

হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে ১১০টি ফ্লাইটে এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজার ৭৭৩ হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। হজ বুলেটিন অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সাত হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজন মক্কায় এবং দুজন মদিনায় মারা যান। বুলেটিনে আরও বলা হয়, সৌদি মেডিকেল টিম ৯ হাজার ১৭৫ হজযাত্রীকে সরাসরি চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেলপডেস্কের মাধ্যমে ৯ হাজার ৭৩০ জন স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেছেন।
হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন জানান, গতকাল রোববার সকাল ১০টা পর্যন্ত মোট ১১০টি ফ্লাইট জেদ্দায় অবতরণ করেছে। এ বছর ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। ৬৬০টি এজেন্সি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে ৩০টি প্রধান এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।
বিমান সংস্থাভিত্তিক তথ্যে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৫১টি ফ্লাইটে ২০ হাজার ৮৫৯ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৩৯টি ফ্লাইটে ১৫ হাজার ৮৮ এবং ফ্লাইনাসের ২০টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ৮২৬ হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। অবশিষ্ট ৩৪ হাজার ৫৪৩ হজযাত্রী পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সৌদি আরবে যাবেন বলেও জানান তিনি। এর আগে, গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৮ হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
হজ অফিসের তথ্যানুযায়ী, মোট হজযাত্রীর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন। এ পর্যন্ত ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস মোট ৭৮ হাজার ৩১৬টি ভিসা ইস্যু করেছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৪৫টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৮৭১টি ভিসা রয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। হজ পালন শেষে আগামী ৩০ মে জেদ্দা থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। আগামী ৩০ জুন শেষ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।