

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ভাড়া নেওয়া একটি পণ্যবাহী জাহাজ কেটে বিক্রির অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় নজরুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারগাঁও থানা পুলিশ। মামলাটি দায়ের করেছেন রাকেশ শর্মা নামের চট্টগ্রামের একজন ব্যবসায়ী। মামলায় মেঘনা শিপইয়ার্ড মালিকের ছেলেকেও আসামি করা হয়েছে। তবে মালিকের দাবি, তারা ইয়ার্ড ভাড়া দিয়েছিলেন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের ফাঁসানো হচ্ছে।
বাদী রাকেশ শর্মা মামলায় উল্লেখ করেন, মালামাল পরিবহনের উদ্দেশে জাফর নামে একজন তার কাছ থেকে এক মাসের জন্য জাহাজটি ভাড়া নেন। পরে জাহাজটি সোনারগাঁয়ের কাদিরগঞ্জ এলাকার একটি শিপইয়ার্ডে নিয়ে সেটি ভেঙে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
মামলার আসামিরা হলেন—মো. জাফর, নজরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, এমদাদুল হক, জাফর মিয়া, শাহাদাত হোসেন। গত বুধবার নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। তিনি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার চরবগুলা গ্রামের ইমানুল হকের ছেলে।
মেঘনা শিপইয়ার্ডের মালিক রফিকুল ইসলাম তার প্রতিষ্ঠানে কেবল জায়গা ভাড়া দিয়েছিলেন দাবি করে বলেন, ‘জাফর ও নজরুল একটি স্ট্যাম্প করে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় জায়গা ভাড়া নিয়েছিল। তারা জাহাজের প্রকৃত মালিক নয়, জানতে পেরে আমরা পুলিশকে খবর দেই এবং নজরুলকে পুলিশের হাতে তুলে দেই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের রাজনৈতিক অবস্থান নষ্ট করতে একটি মহল আমার ছেলে শাহদাত হোসেনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।’ প্রকৃত ঘটনা যাচাই ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান খান বলেন, ‘জাহাজ কাটার বিষয়ে মামলা রুজু হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।’