

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রশাসনিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে টানা ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত নির্বাহী আদেশে এ ছুটি কার্যকর থাকবে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাচনী কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এই সময় বন্দরের নিয়মিত অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় কাজ চালানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।
বন্দর ও শুল্ক কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন এবং বিধি অনুযায়ী অতিরিক্ত মাশুল (চার্জ) পরিশোধ সাপেক্ষে জাহাজ ও লাইটারে খাদ্য, ত্রাণ ও অন্যান্য জরুরি পণ্য খালাস কার্যক্রম চালানো যাবে। এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিচালক (ট্রাফিক) বা তার অধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আগাম অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ছুটির সময়েও ট্রাফিক বিভাগের আওতাধীন পানগাঁও আইসিটি ও ঢাকাস্থ আইসিডিসহ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী জনবল বুকিং ও সমন্বয় রাখার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে বন্দরের অভ্যন্তরে কার্যক্রম সচল রাখতে জনতা ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংকসহ অনুমোদিত অন্যান্য ব্যাংকের বুথ, কাস্টমস হাউজে সোনালী ব্যাংক এবং শুল্ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখা ও সব প্রাইভেট ডিপোকে প্রয়োজনীয় জনবল রেখে সীমিত আকারে কার্যক্রম পরিচালনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।