দেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে : মির্জা আব্বাস
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দেশে স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ নেই। আজকে বিকৃতভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। আমরা যারা দেশকে ভালোবাসি, একাত্তরে যুদ্ধ করেছি তাদেরকে আবারও ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে। তিনি বলেন, ইফতার আমাদের ঐতিহ্য। এটা আদিকাল থেকেই চলে আসছে। আজকে ইফতার মাহফিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেহরির সময় গরুর গোশত খাওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  আমি জানি না এটা কার জন্য করা হয়েছে? বুধবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে গণ অধিকার পরিষদ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সকলকে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই সরকারের পতন ঘটানো ছাড়া বিকল্প নেই। গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নূরুল হক নূরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খানের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবি আবদুল হাই শিকদার, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জেড রিয়াজ উদ্দিন নসু, জহির উদ্দিন স্বপন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, নিপুণ রায় চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাতীয় পার্টির (জাফর) আহসান হাবিব লিংকন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) রাশেদ প্রধান, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নূরুল আমিন বেপারী, গণদলের এটিএম গোলাম মওলা চৌধুরী, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) ক্বারী আবু তাহের, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ব্যারিস্টার সারোয়ার হোসেন, নৈতিক সমাজের আমসা আমিন, এবি পার্টির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী, ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভুইয়া, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনডিএম‘র চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, বিশিষ্টজনদের মধ্যে অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, সাবেক রাষ্ট্রদূত সিরাজুল ইসলাম, খ্যাতিমান আলোকচিত্রী শহীদুল আলম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. খুরশিদ আলম প্রমুখ। গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, শহিদুল ইসলাম ফাহিম, নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, আব্দুজ জাহের, জসিম উদ্দিন আকাশসহ সংগঠনের কয়েকশ নেতাকর্মী। এছাড়াও ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের কয়েকজন প্রতিনিধিসহ কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
২৭ মার্চ, ২০২৪

দেশের জনগণ ত্রিশংকু অবস্থায় রয়েছে : মির্জা আব্বাস
দেশের চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, আমাদের যুদ্ধ চলছে। অঘোষিত স্বাধীনতা যুদ্ধ। এ যুদ্ধে দেশের প্রতিটি মানুষকে শরিক হতে হবে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার সব পেশার মানুষকে। কেননা আমরা এখন ত্রিশংকু অবস্থায় আছি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ নানা অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। বুধবার (২০ মার্চ) রাজধানীর ইস্কাটনে লেডিস ক্লাবে চিকিত্সকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)’র আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা আব্বাস আফসোস করে বলেন, আজকে দেশে মদ আমদানি হয় বিনা শুল্কে আর খেজুর আমদানি করতে হয় শুল্ক দিয়ে! আমরা কি এ দেশ চেয়েছিলাম? ৭১ সালে অন্য দেশ থেকে বাংলাদেশকে কেন স্বাধীন করেছিলাম? কথা ছিল গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার ও কথা বলার অধিকার থাকবে। কিন্তু আমরা ভোটাধিকার, কথা বলার অধিকার ও গণতন্ত্র আজও পাইনি। এই পাওয়া না পাওয়ার পেছনে কারও প্রভাব রয়েছে। তিনি বলেন, আজকে এ উপমহাদেশের অনেক ছোট ছোট দেশ বড় দেশের পেটে যাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ সেটা না। ইনশাআল্লাহ সময় সুযোগ আসবে দেশের জনগণ ও তরুণরা সেটা প্রমাণ করবে। ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ডা. মো. আবদুস সালাম এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ডা. মো. মেহেদী হাসানের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল হাই শিকদার, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা ডা. পারভেজ রেজা কাকন, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, পেশাজীবী পরিষদের কাদের গণি চৌধুরী, ইউট্যাবের ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, ঢাবি সাদা দলের অধ্যাপক লুৎফর রহমান, ড্যাব নেতা ডা. একেএম আজিজুল হক, ডা. এমএ সেলিম, ডা. মো. শহীদুল আলম, ডা. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ডাম্বেল, ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. শহিদ হাসান, ডা. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, জেড রিয়াজ উদ্দিন নসু, ডা. রফিকুল কবির লাবু, রফিক সিকদার, কাজী রওনকুল ইসলাম টিপু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম মুন্না, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাংবাদিক নেতা ইলিয়াস খান, মো. শহীদুল ইসলাম, এম খুরশিদ আলম, পেশাজীবী নেতা প্রকৌশলী খালেদ হাসান পাহিন, আশরাফ উদ্দিন বকুল, প্রকৌশলী মাহবুব আলম, অধ্যাপক শামসুল আলম, ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান, অধ্যাপক নূরুল ইসলাম, ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম, ড্যাব নেতা ডা. মহিউদ্দিন ভুঁইয়া মাসুম, ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, ডা. শাহ মুহাম্মদ আমানউল্লাহ, ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম, ডা. শেখ ফরহাদ, ডা. সৈয়দা তাজনিন ওয়ারিস সিমকী, ডা. জাহেদুল কবির জাহিদ, ওলামা দলের সাবেক নেতা শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হক, কাজী মো. সেলিম রেজাসহ ড্যাব ও বিভিন্ন পেশার হাজারো নেতাকর্মী। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। স্থান কালভেদে কোনো আন্দোলন হয় না। আমাদের যখন সময় হবে আঘাত করার তখন আঘাত করবো। জালিমের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে জালিমকে সরাতে হবে। তবেই দেশের জনগণ মুক্তি পাবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও গণতন্ত্র মুক্ত পাবে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইব না, আমরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো। দেশকে জালিমের হাত থেকে মুক্ত করব। আমরা কি পেলাম আর কি পেলাম না এই হিসাব করা যাবে না। বরং আমরা দেশকে কি দিলাম, জনগণের জন্য কি করতে পারলাম এই ভেবে আন্দোলনে নামতে হবে। ড. আব্দুল মঈন খান বলেন- মনোবল শক্ত রাখুন, আমরা রাজপথে নেমেছি। যে গণতন্ত্রের জন্য আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি এ সরকারকে হটিয়ে আবারও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করব ইনশাআল্লাহ। এটাই হোক আমাদের আজকের শপথ। বেগম সেলিমা রহমান বলেন, আজকে আমরা কঠিন সময় পার করছি। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা। সাধারণ মানুষ খেতে পারছে না। ইফতার মাহফিলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। গণতন্ত্র উত্তরণে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সরকার পতন ঘটিয়ে আমাদের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।
২০ মার্চ, ২০২৪

চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাবেন মির্জা আব্বাস
চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তবে কোন দেশে এবং কবে নাগাদ যাবেন তা নিশ্চিত করেননি তিনি। সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। মির্জা আব্বাস বলেন, ইতোমধ্যে চিকিৎসার জন্য আমাদের অনেকে বাইরে (বিদেশ) চলে গেছেন। আমারও যাওয়ার কথা। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে সরকারি প্রতিবন্ধকতার কারণে এই মুহূর্তে যেতে পারছি না। আমি ও আমার পরিবার যাব। আমার চিকিৎসা করা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, গত বছরের ২৮ অক্টোরের পরে এই প্রথম আপনাদের সঙ্গে আমার আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ হলো। যদিও আগে আমি ভেবেছিলাম, আপনাদের সঙ্গে একটু আলাদাভাবে আলাপ করবো। কিন্তু হয়ে ওঠে নাই। প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে শাহজাহানপুর থানার নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পর দিন ১ নভেম্বর আব্বাসের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ৫ নভেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান মির্জা আব্বাস।
১১ মার্চ, ২০২৪

দেশটা এখন একটা বিপদের মধ্যে আছে : মির্জা আব্বাস
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, দেশটা কিন্তু এখন একটা বিপদের মধ্যে আছে। বর্তমান সরকারের কাছে দেশটা যদিও বা একটা স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। আসলে ব্যাপারটা কিন্তু তা নয়। সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরে রাজধানী শাজাহানপুরে তার নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন। গত ৯ মার্চ নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে লিফলেট বিতরণ-পূর্ব এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দেওয়া তার বক্তব্য কয়েকটি পত্রিকা ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে এমন অভিযোগ করেন মির্জা আব্বাস। ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি যাতে না হয়, সে জন্যই এই সংবাদ সম্মেলন বলে জানান তিনি। মির্জা আব্বাস বলেন, গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা প্রায় ১৭ বছর ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছি। এ ধারাবাহিকতায় গেল বছরের ২৮ অক্টোবর অতর্কিত আক্রমণ হয়ে গেল। তিনি বলেন, আমাদের তো এমন বিষয় না যে কালকেই ক্ষমতায় যেতে হবে। আগে বলছি এখনও বলছি, এ আন্দোলন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য না, এ আন্দোলন জনগণের মৌলিক অধিকার, কথা বলার অধিকার, ভোটের অধিকার, বাঁচার জন্যই আমাদের এ আন্দোলন। এ আন্দোলন চলবে, এ আন্দোলন থেমে থাকবে না। আমরা না পারি আর কেউ করবে, আন্দোলন হবেই। সরকার ভয়ে আছে জানিয়ে তিনি বলেন- বিশ্বব্যাপী পরিচিত, সরকার একটা ডামি নির্বাচন করে ক্ষমতায় এসেছে। দেশটা কিন্তু এখন একটা বিপদের মধ্যে আছে জানিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সরকারের কাছে দেশটা যদিও বা একটা স্বর্গ রাজ্যে পরিণত হয়েছে। আসলে ব্যাপারটা কিন্তু তা নয়। একজন মন্ত্রী বলেন ‘বড়ই দিয়ে ইফতার করেন’। কিন্তু সে মন্ত্রীর হয়তো অভিজ্ঞতাই নাই, খালি পেটে বরই খেলে একজন মানুষ মারা যেতে পারেন। খালি পেটে বরই খেলে কত বড় মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। ‘জনগণের জন্য বরই, বেগুনীর বদলে পেঁপে আরও কিছু, আর তাদের জন্য দামি ফল, খেজুর, আঙুর। শিল্পমন্ত্রীর ইফতার নিয়ে বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এসব মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস।
১১ মার্চ, ২০২৪

মুক্ত হয়ে মির্জা আব্বাস বললেন আন্দোলন চলবে
সাড়ে তিন মাস কারাগারে বন্দি থাকার পর গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। এদিন সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে কারাফটকে মির্জা আব্বাস এলে দলের নেতাকর্মীরা করতালি দিয়ে এবং ফুল ছিটিয়ে তাকে বরণ করে নেন। এ সময় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। সেখানে তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস উপস্থিত ছিলেন। নেতাকর্মীদের অভিবাদন জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আমাদের গণতন্ত্র ফেরানোর আন্দোলন চলবে। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, কারাগারে থাকা বিএনপির নেতাকর্মীরা চিকিৎসার অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের দ্রুত সুচিকিৎসা দিতে হবে। প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার অভিযোগসহ ১১টি মামলায় জামিন পেয়ে সোমবার মুক্তি পান মির্জা আব্বাস। সোমবার সকালে ঢাকা রেলওয়ে থানার মামলায় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলহাস উদ্দিন শুনানি শেষে তাকে জামিন দেন। গত বৃহস্পতিবার এ কারাগার থেকে মুক্তি পান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনার পর ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

কারামুক্ত হয়েই মির্জা আব্বাস বললেন ‘আন্দোলন চলবে’
সাড়ে তিন মাস কারাগারে বন্দি থাকার পর সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে তিনি কারাফটকে উপস্থিত হলে দলের কয়েক‘শ নেতাকর্মী মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে ও ফুল ছিটিয়ে তাকে বরণ করে নেন। সেইসঙ্গে কর্মীরা ‘মির্জা আব্বাস ভাইয়ের ভয় নাই, আমরা আছি তোমার সাথে’, ‘মির্জা আব্বাসের ভাইয়ের মুক্তি আন্দোলনের শক্তি’সহ ইত্যাদি স্লোগান দেন। এসময় নেতাকর্মীদের হাত তুলে অভিবাদন জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আমাদের গণতন্ত্র ফেরানোর মুক্তির আন্দোলন চলবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, কারাগারে চিকিৎসার অপ্রতুলতায় নেতাকর্মীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দ্রুত সুচিকিৎসার দাবি জানান মির্জা আব্বাস। কারাগারে মুক্তির সময়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও মির্জা আব্বাসের সহধর্মিনী আফরোজা আব্বাস, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীসহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার অভিযোগসহ ১১টি মামলায় জামিন পেয়ে সোমবার মুক্তি পান মির্জা আব্বাস। এদিন সকালে ঢাকা রেলওয়ে থানার মামলায় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলহাস উদ্দিন শুনানি শেষে তাকে জামিন দেন। মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী জানান, সব মামলায় জামিনের পর বিকেলে জামিননামা কারাগারে পোঁছানোর পরে সন্ধ্যায় মির্জা আব্বাস মুক্তি পান। কারাগারে মুক্তির সময়ে তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার কারাগার থেকে মুক্তি পান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনার পর গত ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলাসহ ১১টি মামলা দেওয়া হয়।
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

কারামুক্ত হয়েই মির্জা আব্বাস বললেন, ‘আন্দোলন চলবে’
সাড়ে তিন মাস কারাগারে বন্দি থাকার পর সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে তিনি কারাফটকে উপস্থিত হলে দলের কয়েকশ নেতাকর্মী মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে ও ফুল ছিটিয়ে তাকে বরণ করে নেন। সেইসঙ্গে কর্মীরা ‘মির্জা আব্বাস ভাইয়ের ভয় নাই, আমরা আছি তোমার সাথে’, ‘মির্জা আব্বাসের ভাইয়ের মুক্তি আন্দোলনের শক্তি’সহ ইত্যাদি স্লোগান দেন। এ সময় নেতাকর্মীদের প্রতি হাত তুলে অভিবাদন জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, আমাদের গণতন্ত্র ফেরানোর মুক্তির আন্দোলন চলবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, কারাগারে চিকিৎসার অপ্রতুলতায় নেতাকর্মীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দ্রুত সুচিকিৎসার দাবি জানান মির্জা আব্বাস। কারাগারে মুক্তির সময়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীসহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার অভিযোগসহ ১১টি মামলায় জামিন পেয়ে সোমবার মুক্তি পান মির্জা আব্বাস। এদিন সকালে ঢাকা রেলওয়ে থানার মামলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলহাস উদ্দিন শুনানি শেষে তাকে জামিন দেন। মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী জানান, সব মামলায় জামিনের পর বিকেলে জামিননামা কারাগারে পৌঁছানোর পরে সন্ধ্যায় মির্জা আব্বাস মুক্তি পান। কারাগারে মুক্তির সময় তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার কারাগার থেকে মুক্তি পান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনার পর গত ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলাসহ ১১টি মামলা দেওয়া হয়।
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

কারামুক্ত হলেন মির্জা আব্বাস
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস কারামুক্ত হয়েছেন। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে কারামুক্ত হন তিনি। আইনজীবী মহি উদ্দিন চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, বিএনপির নেতা মির্জা আব্বাসের ঢাকা রেলওয়ে থানার মামলায় জামিন হয়েছে। জামিননামা কারাগারে পৌঁছানোর পর নিয়ম অনুযায়ী তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে। এর আগে সোমবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলহাস উদ্দিনের আদালত ঢাকা রেলওয়ে থানার মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন। এ নিয়ে তিনি সব মামলায় জামিন পেলেন। গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা হয়। শাহজাহানপুর থানার নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এ মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে ৫ নভেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ২৪ জানুয়ারি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা রেলওয়ে থানার আরেক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি মির্জা আব্বাসের পল্টন থানার পাঁচ এবং রমনা মডেল থানার চার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। পরে ৫ ফেব্রুয়ারি পল্টন থানার চার ও রমনা মডেল থানার দুই মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানপুর, পল্টন থানা ও রমনা মডেল থানার পৃথক আরও তিন মামলায় ও গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রমনা মডেল থানার প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় জামিন পান তিনি।
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সন্ধ্যায় মুক্তি পেতে পারেন মির্জা আব্বাস
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস আজ সোমবার সন্ধ্যায় কারামুক্তি পেতে পারেন। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান দলটির চেয়ারপার্সনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার। তিনি জানান, বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত হবেন। এর আগে সোমবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলহাস উদ্দিনের আদালত ঢাকা রেলওয়ে থানার মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন। এ নিয়ে তিনি সব মামলায় জামিন পেলেন। এক্ষেত্রে মির্জা আব্বাসের কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মহি উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, মির্জা আব্বাস সব মামলায় জামিন পেয়েছেন। এখন কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই। জামিননামা কারাগারে পৌঁছালেই তিনি কারামুক্ত হবেন। গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা হয়। শাহজাহানপুর থানার নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এ মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে ৫ নভেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ২৪ জানুয়ারি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা রেওলয়ে থানার আরেক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি মির্জা আব্বাসের পল্টন থানার পাঁচ এবং রমনা মডেল থানার চার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। পরে ৫ ফেব্রুয়ারি পল্টন থানার চার ও রমনা মডেল থানার দুই মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানপুর, পল্টন থানার ও রমনা মডেল থানার পৃথক আরও তিন মামলায় ও গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রমনা মডেল থানার প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় জামিন পান তিনি।
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় জামিন পেলেন মির্জা আব্বাস
প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় রাজধানীর রমনা থানায় করা মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এ নিয়ে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে গত ২৮ অক্টোবরের পর করা ১১টি মামলার মধ্যে ১০টি মামলায় জামিন পেলেন তিনি।   মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, গত ২৮ অক্টোবরের পর রাজধানীর পল্টন থানায় মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা হয়। আর রমনা থানায় মামলা হয় ৪টি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ঢাকা রেলওয়ে থানায় আরও একটি মামলা হয়। এর মধ্যে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলায় জড়িত অভিযোগে করা মামলায় আজ জামিন পেলেন মির্জা আব্বাস। ঢাকা রেলওয়ে থানায় করা মামলা ছাড়া অপর ১০টি মামলায় জামিন পেয়েছেন মির্জা আব্বাস। প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা হয়। এর মধ্যে শাহজাহানপুর থানার নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে এ মামলায় গত ১ নভেম্বর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ৫ নভেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে কারাগারে আটক রয়েছেন তিনি।
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
*/ ?>
X