

জুলাই সনদ বিতর্ক আলোচনার মাধ্যমে অবসান হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংসদে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমাদের আহ্বান থাকবে বিরোধী দল আসবে, এই কমিটিতে যোগ দেবে। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করবে।
রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) সেমিনার হলে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং ‘ফ্যাসিবাদী শাসনে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিভ্রান্তির চেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই সনদে যেসব রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে, সেখানে পরিষ্কার করে বলা আছে, যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হতে পারেনি, নির্বাচনের মধ্যমে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসবে, সেই দলের মেনিফেস্টো অনুযায়ী তারা কাজ করবে। বিষয়টি কেন জানি আমরা অ্যাভোয়েড করে যাচ্ছি।’
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস আছে আমরা ন্যয় ও ইনসাফের রাষ্ট্র গঠন করতে পারব। বিএনপি যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে সরকার।
এ সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ একদলীয় ব্যবস্থা বাকশাল কায়েম করতে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা গুম, খুন, নিপীড়ন নির্যাতন চালিয়েছে।
১৯৭১ সালের পর থেকে বাংলাদেশ লম্বা যুদ্ধে লড়ছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, এ দেশের মানুষকে সব সময় তার অধিকারের জন্য লড়াই করতে হয়েছে। কিন্তু যে আশা নিয়ে তারা লড়াই করেছে তা পূরণ হয়নি।
২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান মানুষের মধ্যে নতুন আশা তৈরি করেছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এর মাধ্যমে নতুন করে রাষ্ট্র নির্মাণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার আমাদের করতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বিগত ১৭ বছরে দেশের যে ক্ষতি হয়েছে তার সবকিছু এই অল্প সময়ের মধ্যে শুধরে নেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু কাজটা শুরু হয়েছে এটা বলা যায়।