রোকন উদ্দীন
প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

দরকষাকষির দুর্বলতায় ঠকছে বাংলাদেশ

চুক্তির ধারা নিয়ে থাকে আপত্তি
দরকষাকষির দুর্বলতায় ঠকছে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দেশে বাড়ছে অসন্তোষ। বাংলাদেশ যে চুক্তিতে ঠকেছে—এ বিষয়ে প্রায় সবাই একমত। সর্বশেষ জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তির (ইপিএ) অনেক ধারার বিষয়েও আপত্তি রয়েছে। অনেকের মতে, ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি (আইপি) চুক্তিসহ জাপানের সঙ্গে করা ইপিএতে এমন কিছু ধারা রয়েছে; যাতে বাংলাদেশ সুবিধা পাওয়ার চেয়ে অসুবিধায় পড়বে বেশি।

এ দুটি চুক্তি উদাহরণ মাত্র। ট্রেড নেগোসিয়েশন বা বাণিজ্য দরকাকষাকষিতে দুর্বলতার কারণে প্রায়ই আন্তর্জাতিক চুক্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাংলাদেশ। সুবিধা আদায় করার চেয়ে প্রতিপক্ষকে সুবিধা বেশি দিতে হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও দরকষাকষিতে দক্ষতা না থাকা; বিষয়ভিত্তিক জানাশোনায় ঘাটতি এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিশ্লেষণ করতে না পারাসহ নানা কারণে আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোকে বাংলাদেশ ঠকছে। এ ছাড়া প্রশাসনে যারা অভিজ্ঞ হয়ে ওঠেন, তাদের ধরে রাখতে না পারা; অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা দ্রুত বদলি হয়ে যাওয়া; নেগোসিয়েশনের সময় কিছু কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণের আগ্রহসহ আরও বেশি কিছু কারণের কথা বলেছেন ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য পেশাদার ও দক্ষ বাণিজ্য নেগোশিয়েটর তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

তাদের মতে, চুক্তি নিয়ে নেগোসিয়েশনের জন্য আলাদা একটি বিভাগ বা শাখা (উইং) থাকার দরকার। এ উইংয়ে যারা থাকবেন, তাদের বদলি করা যাবে না। তাদের ই-কমার্স, রুলস অব অরিজিন, শুল্ক, ডব্লিউটির নীতিমালাসহ ট্রেড সংশ্লিষ্ট সব আইনকানুন বিষয়ে শিক্ষা দিতে হবে। বাণিজ্য-সংক্রান্ত দরকষাকষিতে পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা, মেধাস্বত্ব, পরিবেশগত মান এবং শ্রম অধিকারের মতো বিষয়গুলো ভালোভাবে জানতে হবে। কারণ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির দরকষাকষিতে এসব বিষয় প্রধান ভূমিকা পালন করে।

এসব প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নিয়ে আলাদা আলাদা দল তৈরি করা যেতে পারে বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের ভাষ্য, এসব দলের একেকজন একেক বিষয়ে বিশেষজ্ঞতা অর্জন করবে। চুক্তির আলোচনার সময় যখন যে বিষয়ে আলোচনা হবে, তখন সেই বিশেষজ্ঞ দলকে পাঠাতে হবে। কোনো চুক্তির আগে তাদের দিয়ে সার্ভে করাতে হবে।

সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার এনহ্যান্সড ইন্টিগ্রেটেড ফ্রেমওয়ার্কের (ইআইএফ) পরামর্শক হাফিজুর রহমান কালবেলাকে বলেন, ‘যখন প্রতিপক্ষ বুঝে যায় যে, আপনার দরকষাকষির খুব একটা দক্ষতা নেই; কিংবা চুক্তি করতে আপনি তাড়াহুড়া করছেন, তখন তারা সেই সুযোগটা নেয়। নেগোসিয়েশনে দক্ষতা অর্জনের বড় অন্তরায় হলো, আমাদের দক্ষ কর্মকর্তাদের ধরে রাখতে না পারা। তাদের বদলি করে দেওয়া হয়। অনেক সময় এমনও হয়েছে, কোনো একটা চুক্তির বিষয়ে চলমান আলোচনার মধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অন্যত্র বদলি হয়ে গেছেন। আবার চুক্তির আলোচনায় বিদেশে যেতে অনেক কর্মকর্তার তদবিরও থাকে। অথচ একজন কর্মকর্তা নেগোসিয়েশনে গেলে তাকে ট্রেড পলিসি জানতে হয়, শুল্ক বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান ও বিশ্লেষণের দক্ষতা থাকতে হয়, ডব্লিউটির নীতিমালা মুখস্থ থাকতে হয়; রুলস অব অরিজিন,

ই-কমার্স, পণ্যের ধরনসহ ৮ থেকে ১০ ধরনের এরিয়াতে তার দক্ষতা থাকতে হয়। এসব জ্ঞান ও বিশ্লেষণক্ষমতা থাকলেই কেবল কোনো একটা আন্তর্জাতিক চুক্তির বিষয়ে আলোচনায় বসতে পারে। কারণ অন্য দেশগুলো এসব বিষয়ে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ।’

তিনি আরও বলেন, ‘অতীতে দেখা গেছে, আমাদের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিগুলো হয়েছে খুব অল্প সময়ের মধ্যে। যেখানে অনেক দেশ একটা চুক্তি করতে ১০ বছর পর্যন্ত পর্যালোচনা করে, সেখানে আমরা ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে একটা চুক্তি করে ফেলছি।’

আগামী তিন বছর পর ২০২৯ সালে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বের হয়ে যাবে বাংলাদেশ। তখন উন্নত দেশগুলো থেকে আর বাণিজ্য সুবিধা পাওয়া যাবে না। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যমান রপ্তানির ধারা বজায় রাখতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করার আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। তবে এ চুক্তির ক্ষেত্রে রপ্তানির পাশাপাশি বিনিয়োগ, সেবা ও জনশক্তিকেও প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে রপ্তানি বাজার সংরক্ষণ, সম্প্রসারণ ও বিভিন্ন দেশের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাওয়ার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশ ও ট্রেড ব্লকের সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ), মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পাদনের নীতি নিয়েছে। এরই মধ্যে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে জাপানের সঙ্গে একটি ইপিএ সই করেছে বাংলাদেশ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বেশ কিছু দেশ ও ট্রেড ব্লকের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি (আরটিএ) সম্পাদনে নোগোসিয়েশন বা আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু করছে। চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যে আরও তিন থেকে চারটি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত হবে চলতি মাসেই। দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (ইপিএ) করার লক্ষ্যে প্রথম দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধিদল দেশটিতে গিয়ে আলোচনা করেছে। এ ছাড়া সিঙ্গাপুরের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গেও আনুষ্ঠানিকভাবে মূল পর্ব অর্থাৎ নেগোসিয়েশন বা দরকষাকষি পর্ব শুরু করেছে বাংলাদেশ। মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। পরবর্তী সময়ে এফটিএ করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, চীন, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ব্রাজিল, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া ও সৌদি আরবের নামও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তালিকায় রয়েছে। এ ছাড়া বিমসটেকের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে এ জোটসহ অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের সঙ্গেও এফটিএ করার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।

ধারাবাকিভাবে অনেক দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা হলেও এ বিষয়ে নেই বিশেষজ্ঞ টিম বা বিভাগ। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা সংস্থা থেকে অন্যান্য দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের নিয়েই চলছে চুক্তির জন্য আলোচনা। ফলে দরকষাকষির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বিশেষজ্ঞ ও বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীদের মধ্যে। তারা বলছেন, নেগোসিয়েশন সক্ষমতা বাড়ানো আমাদের জন্য এখন খুবই জরুরি। এক্ষেত্রে বেশ কিছু সুপারিশ করেছেন তারা।

ট্যারিফ কমিশনের সাবেক সদস্য ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) ফেলো ড. মোস্তফা আবিদ খান কালবেলাকে বলেন, ‘দেশের ট্রেড নেগোসিয়েশনের দক্ষতা আরও অনেক বাড়াতে হবে। আমরা বহুদিন ধরে শুনে আসছি একটা নেগোসিয়েশন ইউং বা ডিপার্টমেন্ট করা হবে, কিন্তু হয়নি। অথচ এটা করা দরকার। কারণ এখন যাদের নেগোসিয়েশনে পাঠানো হয়, তাদের অনেকেই আরও দশটা কাজে নিয়োজিত থাকেন। ফলে এ বিষয়ে যতটা সময় দেওয়ার দরকার সেটা তারা দিতে পারেন না। এ গ্রুপে তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে আসতে হবে। যাতে দীর্ঘ মেয়াদে একটা দক্ষ টিম তৈরি হয়। অনেক দেশেই এ চর্চাটা রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ার আগে নিজেদের মধ্যে বিতর্কের মাধ্যমে জানাবোঝার জায়গাটা ঝালাই করে নিতে হবে। কোনটা করা যাবে, কোনটা করা যাবে না—এসব বিষয় নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘সবার আগে দরকার ব্যাকগ্রাউন্ড পেপারগুলো ভালোভাবে রিসার্চ করা; প্রতিপক্ষের পলিসিগুলো ভালোভাবে জানা। চুক্তিগুলোকে বিভিন্ন কোণ (অ্যাঙ্গেল) থেকে দেখতে হবে। সরকার একটা পুল তৈরির কথা বলছে, এটাও ভালো উদ্যোগ।’ ‘নেগোশিয়েটর পুল’ তৈরির পরিকল্পনা: বর্তমানে যে কোনো ট্রেড নেগোসিয়েশনে বাংলাদেশের হয়ে নেতৃত্ব দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (এফটিএ) নামে একটি বিভাগও রয়েছে। তবে আলোচনায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও রাখা হয়। এক্ষেত্রে ট্যারিফ কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাই বেশি থাকেন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ট্রেড নেগোসিয়েশনের দুর্বলতার বিষয়টি এরই মধ্যে সরকার বুঝতে পেরেছে। এজন্য সরকার একটি নেগোশিয়েটর পুল তৈরির পরিকল্পনা করেছে। সরকার প্রাথমিকভাবে এই পুলে ১৫০ জন সদস্য থাকবেন। বাণিজ্য মন্ত্রণাল ছাড়াও এই পুলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যেমন—কাস্টমস বা এনবিআর, আইসিটি এবং শিল্প মন্ত্রণালয়। কোনো বড় বাণিজ্যিক চুক্তি শুরু হলে এই ১৫০ জনের পুল থেকেই নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের আলোচনার জন্য নির্বাচন করা হবে। এর মাধ্যমে সরকার সহজেই জানতে পারবে কার সক্ষমতা কতটুকু এবং কাকে কোন বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞ টিমে কর্মকর্তাদের যোগ করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপি এবং জাইকার দেওয়া প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এই নেগোশিয়েটর পুল পরিচালনার জন্য সরকার একটি গাইডলাইন বা নির্দেশিকা তৈরি করছে। এরই মধ্যে এর একটি খসড়া বা কনসেপ্ট নোট তৈরি করা হয়েছে। গাইডলাইন অনুসারে, যদি কোনো দক্ষ নেগোশিয়েটর সরকারি চাকরি থেকে অবসরে যান, তবে তাকে চুক্তির ভিত্তিতে বা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের বিনিময়ে এই পুলে রাখার বিষয়টিও পরিকল্পনায় রয়েছে; যাতে তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা নেগোসিয়েশনে কাজে লাগানো যায়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মর্তারা বলছেন, এই পুল গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো একটি স্থায়ী টিম গঠন করা। বর্তমানে কোনো কর্মকর্তা বদলি হয়ে গেলে ওই বিষয়ের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান বা আলোচনার ধারাবাহিকতা হারিয়ে যায়। পুল থাকলে একজন কর্মকর্তা চলে গেলেও আলোচনার তথ্য ও কৌশল সংরক্ষিত থাকবে। এই কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ইউএনডিপি এবং জাইকার প্রশিক্ষণ মডেলগুলো সমন্বয় করে একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করা হবে। কর্মকর্তাদের শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান বা কাগজে-কলমে শিক্ষা নয়; বরং ব্যবহারিক বা প্র্যাক্টিক্যাল অভিজ্ঞতার ওপর জোর দেওয়া হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (এফটিএ) মো. ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ কালবেলাকে বলেন, ‘নেগোশিয়েটর পুল তৈরি করতে এরই মধ্যে আমরা কয়েকটি বৈঠক করেছি। আশা করছি দ্রুতই এটার কাজ শেষ করতে পারব। ইউএনডিপি ও জাইকা যাদের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, আমরা মূলত তাদের মধ্য থেকে বাছাই করে পুলে যোগ করব। জাইকা আমাদের ৪৭ জন কর্মকর্তাকে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আর ইউএনডিপি দিচ্ছে তাত্ত্বিক জ্ঞান।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাপানের সঙ্গে আমরা যখন ইপিএ করার জন্য আলোচনা শুরু করেছি, তখন দেখেছি মেধাসম্পদ বা আইপিআর পরিদর্শনে বাংলাদেশে মাত্র দুই থেকে তিনজন পরিদর্শক থেকেছেন। অন্যদিকে জাপানে পরিদর্শক রয়েছেন প্রায় ৩ হাজার ৬০০ জন। জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি আলোচনায় আমাদের পক্ষে অন্তত ২০০ জন যুক্ত ছিল। আর জাপান থেকে ৯০ জন সশরীরে এসেছিলেন। কিন্তু অনলাইনে তাদের আরও ২০০ জন যুক্ত ছিলেন। এ থেকে বোঝা যায়, তারা কতটা এগিয়ে। সে বিবেচনা থেকে জাপানের মতো করে আমাদেরও দক্ষ নেগোশিয়েটর অনেক বেশি বাড়ানোর চেষ্টা করছি।’ বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান কালবেলাকে বলেন, ট্রেড নেগোসিয়েশনে দুর্বলতা নেই। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সবসময় নেগোসিয়েশন দক্ষতা বৃদ্ধির চেষ্টা করে যাচ্ছে। দক্ষতা বৃদ্ধি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এ বছরও একটা কারিগরি প্রকল্প গ্রহণ করা হবে, যা ২০৩০ পর্যন্ত চলবে।

কালবেলা/এফএফ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভিডিও বিতর্কে গাজী নজরুলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ জামায়াত এমপি এনামুলের

অভিজ্ঞতা ছাড়াই ১০০ জনকে নিয়োগ দেবে প্রাণ গ্রুপ, আবেদন শেষ ৩১ জুলাই

‘তাদের উচ্ছ্বাস আমার পুরো দিনটাকে আনন্দময় করে তুলল’

ফের পিছিয়ে উত্তর কোরিয়ার কাতারে বাংলাদেশের পাসপোর্ট

৩০০ তরুণ-তরুণীকে চাকরি দেবে বেসরকারি সংস্থা, বেতন ১৮ হাজার

ফ্রান্সে দাবানলে পুড়েছে ৬ হাজার একরের বেশি এলাকা

সাতক্ষীরায় গাজী নজরুলের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস নেতাদের সাক্ষাৎ

সাতক্ষীরায় চড়া পেঁয়াজ-রসুনের দাম, বিপাকে ক্রেতারা

আজও বিশ্ববাজারে বাড়ল রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দাম

১০

সড়কের পাশে যুবকের মরদেহ, হত্যার দাবি পরিবারের

১১

শাহ্ সিমেন্টের টাইটেল স্পন্সরশিপে আসছে আতিফ আসলামের মেইন স্টেজ শো

১২

পুরোনো ফোন কেনার সময় যে ১০ বিষয়ে অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিত

১৩

ইরানের হাতে হরমুজ গেলে বিশ্বজুড়ে ঝুঁকি তৈরি হবে: রুবিও

১৪

ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল

১৫

লন্ডনের আন্তর্জাতিক স্কাউট জাম্বুরিতে যোগ দিচ্ছে শরীয়তপুরের ৩ স্কাউট

১৬

ইরানের বুশেহর প্রদেশে ৩ স্থানে মার্কিন হামলা

১৭

ফের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে স্পেন-আর্জেন্টিনা!

১৮

এই ৪ অভ্যাস আছে? ভাইরাল হতে পারে আপনার ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি-ভিডিও

১৯

ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৪

২০
X