কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি সম্ভব

দ্য ডিপ্লোম্যাটকে তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের ভোটে সরকার গঠনের প্রত্যাশা নিয়ে নির্বাচনী মাঠে সরব হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। তিনি বলছেন, ‘আমার প্রতিশ্রুতি জনগণের কাছে, আমার শক্তি জনগণ।’ তার কথায়, এবারকার নির্বাচন শুধু সরকারের বদল নয়, একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লড়াই।

নয়াদিল্লির সাংবাদিক শাহাদাৎ স্বাধীনের নেওয়া এই কথোপকথন গতকাল বুধবার প্রকাশিত হয়। এতে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন এবং দেশের ভবিষ্যৎ শাসন কাঠামো নিয়ে পরিকল্পনা ও অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন। বিএনপি চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হওয়া কঠিন, তবে অসম্ভব নয়।’ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ডিপ্লোম্যাটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি। সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের অঙ্গীকার করেছেন। এটি কি অলীক কল্পনা নয়? যেখানে ২০২৫ সালে বাংলাদেশের জিডিপি ছিল প্রায় ৪৭৫ বিলিয়ন ডলার। সস্তা শ্রম আর পোশাক খাতের ওপর ভর করে বাংলাদেশে কি বাস্তবে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হতে পারবে?

জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘এখন দেশের অর্থনীতি দুটি মূল স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে—পোশাক খাত ও রেমিট্যান্স। আমরা আইটি খাতের ওপর জোর দেব। এর সঙ্গে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, হালকা প্রকৌশল, জুতা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পেও (এসএমই) নজর দেব। এ ছাড়া খাদ্য খাতেরও বড় সম্ভাবনা আছে। পর্যাপ্ত মাছ ও সবজি উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করতে পারি। সৃজনশীল অর্থনীতির সুযোগগুলো খতিয়ে দেখছি।’

ডিসেম্বরে একটি জনমত জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ বিএনপিকে সমর্থন করছে। জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ১৯ শতাংশ। আরেকটি জরিপে দেখা গেছে, ৪৭ শতাংশ মানুষ তারেক রহমানকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে ২২.৫ শতাংশ মানুষ জামায়াত নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল ১৯৭১ সালে, আর ২০২৪ সালের জুলাই বিদ্রোহ সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছিল। মানুষ তাদের প্রাণ দিয়ে গণতন্ত্রের জন্য, বৈষম্যহীন সমাজের জন্য লড়াই করেছে।

তিনি একটি বাসে সফর করছেন, যেটি তার ছোট দলকে আবাসন সুবিধাও দিচ্ছে। সেখানেই সাংবাদিক শাহাদাৎ স্বাধীন তার সঙ্গে কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারের সময় বাস ধীরে চলছিল। রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাজারো মানুষ তাকে হাত নাড়ছিল। অনেকে বাংলাদেশের পতাকা ও বিএনপির পতাকা উড়াচ্ছিল। তারেক রহমান বলেন, ২০০৬ সালে শেষবার মাঠপর্যায়ে এসেছিলাম। তখন মূলত দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা হতো। এখন আমি মানুষের মুখে পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা দেখতে পাচ্ছি। বিশেষ করে তরুণদের সঙ্গে সময় কাটানো, কথা বলা, তাদের সঙ্গে সেলফি তোলা—আমার জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা।

তিনি বলেন, আমরা জেনারেশন জেডকে গুরুত্ব দিচ্ছি। তাদের জন্য চাকরি, কারিগরি শিক্ষা, খেলাধুলা, আইটি খাত ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছি। ‘দ্য প্ল্যান’ নামের এক কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মতামত নিচ্ছি। আমরা জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করব—এটাই আমার অঙ্গীকার।

কালবেলা/এসওআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানকে রাশিয়া ও চীন বিভিন্নভাবে সহায়তা করছে, দাবি পিট হেগসেথের

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ১৮৫ পদে নিয়োগ, আবেদন শুরু আজ

টিভিতে আজকের যত খেলা

মিনিবাস-ট্রাকের সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের

চায়ের গ্লাসে ইস্তাম্বুলের গল্প: প্রতিটি চুমুকে মিশে আছে অটোমান ঐতিহ্য

স্বর্ণের আজকের বাজারদর

জর্ডানে হামলায় নিখোঁজ মার্কিন সেনা নিহত বলে ধারণা পেন্টাগনের

ইতিহাসের এই দিনে স্মরণীয় ঘটনা

২২ জুলাই / আজকের নামাজের সময়সূচি

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হয়ে উঠতে পারেন জোসেফ আউন: ট্রাম্প

১০

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না: ইসি সচিব

১১

ইরানে টানা ১১তম রাতে হামলা করল যুক্তরাষ্ট্র

১২

কুকুরের কামড়ে আহত বিচারক, এক বছরে শতাধিক আক্রান্ত

১৩

‘যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়’ পরিস্থিতির অবসান চান মোজতবা খামেনি

১৪

ব্র্যাক এনজিওতে নিয়োগ, নেই বয়সসীমা

১৫

ইরানের বিরুদ্ধে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম

১৬

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের হামাদান প্রদেশে নতুন করে উত্তেজনা

১৭

বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

১৮

দুপুর ১টার মধ্যে দেশের যেসব অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হতে পারে

১৯

এমপির নির্দেশে উন্মুক্ত হলো তিন বছর ধরে বন্ধ কালভার্ট, জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি ৩০০ পরিবারের

২০
X