি বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ সভায় অংশগ্রহণ করেন।