শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
পৃথিলা দাস
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ
প্রাণের মেলা

দোলের রঙে সাজল বইমেলা

দোলের রঙে সাজল বইমেলা

দীর্ঘ প্রতীক্ষা, সংশয় আর আলোচনা-সমালোচনা পেরিয়ে অবশেষে শুরু হয়েছে অমর একুশে বইমেলা। জাতীয় নির্বাচন ঘিরে অনিশ্চয়তা, আয়োজনের সময় নিয়ে বারবার আলোচনার টেবিল বদল, ডিসেম্বরে করার প্রাথমিক পরিকল্পনা এবং পরে তা বাতিল—সব মিলিয়ে এ বছরের মেলার শুরুতেই ছিল অস্বস্তির ছায়া। প্রকাশকদের একাংশ সময় পরিবর্তনের দাবি তুলেছিলেন, কেউ কেউ প্রস্তুতির ঘাটতির কথা বলেছিলেন, আবার রমজান সামনে রেখে আয়োজনের সময় নিয়ে দ্বিধাও ছিল স্পষ্ট। এত এত টানাপোড়েনের পর ২৬ ফেব্রুয়ারি যখন মেলার দরজা খুলল, তখন মনে হলো—এবারের একুশ যেন একটু অন্য রকম।

ফেব্রুয়ারি মানেই বইমেলার মাস। মাতৃভাষার স্মৃতিবিজড়িত এই মাসের প্রথম দিন থেকেই বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রাঙ্গণ ভরে ওঠে পাঠক, লেখক, প্রকাশক আর সংস্কৃতিপ্রেমীদের পদচারণায়। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে লাল গোলাপ হাতে তরুণ-তরুণীরা বইয়ের স্টলের সামনে দাঁড়ায়; বসন্তের প্রথম দিনে হলুদ-কমলা শাড়ি, ফুল আর আবিরে রঙিন হয়ে ওঠে মেলার মাঠ; আর ২১ ফেব্রুয়ারিতে শহীদ দিবসের গভীর শোক যেন মিশে যায় বইয়ের পাতায় পাতায়। কিন্তু এবার মেলা শুরু হয়েছে মাসের শেষভাগে। ফলে সেই চেনা আবহের অনেকটাই ছিল অনুপস্থিত। মেলার প্রথম কয়েক দিনে সেই অভাব যেন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিকেল গড়ালেও স্টলগুলোর সামনে বড় ভিড় চোখে পড়েনি। অনেক বিক্রেতা চেয়ার পেতে বসে অপেক্ষা করছিলেন পাঠকের জন্য। নতুন বইয়ের প্রচ্ছদ সাজিয়ে রাখা, লেখকের স্বাক্ষর নেওয়ার প্রস্তুতি—সবই ছিল, কিন্তু প্রত্যাশিত কোলাহল ছিল না। কেউ বলছিলেন, সময় পরিবর্তনের কারণে অনেক পাঠক এখনো পুরোপুরি অভ্যস্ত হতে পারেননি। আবার কেউ মনে করছিলেন, রমজান মাস চলার কারণে মানুষের ব্যস্ততা বেড়েছে।

প্রকাশকদের মধ্যেও ছিল মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ বললেন, প্রস্তুতির সময় কম পাওয়ায় নতুন বই আনা কঠিন হয়েছে। কেউ আবার আশাবাদী কণ্ঠে জানালেন, শুরুটা ধীর হলেও শেষ দিকে জমে উঠবে। লেখকদেরও অনেকে বলছিলেন, মেলার প্রাণ তো শেষ পর্যন্ত পাঠকরাই ফেরান—তারা এলে সব অভাব মুছে যাবে।

এই অপেক্ষার মধ্যেই গতকাল মঙ্গলবার দোলযাত্রা বা দোল পূর্ণিমা যেন হঠাৎ করেই মেলার চিত্র পাল্টে দেয়। বইমেলার পাশেই অবস্থিত রমনা কালীমন্দির প্রাঙ্গণে সকাল থেকে শুরু হয় দোলের উৎসব। ঢাকের তালে তালে ভক্তদের সমাগম, আবিরের রঙে রঙিন আকাশ, হাসি আর শুভেচ্ছায় মুখর চারপাশ। রঙের উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকাতেও।

সকাল থেকে যারা মন্দির প্রাঙ্গণে ছিলেন, তাদের অনেকেই পরে ঢুকে পড়েন বইমেলায়। কারও গালে লাল আবির, কারও কপালে সবুজের ছোঁয়া, কারও পোশাকে রঙের মিশেল। বইমেলার মাঠে তখন এক অন্য দৃশ্য। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলছেন বইয়ের স্টলের সামনে, কেউ নতুন কবিতার বই হাতে নিয়ে রঙিন আঙুলেই উল্টে দেখছেন পাতা। আবিরমাখা হাসির সঙ্গে বইয়ের ঘ্রাণ মিশে তৈরি হয় এক অদ্ভুত সুন্দর পরিবেশ।

বিকেলের দিকে উপস্থিতি আরও বাড়তে থাকে। তরুণদের দল, পরিবার নিয়ে আসা দর্শনার্থী, শিশুরা—সবাই মিলে প্রাঙ্গণকে করে তোলে প্রাণবন্ত। একাধিক প্রকাশক বলেন, দিনের শুরুটা শান্ত থাকলেও বিকেলে বিক্রি বেড়েছে। বিশেষ করে তরুণ পাঠকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। কেউ বলছিলেন, দোলের রঙে ভিজে বই কেনার আনন্দই আলাদা; কেউ আবার জানালেন, মেলার পরিবেশে এমন রঙিন দিন আরও বেশি হলে ভালো লাগত।

আবিষ্কার প্রকাশনীর প্রকাশক দেলোয়ার হাসান বলেন, ‘আজ দোলপূর্ণিমা সেটা জানতাম; কিন্তু বইমেলাও যে দোলের রঙে সেজে উঠবে সেটা বুঝতে পারিনি। তবে বইমেলা আজ প্রাণবন্ত লাগছে। বিক্রি গত দুদিনের তুলনায় একটু ভালো। আশা করি, সামনে আরও বিক্রি বাড়বে।

সরেজমিনে বইমেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে নানা বয়স ও পেশার দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবারের বইমেলা নিয়ে প্রত্যেকের অনুভূতি আলাদা। দোলের রঙে ভিজে আসা কেউ মেলাকে দেখছেন উৎসবের বিস্তৃতি হিসেবে, আবার কেউ শুধুই বইয়ের খোঁজে এসেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অনন্যা সাহা সকালে বন্ধুদের সঙ্গে রমনা কালী মন্দির–এ দোল উদযাপন করে সরাসরি মেলায় ঢুকেন। গালে গোলাপি আবির লেগে ছিল তখনো। তিনি বলেন, ‘সকালটা ছিল পুরো রঙ আর আনন্দের। ভাবিনি বইমেলায়ও এমন একটা আবহ পাব; কিন্তু এখানে এসে দেখি সবাই খুব স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ হাসছে। আমার মনে হলো, উৎসব তো জীবনেরই অংশ—বইমেলায় সেটা থাকলে দোষ কী? বরং ভালো লাগছে, আজ বই কেনাটাও একটা স্মৃতি হয়ে থাকবে।’

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সৌরভ দে জানান, তিনি প্রতি বছর দোল খেলেন, তবে এবার প্রথমবার রঙ মেখে বইমেলায় এলেন। ‘আমরা কয়েকজন বন্ধু ঠিক করেছিলাম, রঙ খেলার পর কোথাও বসে আড্ডা না দিয়ে বইমেলায় যাব। এখানে এসে দেখি অনেকেই একইভাবে এসেছে। বিকেলে ভিড়ও বেড়েছে। একটা প্রাণ ফিরে এসেছে বলে মনে হলো।’

মেলার আরেক দর্শনার্থী মেধা চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি দোল খেলতে খুব পছন্দ করি; কিন্তু বইমেলায়ও আসতে চাইছিলাম। মা বললেন, রঙ ধুয়ে আসতে। আমি বললাম, না, এই রঙ নিয়েই যাব। আজ বইমেলায় ঢুকে মনে হলো, বসন্ত আর বই একসঙ্গেই মানায়।’

অন্যদিকে বইয়ের নিয়মিত সংগ্রাহক তাইবুর রহমান জানান, উৎসবের ভিড়ের চেয়ে বইয়ের তালিকাকেই বেশি গুরুত্ব দেন। ‘আমি আসলে নির্দিষ্ট কিছু বই খুঁজতে এসেছি। মুক্তিযুদ্ধ আর প্রবন্ধের বই দেখি। প্রথম কয়েকদিন ভিড় কম ছিল, ভালোই লেগেছে। আজ একটু বেশি মানুষ, তবে পরিবেশ খারাপ না। রঙ মেখে যারা এসেছে, তাদের দেখে খারাপ লাগেনি। মেলা তো সবার।’

কলেজ শিক্ষক সায়মা হক বলেন, ‘এবার মেলা দেরিতে শুরু হওয়ায় একটা ছন্দপতন হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শুরুতে যে আবেগটা থাকে, যেমন ভালোবাসা দিবস, বসন্ত উৎসব সেটা মিস করেছি। তবে আজকে এসে দেখছি অন্যরকম একটা রঙিন পরিবেশ ভালোবাসা দিবস বা বসন্ত উৎসবের মতোই লাগছে। আমি মূলত নতুন কবিতার বই আর গবেষণাধর্মী প্রকাশনা দেখতে এসেছি। ভিড় একটু বাড়লেও বইমেলায় প্রাণ এসেছে।’

সদ্য বিয়ে করা তরুণ দম্পতিও এদিন এসেছিলেন মেলায়। জানালেন তারা ভালোবাসা দিবসে মেলায় আসতে পারেননি। স্বামী রাহাত বলেন, ‘১৪ ফেব্রুয়ারি মেলা ছিল না, একটু আফসোস ছিল। তাই আজ দুজনেই ঠিক করলাম আসব। রঙে ভেজা মানুষদের দেখে মনে হলো, উৎসবটা অন্যভাবে ধরা দিয়েছে। আমরা দুজনেই কিছু উপন্যাস কিনেছি, এটা আমাদের জন্য বিশেষ দিন হয়ে থাকবে।’

আবিষ্কার প্রকাশনীর স্টলকর্মী মিম আক্তার বলেন, ‘শুরুর দিকে বিক্রি খুব ধীর ছিল। ইফতারের পর কিছুটা বাড়লেও আগের বছরের মতো না। তবে দোলের দিনে একটা পরিবর্তন দেখলাম। বিশেষ করে তরুণদের ভিড় বেশি। অনেকে রঙ মেখেই বই দেখছে, কিনছে। আজকে বিক্রি আগের দুদিনের চেয়ে ভালো।’

অক্ষর প্রকাশনীর আতিক হাসান বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম রঙ মেখে কেউ হয়তো বই ধরতে চাইবে না। কিন্তু উল্টোটা দেখলাম। সবাই খুব সচেতন ছিল। কেউ বই নোংরা করেনি। বরং অনেকেই হাসিমুখে বলেছে, আজকের দিনটা আলাদা।’

সব মিলিয়ে দর্শনার্থী, পাঠক আর স্টলকর্মীদের কথায় স্পষ্ট—এবারের বইমেলা একধরনের পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। কেউ খুঁজছেন নিরিবিলি পরিবেশ, কেউ উৎসবের রঙে ভেজা স্মৃতি, কেউ বিক্রির আশায় অপেক্ষা করছেন। তবে সবার কথার ভেতরেই একটা মিল আছে—শেষ পর্যন্ত বইমেলার প্রাণ মানুষই ফেরায়। রঙ থাক বা না থাক, বইয়ের প্রতি সেই টান এখনো অটুট।

গতকাল ছিল এবারের একুশে বইমেলার ষষ্ঠ দিন। এদিন মেলা চলে দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। তথ্যকেন্দ্রে নতুন ৬৫টি বই জমা পড়ে। বিকেল ৩টায় বইমেলার মূলমঞ্চে ‘জন্মশতবর্ষ: তাজউদ্দীন আহমদ’ শীর্ষক আলোচনা সভা হয়। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মুহিউদ্দিন আহমদ। আলোচনায় অংশ নেন সাজ্জাদ সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেলিমুল্লাহ খান।

মুহিউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস গবেষণায় তাজউদ্দীন আহমদের নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ছিলেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। ১৯৪০-এর দশকে ঢাকায় মুসলিম লীগের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। পরে ভাষা আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৫৩ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় সরকার গঠন করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এবং স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালের ক্রান্তিকালে তার দূরদর্শী নেতৃত্ব জাতির ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।’

সাজ্জাদ সিদ্দিকী বলেন, ‘ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মুক্তিযুদ্ধের সমন্বয় ও নেতৃত্ব তাজউদ্দীন আহমদকে ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত করেছে।’

অধ্যাপক সেলিমুল্লাহ খান তাজউদ্দীনের রাজনৈতিক উত্থান, পরিশীলিত মনন এবং ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন।

এদিন ‘লেখক বলছি’ অনুষ্ঠানে নিজের বই নিয়ে আলোচনা করেন আলী আহমদ। বিকেল ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন সাখাওয়াত টিপু। আবৃত্তি পরিবেশন করেন এ কে এম দিদার উদ্দিন এবং অনন্যা লাবণী।

এ ছাড়া জারিন তাসনিম ঐশ্বর্য পরিচালিত সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ঐকান্তিক শিল্পীগোষ্ঠী’ এবং দীপ্তি রাজবংশী পরিচালিত ‘বাংলাদেশ লোকসংগীত পরিষদ’-এরও ছিল পরিবেশনা। যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন কার্তিক চন্দ্র শর্মা (তবলা), ডালিম কুমার বড়ুয়া, মো. আরিফ এবং দীপঙ্কর রায়।

আজ বুধবার মেলা শুরু হবে দুপুর ২টায় এবং চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। বিকেল ৩টায় মেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে ‘স্মরণ: সন্জীদা খাতুন’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন মফিদুল হক। আলোচনায় অংশ নেবেন মোহাম্মদ আজম। সভাপতিত্ব করবেন ভীষ্মদেব চৌধুরী। বিকেল ৪টায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ১, একাধিক বাড়িঘরে আগুন

কারাগারে আইভীকে গান শোনাতেন মমতাজ, যে গান না গাইতে অনুরোধ

পাকিস্তানের সিরিজ জয়

ইউক্রেন ছাড় দিলে সমঝোতায় প্রস্তুত রাশিয়া : পুতিন

ডাচদের হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ বাংলাদেশের

আফগানিস্তানকেও রুখে দিল বাংলাদেশ

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি নাগরিক

পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ

যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হলেন নির্যাতিত নেতা সাজিদ হাসান বাবু

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তথ্য পেয়ে চুক্তি ও ঋণপত্র বাতিল, ফেরত যাচ্ছে ‘এমটি মেমেই’

১০

ছবি প্রকাশ করলেন রাশেদ খান / সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের

১১

বজ্রপাতে সারা দেশে প্রাণ গেল ১২ জনের

১২

অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবি এনসিপির

১৩

দাবি এমপি শওকতুলের / শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান নোবেল পাওয়ার যোগ্য

১৪

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেতা আলভীর মা

১৫

কোটি টাকার ইয়াবাসহ কোস্টগার্ডের হাতে ৪ জন আটক

১৬

২২ বলের ফিফটিতে দিলারার রেকর্ড

১৭

বিশ্বকাপের আগে ব্যালন ডি’অর জয়ের তালিকায় এগিয়ে যারা

১৮

‘জনগণ ভাবছে সরকার ভোট নয়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নির্বাচিত’

১৯

নজরদারিতে আইভী রহমান, বাড়ির সামনে বসানো হলো সিসিটিভি

২০
X