ফুটসাল প্রতিযোগিতা বয়কট করল ঢাবি ছাত্রলীগ
দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৬৪টি দল নিয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটসাল প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সোমবার (৪ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে প্রতিযোগিতাটি শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এই প্রতিযোগিতাটি বয়কট করেছে।  বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক পারভেজ মুন্সি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ থেকে যে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটসাল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে, সেটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ বয়কট করেছে।  এ প্রসঙ্গে মন্তব্য জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, আমি অসুস্থ। এই মুহূর্তে আমি কিছু বলতে পারছি না। আমাদের ক্রীড়া সম্পাদক এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারবেন।  বয়কটের কারণ জানতে চাইলে পারভেজ মুন্সি কালবেলাকে বলেন, রোববার (৩ মার্চ) টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল। এখানে প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড় বা নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কিন্তু, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ফুটসাল দল সেখানে গেলে আমাদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে দেখতে পাইনি। এরপর আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, আমাদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি। প্রায় অর্ধশত বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ নেতারা এখানে এসেছেন, কিন্তু আমাদের দুই নেতাকে এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এটি দুঃখজনক। এজন্য আমরা এই টুর্নামেন্টকে বয়কট করেছি।   সার্বিক বিষয়ে মন্তব্য জানতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়নের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি। এর আগে, ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘মাদক, বাল্যবিবাহ, যৌতুক রুখবই-স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দলগুলোকে নিয়ে এই ফুটসাল প্রতিযোগিতার ঘোষণা দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। তখন তিনি বলেন, আগামী ৪ মার্চ সকাল ৮টা থেকে প্রতিযোগিতাটি শুরু হবে। ১০ মার্চ বিকেল ৫টায় সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতাটির পর্দা নামবে। সবগুলো ম্যাচ রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে। ৬৪ দল নিয়ে আয়োজিত হবে। প্রত্যেক দলে পাঁচজন করে খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করবেন। দুইজন করে অতিরিক্ত খেলোয়াড় দলে সংযুক্ত থাকবেন। তিনি আরও বলেন, সমাজে মাদক, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ করে এমন কয়েকটি সংগঠনকে টুর্নামেন্টে পুরস্কৃত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বদ্ধপরিকর। তারই অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের চিন্তার উৎকর্ষতা সাধন, নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক ও সমঝোতা বৃদ্ধি, সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি, মেধা ও মননের সংমিশ্রণ ঘটানো, সর্বোপরি স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আড়ম্বরপূর্ণভাবে আয়োজিত হবে বিএসএল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটসাল প্রতিযোগিতা। সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতসহ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
০৪ মার্চ, ২০২৪

শিক্ষক পরিচয়ে / ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে ১০ ভর্তিচ্ছুর মোবাইল চুরি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে 'বিজ্ঞান ইউনিট'-এর ১ম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে এক কেন্দ্রে কিছু ভর্তিচ্ছু সঙ্গে করে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢুকার পর সেগুলো শিক্ষক পরিচয়ে জমা নেওয়ার নাম করে তা চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ শিক্ষার্থীর ১০টি মোবাইল আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে। শুক্রবার (১ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম পরীক্ষা কেন্দ্র মোকাররম ভবন সংলগ্ন বিজ্ঞান পাঠাগারের নিচতলার সেকেন্ড ইয়ার ক্লাসরুমে এবং ফার্মেসি বিল্ডিংয়ের ৪১৩নং কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।  ঘটনার অন্যতম ভুক্তভোগী হলেন কুমিল্লা থেকে আসা তোফায়েল আহমেদ তুষার নামে এক ভর্তিচ্ছু। তার পরীক্ষার হল ছিল বিজ্ঞান পাঠাগারের নিচতলার সেকেন্ড ইয়ার ক্লাসরুমে। মোবাইলটি হারানোর পর তিনি শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঘটনার বর্ণনায় তুষার কালবেলাকে বলেন, শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ছিল। ফার্মেসি ভবনের ৪১৩ নম্বর কক্ষ এবং বিজ্ঞান পাঠাগারের নিচতলার সেকেন্ড ইয়ার ক্লাসরুম থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে এক ব্যক্তি শিক্ষক সেজে আমাদের ১০ জন ভর্তিচ্ছুর মোবাইল নিয়ে যায়। তিনি আমাদের কাছে শিক্ষক দাবি করেন এবং যেহেতু মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা দেওয়া যাবে না তাই মোবাইলগুলো উনার কাছে রাখার জন্য বলেন। তুষার আরও বলেন, উনি আমাদের কাছ থেকে নাম, মোবাইল নম্বর নিয়ে আমাদের মোবাইলগুলো নিয়ে যান। আমরা পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে দেখি ওই লোক আর সেখানে নেই। তখন আমরা সবাই একসঙ্গে হলে দায়িত্বরত শিক্ষকদেরকে বিষয়টি জানাই। তারা আমাদের বললেন যে, তারা কোনো সাহায্য করতে পারবেন না। হেড অফিসার রোববারে আসবে, তখন এসে কথা বলতে বললেন তারা।  তুষার বলেন, প্রতিটা হলের সামনে সিসি টিভি ক্যামেরা ছিল। আমরা তাদেরকে বললাম সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজটা আমাদের দেখাতে বা তাদের নিজেদের দেখতে। তাহলে অন্তত ওই লোকটাকে শনাক্ত করা যাবে। কিন্তু  দায়িত্বরত শিক্ষকরা এ ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা করেননি। তারা বলেছেন, থানায় গিয়ে জিডি করতে। পরে আমরা ১০ জন শাহবাগ থানায় গেলাম এবং পুলিশকে বিষয়টি জানালাম। পুলিশ বলল তারাও এ ব্যাপারে আমাদেরকে কোনো সাহায্য করতে পারবে না। যা করার বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকদের সঙ্গে কথা বলে মোবাইল বের করতে বলল তারা। আমরা প্রায় ৩ ঘণ্টা থানায় ছিলাম। কিন্তু, কোনো সাহায্য পাই নাই। তবে মোবাইল হারিয়েছে এ রকমটা উল্লেখ করে আমি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।  পরীক্ষার হলে মোবাইল কেন নিয়ে এসেছিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে ভুক্তভোগী এ শিক্ষার্থী বলেন, আমার বাসা কুমিল্লায়। সেই কুমিল্লা থেকে পরীক্ষা দিতে আসছি আমরা কয়েকজন বন্ধু। আমাদের সঙ্গে কোনো অভিভাবক নিয়ে আসতে পারিনি এবং আমাদের ধারণা ছিল আমাদের মোবাইলগুলো শিক্ষকদের কাছে জমা দিয়ে আমরা পরীক্ষা দিতে পারব। কারণ, এর আগে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষকদের কাছে মোবাইল রেখে পরীক্ষা দিয়েছিলাম। এ জন্য আমরা ভাবছি, এখানেও এটা করা যাবে।  ঘটনা প্রসঙ্গে 'বিজ্ঞান ইউনিট' ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়কারী ও ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু কালবেলাকে বলেন, আমি শুনেছিলাম যে, শিক্ষক পরিচয় দিয়ে এক লোক কয়েকজন শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। এ সম্পর্কে আমাকে একজন জানিয়েছিল। তবে যে শিক্ষার্থীরা এ ঘটনার ভুক্তভোগী তারা আমাদের কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। আমি তাদেরকে বলব যে, তারা ওই পরীক্ষার কেন্দ্র প্রধান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিক, তারপর তদন্ত অনুযায়ী আমরা যে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এ ব্যাপারে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকেও অবহিত করতে পারে।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক একটি ঘটনা। ওই ভবনগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। সেগুলোর মাধ্যমে তাকে শনাক্তকরণের চেষ্টা করা হবে। সে যদি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের কেউ হয়, তাহলে তো তাকে খুব সহজেই শনাক্ত করা যাবে। ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হবে এবং জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনাগুলো যেন কোনোভাবেই আর না ঘটে সেটাই আমরা চাই। এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্ত কমিটি করে সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে এ কালপ্রিটকে শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে পারব বলে আমি মনে করি। এ বিষয়ে আমি উপাচার্য মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলব। তিনি প্রক্টরিয়াল বডিকে হয়তো প্রয়োজনীয় ইন্সট্রাকশন দিবেন। আমার মনে হয়, ঘটনায় জড়িতকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া ঠিক হবে না। কারণ, সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করেছে, আমাদের শিক্ষক সেজে এটা করেছে। এজন্য এ জায়গাটায় আমাদের কঠোর হওয়া বাঞ্ছনীয়।
০১ মার্চ, ২০২৪

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র‍্যাজুয়েট প্রোগ্রামে 'বিজ্ঞান ইউনিট'-এর ১ম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (০১ মার্চ) শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দের ভোগান্তি লাঘবে এ বছরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ দেশের অন্য ৭টি বিভাগীয় শহরে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, 'বিজ্ঞান ইউনিট' ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়কারী ও ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়াসহ সংশ্লিষ্টরা কার্জন হল ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজন ও অনুষ্ঠিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ঢাকাসহ দেশের অন্য ৭টি বিভাগীয় শহরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই ভর্তি পরীক্ষায় ১৮৫১ টি আসনের বিপরীতে ১,২২,১৮৪ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করে। যথাযথভাবে নিয়মনীতি অনুসরণ করে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  এ সময় ঢাবি ভিসি সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে সার্বিকভাবে সহযোগিতা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা, গণমাধ্যম এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।  
০১ মার্চ, ২০২৪

ঢাবি উপাচার্যের বাসভবনের কাছ থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের বাসভবনের দেয়ালের ভেতর থেকে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টায় উপাচার্য ভবনের ভেতরে সীমানা প্রাচীরের কাছ থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শাহবাগ থানা পুলিশ মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেন ঢাবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাকসুদুর রহমান। তিনি বলেন, এক লোক দেয়ালের বাইরে থেকে ঢিল দিয়ে ভেতরের দিকে মরদেহটি ফেলেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই লোক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নবজাতকের মরদেহটি নিয়ে গোপনে কোথাও ফেলতে চেয়েছিল। এই জায়গা ফাঁকা পেয়ে এখানে ফেলে গেছে। ওই লোককে ধরার চেষ্টা চলছে।
০১ মার্চ, ২০২৪

ঢাবি উপাচার্যের বাংলো এলাকা থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের বাংলোর সীমানা প্রাচীরের ভিতর থেকে একটি নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১২টায় উপাচার্য ভবনের ভিতরে সীমানা প্রাচীরের কাছ থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এরপর শাহবাগ থানা পুলিশের সহায়তায় তা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাকসুদুর রহমান। তিনি বলেন, ভিসি স্যারের বাংলোর দেয়াল ঘেঁষে ভিতরে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে একটি নবজাতকের লাশ পাওয়া গেছে। একটা লোক বাইরে থেকে কোথাও রাখতে চাচ্ছিল নবজাতকের লাশটা, ওই জায়গাটা ফাঁকা পেয়ে দেয়ালের বাইরে থেকে ঢিল দিয়ে ভেতরের দিকে ফেলেছে।  তিনি বলেন, ওই লোকটাকে ধরার চেষ্টা চলছে। পুলিশের কাছে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তারা এটা তদন্ত করছে। এরপর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান আরও বলেন, লোকটা হয়তো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মৃত নবজাতকের ডেড বডি নিয়ে কোনো একটা জায়গায় ফেলতে চেয়েছে। কিন্তু, মানুষের কোলাহল থাকায় কোথাও ফেলতে পারেনি। এই জায়গাটা ফাঁকা পেয়েছে, তাই হয়তো এই জায়গাটায় ফেলেছে।  
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ছিনতাইকারীকে ধরতে গিয়ে হামলার শিকার ঢাবি শিক্ষার্থীরা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণিত বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের কয়েক শিক্ষার্থী নিজেদের মোবাইল ছিনতাই করে নেওয়া ব্যক্তিকে ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ছয় শিক্ষার্থী আহত হন। এর মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফেরার পথে কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডে ভৈরব বাস কাউন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।  হামলায় আহতরা হলেন- সৈকত, মইনুল, সাইমন, ইমন, রিফাত ও জাহিদ। জানা যায়, গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সফর ছিল নারায়ণগঞ্জের সুবর্ণ রিসোর্টে। সেখান থেকে ফেরার পথে কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডে আসলে মিম জামান নামে এক শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন বাস থেকে ছিনতাই করে নিয়ে যায় একজন। বাস থেকে নেমে কয়েক শিক্ষার্থী ওই ছিনতাইকারীকে ধরতে গেলে তারা সংগঠিত হয়ে লাঠি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়।  ঘটনার বর্ণনায় গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জাহিদ হাসান ফেসবুকে লেখেন, নারায়ণগঞ্জের সুবর্ণগ্রাম রিসোর্টে গণিত বিভাগের পিকনিক থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর পরপরই আমাদের বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী মীম জামান এর হাত থেকে কেউ একজন বাইরে থেকে ফোন নিয়ে যায়। যথারীতি আমরা যারা ছিলাম তারা বাস থামিয়ে চোরকে ধরার চেষ্টা করি। এরপর রাস্তার আশপাশে থাকা লোকজন বলছে মোবাইল ছিনতাই করে একজন রাস্তার অপর পাশে গিয়েছে। যথারীতি আমাদের কয়েকজন বন্ধু ওকে ধরার উদ্দেশ্যে ওইদিকে যায়। এরপর ওই পাশে যাওয়ার পর ভৈরব বাস কাউন্টারে কেউ একজন ফোন নিয়ে ঢুকেছে বলে আশপাশের লোকজন বলে। আমার এক বন্ধু মাইনুল ওখানে গিয়ে এসব ব্যাপারে কথার একপর্যায়ে একা থাকায় বাস কাউন্টারে বসে থাকা দুইজন লোক ওকে মারার উদ্দেশ্যে নানা কথা বলতে থাকে এবং ভেতরের দিকে নিয়ে যায়। এর মাঝে আমাদের কয়েকজনকে যেতে দেখে ওখানে থাকা একজন দৌড়ে সরে যায়। আমরা ওখানে গিয়ে যে একজনকে পাই, তাকে জেরা করি যে, একটু আগে যে ছেলেটা ছিল তার ব্যাপারে, সেই হয়তো চোর। ওইসময় আমরা বলি যে, যেভাবে হোক তাকে এখানে আনতে হবে। আশপাশের সবাই বলতেছিল ওকে ভালো করে ধরেন তাইলে পাবেন। এরপর আমরা অনেকবার ওকে বলি ফোন দেওয়ার জন্য বা যেভাবেই হোক ওকে আনার জন্য।  জাহিদ জানান, ইতিমধ্যেই দুজন পুলিশ আরও দুজনকে ধরে নিয়ে যায় আমাদের সামনে। এতে করে আমরা ভাবি যে, চোরকে বোধহয় ধরে ফেলেছে। তখন জসিম স্যার, সাফি ও জয় পুলিশের সাথে চলে যায়। আমিও যাচ্ছিলাম, কিন্তু পুলিশ আমাকে বলেছিল যে, এটা অন্য কেস। এ জন্য আমি আবার ওই কাউন্টারে চলে আসি। ওইখানে আমরা চারজন ছিলাম। এরপর দেখলাম ওই আগের যে ছেলেটা ছিল ও সাথে কয়েকজন লোক নিয়ে চলে আসছে। ওকে দেখার পর আমরা যখন ওকে জেরা করতে যাই তখনই বিপত্তিটা ঘটে। পরে ওখানে আসা অনেকের কাছেই লাঠিসহ নানা দেশীয় অস্ত্র ছিল যদি আমরা কিছুই দেখতে পারছিলাম না কেননা ভেতরে আমরা পাঁচজন ছিলাম। আর ওরা ১৫ জনের মতো, ভেতরে তিনজন আর সবাই বাইরে। হামলার ঘটনা বর্ণনায় তিনি জানান, আমি ছিলাম সবচেয়ে ভেতরের পাশে। মাঝে সৈকত, মইনুল, সাইমন, সাম্য, ইমন। ওদের লোকজন আমাদের ওপর আঘাত শুরু করে। সৈকত, সাইমন কাউন্টারের রুমের মাঝে পড়ে যায়। লাথি, ঘুষি, লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করতে থাকে। আমাকে মাথায় মারতে মারতে পেছন দিক দিয়ে ফেলে দেয়। তারপর আমি কোন দিক থেকে কোথায় চলে গেছি বুঝতে পারিনি। এরপর আমি যখন আবার ঘুরে রোডের দিকে আসতে ছিলাম তখন দেখি সৈকত। ওকে দেখে চোখের পানি কোনোভাবেই আটকে রাখা সম্ভব হচ্ছিল না। এরপর দেখি মইনুল ওকে দেখে কিছু বলার মতো ভাষা ছিল না। এরপর সাইমন ওর পরিস্থিতি দেখে যে কেউ শিউরে উঠত। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ওকে দেখে মনে হয়েছে। এরপর সৈকতের চেহারা দেখে ওকে চেনাই যাচ্ছিল না, এখনো চেনা যাচ্ছে না। মুখের প্রতিটা অংশে স্পট। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে জানতে পারি নাকের হাড় ভেঙে গেছে। আর এদিকে ইমন সাইমন আর সৈকতকে সবার মাঝে মার খেতে দেখে ওদের বাঁচানোর জন্য এগিয়ে গেলে পেছন থেকে কেউ একজন ওর মাথায় লাঠি দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে ফেলে। আর মইনুলকে তো রাস্তার মাঝে ফেলে লাঠি, লাথি-ঘুষি যে যেভাবে পেরেছে মেরেছে। সাম্য কোনোরকম বের হয়েছে। রিফাতও কোনো রকমে বেঁচে ফিরেছে।  জাহিদ কালবেলাকে বলেন, আহতরা সকলেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও অন্যান্য জায়গা থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। এখন সবাই যার যার বাসায় আছে। তবে সৈকতের নাকে অপারেশন প্রয়োজন বলে ডাক্তার জানিয়েছেন।  তিনি আরও বলেন, সৈকতের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মুখে প্রচুর পরিমাণে আঘাতের চিহ্ন আছে, পুরো শরীরেও আঘাত করেছে তারা। সাইমনের ঠোঁট ফেটে গেছে, নাক দিয়ে রক্ত বের হয়েছে, সারা শরীরে মারার চিহ্ন আছে এবং ওর প্রচুর পরিমাণে বমি করেছে। ওখানকার এক হাসপাতালে নিয়ে নিয়ে গেলে হাসপাতালেও কয়েকবার বমি করে এবং তাকে ওখানকার ইমারজেন্সি বিভাগ থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মাইনুলকে রাস্তার মাঝে ফেলে দশ-বারো জন লাঠি দিয়ে ও কিল-ঘুষি দিয়ে যে যেভাবে পারে মেরেছে। ওর শরীরে ওরকম স্পট পড়েনি, কিন্তু সারা শরীরে আঘাত লেগেছে। এ সময়ে সাইমন আর সৈকতকে মারার সময় ইমন নামে এক বন্ধু ওদেরকে ধরতে গেলে ওর মাথায় আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে ফেলে। এদিকে আমি টিকিট কাউন্টারের ভেতরে ছিলাম। তারা আমাকে মারতে মারতে পেছনের দরজা দিয়ে বের করে এবং তখন আমি দৌড়ে ওখান থেকে সরে যাই।  এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গেই আমি প্রক্টর মহোদয়কে কল দিয়েছিলাম। উনাকে তখন কলে পাইনি, কিন্তু সহকারী প্রক্টর লিটন কুমার সাহাকে পেয়েছিলাম। তার সঙ্গে যোগাযোগ হওয়ার পর তিনি সেখানে প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিমকে পাঠান। এরপর প্রক্টর মহোদয় আমাকে কল দিয়ে ঘটনা সম্পর্কে খোঁজ নেন। এ বিষয়টা নারায়ণগঞ্জের পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।  ঘটনা সম্পর্কে বক্তব্য জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমানকে কল দিয়ে পাওয়া যায়নি।
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ঢাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এবার আরেক ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে নিজ বিভাগের শিক্ষার্থীর পর এবার যৌন হয়রানি ও মানসিক নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছেন রাজধানীর আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক নারী শিক্ষার্থী, যেখানে তিনি অতিথি শিক্ষক হিসেবে ক্লাস নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান বরাবর একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী। বিষয়টি নিশ্চিত করে অধ্যাপক মাকসুদুর রহমান বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের একজনের কাছ থেকে অধ্যাপক ড. নাদির জুনায়েদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ এসেছে। এই সংক্রান্ত অভিযোগগুলো মূলত উপাচার্য বরাবর দেওয়া হয় এবং প্রক্টরের কাছেও অনুলিপি পাঠানো হয়। আমি সেই অনুলিপিটা পেয়েছি। অভিযোগপত্রে ওই শিক্ষার্থী উল্লেখ করেন, আমি যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেছি, সেখানে অধ্যাপক নাদির জুনাইদ একটি কোর্স পড়াতে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে আমাদের বিভাগে এসেছিলেন। আমি ক্লাসের সিআর হওয়ার সুবাদে আমাকে তার সঙ্গে এক ধরনের যোগাযোগ রাখতে হতো। প্রথমত উনি নিয়মিত আমাকে ফোন দিতেন। বাসায় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফোন দিতেন। কিন্তু সমস্যা হলো, উনি ব্যক্তিগত অনেক তথ্য জিজ্ঞেস করতেন। আমাকে এমনও জিজ্ঞেস করেছেন, আমার বয়ফ্রেন্ড আছে কি না- এ রকম। ব্যাপারটা এমন দাঁড়াল, ওনার পড়াশোনার কাজের থেকে বেশি আগ্রহ ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। এসব নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতে চাইতেন। সাধারণত উনি রাত ১০টা বা ১২টার দিকে ফোন দিতেন। উনি আমাকে যখন এইভাবে ফোন বা ভিডিও কল দিতেন, আমি খুবই বিব্রত হতাম। আমি প্রায় ওনার ফোন না ধরার চেষ্টা করতাম, কিন্তু সেটার নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পরবর্তী ক্লাসে দেখা যেত। ফোন না ধরায় আমাকে ক্লাসে নানাভাবে হেনস্তা করতে চাইতেন। ক্লাসে এভাবে হেনস্তার শিকার হওয়ার পরও উনি আবারও আমার সাথে যোগাযোগ করতেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আরও বলেন, ক্লাসে এবং ক্লাসের বাইরে ওনার মুখ ও মুখোশ ছিল আলাদা। উনি ক্লাসে হেনস্তা করার পরে আবার দুঃখপ্রকাশ করে আমাকে মেসেজ দিতেন, ফোন দিতেন। পরে অনেকটা বাধ্য হয়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে ওনার ফোন এবং ভিডিও কল রিসিভ করতাম। তখন ভিডিও কলে বলতেন, একটু তোমার চেহারাটা দেখি, তোমার চুলটা একটু দেখি, তোমার জুম পিক দেখি। আমার কয়েকবার মনে হইছে তখন উনি হস্তমৈথুন করেন। উনি সবসময় চাইতেন, তাকে সব আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখি। ‘উনি অনেক হ্যান্ডসাম’- এটা উনি বারবার শুনতে চাইতেন। উনি এত সুদর্শন, এত তরুণ, ওনাকে দেখে আমরা কেন আকর্ষিত বোধ কেন করছি না- এরকম বিষয় নিয়ে প্রায়ই খোঁচা দিতেন। প্রায়ই মেসেঞ্জারে/ওয়াটসআপে ওনার ভিডিও বা ছবি পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করতেন, ‘আমি দেখতে কেমন’। পরে বুঝেছি, এর সবই ছিল ওনার ফাঁদপাতার কৌশল। অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে অশ্লীল কথোপকথন চালিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টার অভিযোগ তুলে এই শিক্ষার্থী বলেন, উনি আমাকে শারীরিক স্পর্শ বা সেরকম কিছু করেননি। কিন্তু বিয়ের কথা বলে আমার সঙ্গে দীর্ঘদিন কথোপকথন চালিয়ে গেছেন। উনি প্রায় অশ্লীল কথাবার্তা বলতেন। নানা রকম যৌন উত্তেজনামূলক কথা আমার সঙ্গে বলতে চাইতেন। সবসময় অন্তরঙ্গ কথা বলার প্রতি ওনার বিশেষ আগ্রহ থাকত। আমার শরীরের স্পর্শকাতর জায়গা নিয়ে তিনি আমাকে প্রশ্ন করতেন। আমার পোশাক নিয়েও অযাচিত মন্তব্য করতেন। বলতেন, আমি কেন ওয়েস্টার্ন ড্রেস পরি না। কেন বাংলাদেশের মেয়েদের পোশাক এত বাজে? নানারকম অশ্লীল কথাবার্তা তিনি গল্প আকারে বলতেন। যেমন কোন সিনেমায় নায়ক নায়িকা কীভাবে অন্তরঙ্গ হলো, নায়ক নায়িকার সঙ্গে কী কী করল, এসব উনি খুব আগ্রহ নিয়ে আমাকে শোনাতেন এবং নানাভাবে বোঝাতেন যে উনি এইসব করতে চান। আমাকে বলতেন, মনে করো আমরাও এমন করছি। অধ্যাপক নাদির জুনাইদ অন্য নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন উল্লেখ করে অভিযোগকারী বলেন, আমার ক্লাসের আরেকটা মেয়ের সঙ্গেও এমন করেছেন উনি। ওই মেয়েকেও উনি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়েছেন। ছয় মাসের জন্য পড়াতে গিয়ে একই ক্লাসের দুজন মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছেন, এটাকে স্বাভাবিক মনে করার কোনো কারণ নেই। আমাকে ‘গোয়েন্দা’র মতো ব্যবহার করে অন্য মেয়েদের খোঁজ নিতেন উনি। উনি প্রায়ই ফোন করে জিজ্ঞেস করতেন, ক্লাসের কোন মেয়ের কার সঙ্গে প্রেম চলতেছে। ক্লাসের নারী শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে ওনার অস্বাভাবিক রকমের আগ্রহ ছিল। এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদকে একাধিকবার কল দিয়েও পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত, গত ৭ ফেব্রুয়ারি নম্বর কম দেওয়া নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের স্নাতকোত্তরের ১২তম ব্যাচের কিছু শিক্ষার্থীর অভিযোগের পর ১০ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে প্রক্টরের কাছে লিখিত দেন বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী। যদিও তিনি (নাদির জুনাইদ) এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এর পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য দেখছেন বলে দাবি করেন। অপরদিকে, অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানির এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের দাবিতে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করেন বিভাগের সব ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। তার বিভাগীয় অফিস কক্ষে তালা দেওয়ার পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের তালায় সিলগালা করে দেন শিক্ষার্থীরা এবং দরজায় ‘যৌন নিপীড়ক অধ্যাপক নাদির জুনাইদ ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত’ সংবলিত পোস্টার ঝুলিয়ে দেন। এ ছাড়া, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপিও দেন। পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে অধ্যাপক নাদির জুনাইদকে তিন মাসের বাধ্যতামূলক ছুটি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ছুটির চিঠিতে বলা হয়, অভিযোগের যথাযথ অনুসন্ধান ও তদন্ত করার জন্য বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপর শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের জন্য তাদের একাডেমিক কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়বে না এমন লিখিত নিরাপত্তার আশ্বাস চাইলে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বিভাগের একাডেমিক কমিটির বৈঠক শেষে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক নিরাপত্তা দেওয়া হবে এমন একটি বিবৃতি প্রদান করেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহমাদ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রুটিন অনুযায়ী ক্লাসে ফেরার ঘোষণা দেন এবং ১০ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু না হলে আবারও ক্লাস বর্জন করে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। সর্বশেষ, এই নারী যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির অভিযোগ করলেন। যদিও অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলাকালে সামাজিকমাধ্যমে আরও কিছু নারী শিক্ষার্থীদের মুখ খুলতে দেখা গেছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

প্রথমবারের মতো ওয়াটার রকেট উৎক্ষেপণ ঢাবি আইটি সোসাইটির
মহাকাশ ও মহাকাশ অর্থনীতি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স, বাচ্চাদের নিয়ে ডেমো রকেট বানানো কর্মশালা এবং নাসা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস অ্যাপ চ্যালেঞ্জ উইনারদের নিয়ে প্যানেল ডিসকাশনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) আইটি সোসাইটির ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘স্পেসভার্স ১.০’।  মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে দিনব্যাপী এই আয়োজনের শেষ মুহূর্তে প্রথমবারের মতো ওয়াটার রকেট উৎক্ষেপণ করে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।  এ ছাড়া এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটির মডারেটর অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া, উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কাজী মোহাইমিন আস সাকিব, অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটি আজ একটি ইতিহাস তৈরি করেছে। আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণে থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এবং প্রয়োজনে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশে আছি এবং থাকব। অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া তার বক্তব্যে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটি বরাবরই ক্যাম্পাসে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি গ্রহণ করে আসছে। ক্যাম্পাসের এবং ক্যাম্পাসের বাইরের শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে অনবরত সেবা দিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটি নিয়ে আমি সবসময় গর্ববোধ করি। সামনের দিনগুলোতে স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়তে এই সংগঠন অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আইটি সোসাইটির সভাপতি মোহাইমিনুল হক মীম বলেন, শুধু রকেট উড়িয়েই আমাদের গণ্ডিকে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। আমরা স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ার ক্ষেত্রে সম্মুখ সারিতে কাজ করতে চাই। ইতোমধ্যেই ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের জন্য স্মার্ট আইডি কার্ড, পুরো ক্যাম্পাসে ওয়াইফাই সরবরাহের উদ্যোগগুলো আমাদের প্রস্তাবনা থেকে গৃহীত হয়েছে। ভবিষ্যতে আমরা আন্তর্জাতিক টেক সামিট, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যাকাথন আয়োজন করতে চাই। সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ উদ্দীন ভূঁইয়া নবীন বলেন, আমরা ওয়াটার রকেট উৎক্ষেপণ করতে পেরে আনন্দিত। আমাদের আয়োজনে পাশে থাকায় এবং আমাদের পেছন থেকে যারা অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছিলেন, তাদের সবার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ থাকব।
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ফেসবুক টেলিগ্রামে ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার ভুয়া প্রশ্নপত্র বিক্রি
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কড়া নজরদারির মধ্যেও ফেসবুক ও টেলিগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রির বিজ্ঞাপন দেখা যায়। বিষয়টি জানতে পেরে শাহবাগ থানায় মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ভুয়া প্রশ্নপত্র তৈরির চক্রটির সন্ধান পায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেপ্তার করা হয় দুই যুবককে। তারা হলো আন নাফিউল ওরফে নাফিজ ইকবাল ও আসিফ তালুকদার। তাদের মধ্যে আসিফ তালুকদার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাইবার সিকিউরিটি ইনচার্জ পরিচয় দিয়ে শিশু বিশেষজ্ঞ ও সাইবার টিনস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাদাত রহমানের নামে ফেক আইডি ব্যবহার করে প্রশ্নপত্র বিক্রি করত। রোববার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপির) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, বগুড়ার শিবগঞ্জের দবিলা সংসারদিঘী গ্রাম থেকে গত শনিবার নাফিজ ইকবালকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি রাথাবাড়ীর সবুজ আহমেদের ছেলে। জাবিতে ভর্তিপরীক্ষায় গ্রেফতার ১: জাবি প্রতিনিধি জানান, শ্রুতিলেখক পরিবর্তনের মাধ্যমে অসদুপায় অবলম্বন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ায় ৫ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র ও রোল নম্বর বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় সাগর হোসেন নামে এক শ্রুতিলেখককে গ্রেফতার করা হয়। এ ছাড়া অশোভন আচরণের দায়ে সাজিদ হাসান নামে এক ভর্তিচ্ছুর উত্তরপত্র ও রোল নম্বর বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গত রোববার কলা ও মানবিক অনুষদে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় এসব ঘটনা ঘটে। বাকি ৪ শ্রুতিলেখককে শনাক্ত করা যায়নি। ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র ও রোল নম্বর বাতিল হওয়া পরীক্ষার্থীরা হলেন, সাজিদ হাসান, দেলোয়ার হোসেন, রাজু আহমেদ, টুটুল হাসান, মেহেদী হাসান ও আওয়াল হোসেন আরাফাত।
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ঢাবি ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে অর্পিতা-আদনান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় বিতর্ক সংগঠন ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির (ডিইউডিএস) ২০২৩-২৪ সেশনের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অর্পিতা গোলদার এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আদনান মুস্তারি। অর্পিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের এবং আদনান একই সেশনের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) ডিইউডিএস কার্যালয়ে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১৮ ভোটের মধ্যে উভয়েই ১১টি করে ভোট পান। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তারা আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ছিলেন ডিইউডিএসের চিফ মডারেটর অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন, সহকারী নির্বাচন কমিশনার ছিলেন ২০২২-২৩ সেশনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম ও সাধারণ ফুয়াদ হোসেন। এ ছাড়া, নির্বাচন চলাকালে ডিইউডিএসের মডারেটর অধ্যাপক ড. এস এম শামীম রেজা ও তাওহীদা জাহান উপস্থিত ছিলেন।
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
X