

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল নেদারল্যান্ডস। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২.৪ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়েই ১০৫ রান সংগ্রহ করেছিল ডাচরা। কিন্তু এরপরই যেন খেই হারিয়ে ফেলে নেদারল্যান্ডস।
শেষ পর্যন্ত সবকটি উইকেট হারিয়ে ফেলা ডাচরা ওভার পূর্ণ করতে পারেনি। ১৯.৫ ওভারে মাত্র ১৪৭ রানেই গুটিয়ে যায় কমলা রঙের জার্সিধারীরা। বিশেষ করে শেষ দিকে পাকিস্তানের বোলারদের দুর্দান্ত বোলিং নৈপূন্যে দাঁড়াতেই পারেনি নেদারল্যান্ডস। এই সময়ে ডাচ ব্যাটাররা ছিলেন কেবলই আসা যাওয়ার মিছিলে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে এদিন টস জিতে ডাচদের আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আগা। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা মন্দ করেনি নেদারল্যান্ডস। ওপেনার মাইকেল লেভিট ও মিডল অর্ডারের দৃঢ়তায় ১২.১ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১০০ রান তুলে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিতই দিচ্ছিল তারা। কিন্তু ১০৫ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর যেন তাসের ঘরের মতোই ভেঙে পড়ে তাদের ব্যাটিং লাইনআপ।
১২৭ রান থেকে ১৪৭ রানে পৌঁছাতেই শেষ ৬টি উইকেট হারায় ডাচরা। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারও খেলতে পারেনি তারা। ডাচদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান আসে অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসের ব্যাট থেকে। এছাড়া বাস ডি লিড ৩০ এবং ওপেনার মাইকেল লেভিট করেন ২৪ রান।
২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানের সফল বোলার সালমান মির্জা। ৩.৫ ওভার বল করে ২৪ রানের বিনিময়ে ডাচদের মূল্যবান তিন উইকেট লাভ করে নেন তিনি। এছাড়া, সমান দুটি করে উইকেট লাভ করেন মোহাম্মদে নেওয়াজ, আবরার আহমেদ এবং সাইম আইয়ুব। এছাড়া শাহিন আফ্রিদি একটি উইকেট দখল করেন।
জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ১৪৮ রান।