মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজায় বাস্তবে এখনো যুদ্ধবিরতি হয়নি : কাতারের প্রধানমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

গাজায় যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা এখন ‘গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে’ আছে বলে জানিয়েছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল-থানি। তিনি বলেন, এখন যে অবস্থা চলছে, তাকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি বলা যাবে না; এটি শুধু একটি বিরতি মাত্র। খবর রয়টার্সের।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দোহা ফোরামে তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি তখনই বলা যাবে যখন ইসরায়েলি সেনারা পুরোপুরি সরে যাবে, গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে এখনো সেটি হয়নি।

২০২৩ সালের অক্টোবরের হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের পর কাতারসহ কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। সহিংসতা কমলেও ইসরায়েলি হামলা থামেনি। শনিবারও গাজা উপত্যকার কয়েকটি এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া যুদ্ধ থামানোর পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা চলছে। ইসরায়েলি প্রতিনিধি দল কায়রোতে গিয়ে শেষ জিম্মির মরদেহ ফেরত আনার বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে।

যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর হামাস প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে ২০ জীবিত জিম্মি এবং ২৭ মরদেহ ফিরিয়ে দিয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, শেষ জিম্মির মরদেহ ফেরত পেলেই রাফা ক্রসিং দিয়ে গাজায় যাতায়াত খুলে দেওয়া হবে।

ট্রাম্পের পরিকল্পনায় গাজায় একটি অন্তর্বর্তী টেকনোক্র্যাট সরকার এবং আন্তর্জাতিক শান্তি পর্ষদের তত্ত্বাবধানের কথা আছে। তবে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীর গঠন এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

গাজায় এখনও ইসরায়েলি হামলা চলছে। ইসরায়েল বলছে, তারা হামাসকে লক্ষ্য করেই অভিযান চালাচ্ছে। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শনিবার উত্তর গাজার কয়েকটি এলাকায় হামলায় ৭ জন মারা গেছে, যার মধ্যে ৭০ বছর বয়সী এক নারীও রয়েছেন।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, ‘ইয়োলো লাইন’ অতিক্রম করার সময় দুই ঘটনায় তিনজন ফিলিস্তিনি জঙ্গি নিহত হয়েছে। যদিও ড্রোন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

কালবেলা/পিআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রক্ত, আতঙ্ক আর দীর্ঘশ্বাসে লেখা ২১ জুলাই: যে দিন সাভারের আকাশ ভারী হয়েছিল কান্নায়

সংশোধন নয়, সংস্কারের মধ্যে দিয়ে নতুন সংবিধানের কথা বলেছিলাম আমরা : আখতার হোসেন 

নিবন্ধন পেল বাংলা পোস্ট

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ জানাল তিতাস

ডেঙ্গুর আর্থিক ক্ষতি বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা: ডা. মোসলেহ উদ্দীন

বাজার থেকে আরও ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়া সরকারের উদ্যোগ

ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের ৫ কারণ 

কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও ২ শ্রমিকের মৃত্যু

১০

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কৌশল বুঝে ফেলেছে ইরান: গালিবাফ

১১

অস্ত্রোপচারে ড্রিলের ফলা রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

১২

ভারতে প্রথম ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন, কারা নিতে পারবেন

১৩

উগ্রবাদে জড়িতের অভিযোগে গ্রেপ্তার মামুন রিমান্ডে

১৪

ভূয়াপুর-তারাকান্দি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

১৫

নেত্রকোনায় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, সড়কে ধস

১৬

অস্ট্রেলিয়ায় আহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় প্রবাসীদের মানবিক উদ্যোগ

১৭

এফওপিএল নীতিমালা দ্রুত চূড়ান্তের আহ্বান, নীতি পর্যালোচনায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর

১৮

বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম / থার্ড টার্মিনাল চালাতে সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাপানের সঙ্গে চুক্তি

১৯

নিজের স্বার্থের জন্য দেশকে বিক্রি করা চলবে না: ফয়জুল করীম

২০
X