

চলমান আলোচনার অংশ হিসেবে ইরান ভবিষ্যতে মার্কিন ডলারে তেল বিক্রি করতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ডলারে তেল বেচাকেনা শুরু হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে মার্কিন মুদ্রার প্রভাব আরও শক্তিশালী হবে। আর বিশ্ববাণিজ্যের কেন্দ্রীয় মুদ্রা হিসেবে ডলারের অবস্থান ধরে রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনায় দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা, ইরানের তেল রপ্তানি এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ৬০ দিনের জন্য একটি ছাড় ঘোষণা করে। এর ফলে আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরান ডলারে অপরিশোধিত তেল, পেট্রোকেমিক্যাল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি করতে পারবে।
এছাড়া বিদেশে আটকে থাকা ইরানের কিছু অর্থ ছাড়ের বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এই অর্থের একটি বড় অংশ খাদ্য ও ওষুধ কেনার কাজে ব্যবহৃত হবে।
তবে ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, মুক্ত হওয়া অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হবে, সে সিদ্ধান্ত তেহরানই নেবে। খাদ্য বা কৃষিপণ্য কেনার ক্ষেত্রে তারা দাম ও মান বিবেচনা করবে, কোনো দেশের শর্ত নয়।
এদিকে ডলারে তেল বিক্রির সুযোগ পেলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে ইরানের অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক চাপ কিছুটা কমতে পারে।