কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩১ পিএম
আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে বড় অনিশ্চয়তায় ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিলেও নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বুধবার তিনি শুধু বলেন, ওয়াশিংটন আপাতত তেহরানের ওপর চলমান চাপ বজায় রাখবে এবং ইরানের কাছ থেকে ‘পরবর্তী আলোচনার প্রস্তাবের’ জন্য অপেক্ষা করবে।

ট্রাম্প নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ না করলেও তার সামনে আইনি সীমা রয়েছে। এটি মার্কিন কংগ্রেস-সম্পর্কিত অভ্যন্তরীণ সময়সীমা। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত রেজুলেশন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের ১ মের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, কোনো চলমান সামরিক অভিযানে ৬০ দিনের বেশি সময় সেনা মোতায়েন রাখতে হলে কংগ্রেসের বিশেষ অনুমোদন প্রয়োজন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অনুমোদনের জন্য প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ও সিনেট— উভয় কক্ষেই সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় একটি যৌথ প্রস্তাব পাস করতে হয়। তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

কী এই যুদ্ধক্ষমতা আইন?

১৯৭৩ সালের এই ফেডারেল আইনটি প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ শুরু বা বিদেশে সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষমতা সীমিত করার জন্য তৈরি করা হয়। আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টকে সামরিক অভিযান শুরুর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কংগ্রেসকে জানাতে হয় এবং সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত অভিযান চালাতে পারেন। এর পর কেবল ৩০ দিনের একটি অতিরিক্ত সময় পাওয়া যায়। তবে এজন্য কংগ্রেসের অনুমোদন বা দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পরিচালনার অনুমতি প্রয়োজন হয়।

কলোরাডো ল’ স্কুলের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মারিয়াম জামশিদি বলেন, ৬০ দিনের সময়সীমা ৩০ দিন বাড়াতে হলে প্রেসিডেন্টকে লিখিতভাবে কংগ্রেসকে জানাতে হবে। এমনকি এটি ‘অপরিহার্য সামরিক প্রয়োজনে’ করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করতে হবে।

তিনি বলেন, ৯০ দিনের এই সময়সীমার পর কংগ্রেস যদি যুদ্ধ ঘোষণা বা অনুমোদন না দেয়, তাহলে প্রেসিডেন্টকে বাধ্যতামূলকভাবে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। তবে বাস্তবে কংগ্রেসের পক্ষে প্রেসিডেন্টকে এই নিয়ম মানতে বাধ্য করার স্পষ্ট আইনি উপায় নেই। অতীতেও অনেক প্রেসিডেন্ট এই ধারা মানেননি এবং এটিকে অসাংবিধানিক বলে দাবি করেছেন।

কংগ্রেস কি অনুমোদন দেবে?

বর্তমান পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা অনিশ্চিত। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে গভীর বিভাজন রয়েছে। সিনেটে গত ১৫ এপ্রিল যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত করার একটি প্রস্তাব ৫২-৪৭ ভোটে বাতিল হয়, যেখানে দলীয় বিভাজনই ছিল প্রধান কারণ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ত্রিশালে নজরুল সিটির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অভিজ্ঞতা ছাড়াই ১০০ জনকে চাকরি দেবে প্রাণ গ্রুপ

বাংলাদেশের জ্বালানি ভবিষ্যতের জন্য যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োজন, সেই পথেই গবেষক এমডি আজম খান

কিয়েভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত ৮, আহত ৩৪

পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং বাস্তবায়ন নিয়ে যে তথ্য দিলেন অর্থ উপদেষ্টা

আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল ২০২৬ / ৩২ বিশ্ববিদ্যালয়ের লড়াইয়ে চ্যাম্পিয়ন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

বাবার মৃত্যুশোকে পেনাল্টিতে শট নেননি ফুটবলার

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি পরিদর্শনে স্লোভেনিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য টাডেজ স্ল্যাপনিক

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ঘণ্টা বাজার পরেই শুনলেন বাবাও বেঁচে নেই

১০

৮৬ মিনিট পর্যন্ত ২ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষে বিদায়, মানতেই পারছেন না কোচ

১১

আরব সাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর হেলিকপ্টারের জরুরি অবতরণ

১২

ব্যাংককে আকিজ সিমেন্টের বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

১৩

ইয়ামালকে নিয়ে বড় সুখবর দিলেন স্পেনের কোচ

১৪

‘আমার আব্বা সাংবাদিক, চাচা আইনমন্ত্রী’ রাবি ছাত্রদল কর্মীর হুঁশিয়ারি

১৫

টানা কমার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

১৬

নতুন দায়িত্বে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

১৭

পুলিশ সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর: চট্টগ্রামের এসপি

১৮

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত

১৯

পে-স্কেল কার্যকর, শেষের ১০ গ্রেডের বেতন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

২০
X