

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন উপলক্ষে ৪ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ছয় দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দেশটির শহীদ সদর দপ্তর। ইরানের রাজধানী তেহরান, কোম, নাজাফ, কারবালা ও মাশহাদ শহরে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ৪ ও ৫ জুলাই তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় বিদায়ী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে। ৬ জুলাই ইরানের রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। খামেনির মরদেহের সঙ্গে আরও চারজন নিহত ব্যক্তির মরদেহ বহন করা হবে।
৭ জুলাই কোমে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ৮ জুলাই মরদেহ ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। ৯ জুলাই মাশহাদের ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে খামেনিকে দাফন করা হবে।
এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, খামেনির জানাজায় পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেবে। জাতীয় পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপে তিনি এই আশ্বাস দিয়েছেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের এসব কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
খামেনির মৃত্যুর পর ইরানজুড়ে বর্তমানে শোকের আবহ বিরাজ করছে। দেশটির বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক সংগঠন তার স্মরণে নানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।
উল্লেখ্য, ইরানের ওপর ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলা শুরুর মুখে, গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি নিজের কার্যালয়ে নিহত হন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি। সে সময় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হন।
আয়াতুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০২৬ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত ৩৬ বছর ছয় মাস এই পদে ছিলেন তিনি।