

যোগব্যায়াম এমন একটি অনুশীলন, যা জীবনের যেকোনো পর্যায়ে মানুষের জন্য উপকারী এবং দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে এটি গ্রহণ করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কলকাতার রেড রোডে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘২১ জুন, যা পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ দিন হিসেবে পরিচিত, এখন যোগের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক উদযাপনের দিন হয়ে উঠেছে। যোগ মানুষকে একত্র করে। এই উপলক্ষে আমি বিশ্বের সকল মানুষকে শুভেচ্ছা জানাই।’ খবর এনডিটিভির।
২০২৬ সালের ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘যোগ ফর হেলদি এজিং’। এই থিমে বলা হয়েছে, যোগব্যায়াম কোনো নির্দিষ্ট বয়সের জন্য সীমাবদ্ধ নয়; বরং জীবনের যেকোনো পর্যায়ে এটি সবার জন্যই উপকারী।
নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, ‘যখন আমরা হেলদি এজিংয়ের জন্য যোগের কথা বলি, তখন এর অর্থ হলো বয়স যেন মানুষের সম্ভাবনাকে কমিয়ে না দেয়। যোগ মানুষের জীবনকে ধারাবাহিকভাবে উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত ৪০ বছরে ২০ বছরের চেয়েও বেশি নমনীয় থাকা, ৫০ বছরে ৩০ বছরের চেয়েও বেশি প্রাণবন্ত থাকা এবং ৭০ বছরে ৫০ বছরের চেয়েও বেশি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখা। এ ক্ষেত্রে যোগ আমাদের সাহায্য করতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী যোগব্যায়ামকে শুধু শারীরিক ব্যায়াম নয় বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘যোগ শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি কোনো নির্দিষ্ট বয়সের মধ্যে সীমাবদ্ধও নয়। এটি মানব আত্মার একটি প্রকাশ।’
সবশেষে মোদি বলেন, নিয়মিত যোগব্যায়াম মানুষকে নিজের শরীর ও মনের সম্পর্কে আরও সচেতন করে তোলে। তিনি বলেন, ‘যোগ আমাদের শেখায় জীবনের শেষ পর্যন্ত শেখার মানসিকতা বজায় রাখতে। তাই ‘হেলদি এজিং’ থিমটি শুধু বয়স্কদের জন্য নয়, সব বয়সের মানুষের জন্যই প্রযোজ্য।’