নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সাত খুন মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন

সাত খুন মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী। ছবি : কালবেলা
সাত খুন মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী। ছবি : কালবেলা

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বলেন, দীর্ঘ ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো এ বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডের রায় কার্যকর হয়নি, যা তাদের জন্য চরম হতাশা ও বেদনার।

খুন হওয়া নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বলেন, ২০১৪ সালের সেই নির্মম হত্যাকাণ্ড দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, নূর হোসেনের প্রভাবে র‍্যাব সদস্যদের মাধ্যমে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে সাতজনকে হত্যা করে মরদেহ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা ১২ বছর ধরে বুকভরা কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছি। আমাদের একটাই দাবি— এ হত্যার বিচার যেন জীবিত অবস্থায় দেখে যেতে পারি।

সেলিনা ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত এ মামলার রায় কার্যকর করা জরুরি। একই সঙ্গে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

নিহত জাহাঙ্গীরের স্ত্রী সামছুন নাহার নূপুর বলেন, আমার সন্তান তার বাবাকে খোঁজে, কিন্তু আমি তার বাবাকে ফিরিয়ে দিতে পারি না। ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার কার্যকর হয়নি। আমি দ্রুত এ রায় কার্যকর দেখতে চাই।

তিনি আরও বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে শুধু সাতজন মানুষ নয়, ধ্বংস হয়েছে সাতটি পরিবার ও স্বজন।

নিহত তাজুল ইসলামের বাবা আবুল খায়ের বলেন, মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে আপিল বিভাগে ঝুলে আছে, যা তাদের কাছে বোধগম্য নয়। তিনি দ্রুত বিচার কার্যকরের দাবি জানান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্বজনরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দীর্ঘসূত্রতা দূর করে দ্রুত এই মামলার রায় কার্যকর করতে হবে, যাতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার পায়।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক সড়ক থেকে তৎকালীন প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজনকে গুম করা হয়। তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় করা দুটি হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রম বর্তমানে আপিল বিভাগে চলমান রয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে তৈরি হচ্ছে শেড, শৃঙ্খলায় থাকছে স্কাউট-বিএনসিসি 

ছুটির দিনে দেশে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরেও সতর্কতা

জয়ের পর ২১ নম্বর জার্সি তুলে রোনালদোর আবেগঘন শ্রদ্ধা

নিজের অর্থ-সম্পদ দেখভাল করেন ছেলে এরিক, দাবি ট্রাম্পের

রাবিতে আবাসিকতা বাতিলের পরেও হলে থাকেন হল সংসদের ২ নেতা

বাবার কাঁধে চড়ে এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে আফিয়া

টানা ৩০ মিনিটের বেশি বসে থাকলেই বাড়তে পারে ক্যানসারে মৃত্যুঝুঁকি

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮ দিন পর একজনকে জীবিত উদ্ধার

শেষ ষোলোয় রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা, ফিরছে নেশনস লিগের সেই ফাইনাল

নতুন দায়িত্বে স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, ডাক-টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও আইনমন্ত্রী

১০

৩ জুলাই / আজকের নামাজের সময়সূচি

১১

আলিম পরীক্ষা  / নিয়মিতদের হাতে অনিয়মিত প্রশ্ন, কেন্দ্র সচিবসহ ৫ জনকে অব্যাহতি

১২

ইরানের সঙ্গে আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান সাবেক মার্কিন আলোচকের

১৩

বিশ্বকাপের মাঝেই ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে ঝরল ফিলিস্তিনি গোলরক্ষকের প্রাণ

১৪

অফসাইডে ভাঙল ক্রোয়েশিয়ার স্বপ্ন, নাটকীয় জয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

১৫

পর্তুগালকে সমতায় ফেরালেন রোনালদো

১৬

অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন রোনালদো

১৭

ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ২৭

১৮

ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে অস্ত্রের মহড়া, বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার

১৯

ইতালিতে ট্রিপল মার্ডারের একমাত্র সাক্ষী আমিরের জবানবন্দি

২০
X