কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ নভেম্বর ২০২৪, ১২:৪৭ পিএম
আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২৪, ০২:৩৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

হেভিওয়েট ১৩ আসামিকে কারাগারে রাখার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ছবি : সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ছবি : সংগৃহীত

জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সাবেক ৯ মন্ত্রীসহ ১৩ আসামিকে। সোমবার (১৮ নভেম্বর) আসামিদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

আসামিরা হলেন- সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, তৌফিক-ই-ইলাহী, শাজাহান খান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, গোলাম দস্তগীর গাজী, আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

এদিন সকাল ১০টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় প্রিজন ভ্যানে করে আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এর আগে গত ২৭ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায় কারাবন্দি সাবেক দুই উপদেষ্টা, সাবেক ১০ মন্ত্রী, এক সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক এক সচিব, এক বিচারপতিসহ ২০ জনকে হাজির করতে নির্দেশ দেন। এর মধ্যে ১৪ জনকে ১৮ নভেম্বর হাজির করতে বলা হয়।

এ ছাড়া পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্তকৃত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, আব্দুল্লাহ আল কাফি, আরাফাত হোসেন, আবুল হাসান ও মাজহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্র করে গত জুলাই ও আগস্টে গণহত্যার অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরই অংশ হিসেবে নতুন প্রসিকিউশন টিম ও তদন্ত সংস্থা গঠিত হয়েছে। বিচারের জন্য আইন সংশোধন ও ভবন মেরামতের কাজও চলমান।

গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ, ১৪ দলের নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত গুম, হত্যা, গণহত্যাসহ একশর বেশি অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে জমা পড়েছে।

এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতার ৩৯ বছর পর ২০১০ সালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ওই বছরের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনালের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ২০১৫ সালের পর থেকে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম অনেকটা গতি হারিয়ে ফেলে। তবে হাসিনা সরকার পতনের পর ফের ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম নতুনভাবে শুরু হয়েছে।

কালবেলা/এফএফ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফুলের টবে গাঁজা গাছ, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ১

প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিককে হাতুড়িপেটা, যুবদল ও শ্রমিক দলের ২ নেতা গ্রেপ্তার

১৩ বছরের শিশুর কোলে ৭ মাসের সন্তান

ঢাবির ছাত্রী হলে ‘হয়রানি’ বন্ধে ৪ দফা দাবি ছাত্রশক্তির

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক / বৈজ্ঞানিক যাচাইয়ের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিচ্ছে বিএসটিআই

উদ্ভাবনী বীমা সেবা চালুর উদ্যোগের স্বীকৃতি পেল দুই প্রতিষ্ঠান

চুরির এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তার ২, উদ্ধার ১০ ভরি স্বর্ণ

প্রথমবার রিয়েলিটি শোতে জয়া আহসান

১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা / খননের প্রয়োজন না থাকায় পুরো টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও

১০

ইরানে পুলিশ সদস্যদের হত্যার দায়ে ২ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

১১

ঢাবি শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক

১২

বিশেষ ধারাবাহিক / মহাজীবনের যাত্রাপথ

১৩

বিএফডিসিতে বিক্ষোভ / পরিচালক সায়মন তারিককে চলচ্চিত্রাঙ্গনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

১৪

উন্নয়নকাজে অনিয়ম হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

১৫

আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ, গ্যাস সংকট নিয়ে আলোচনা

১৬

এমপি গোলাম রসুলের বাড়ি ঘেরাও নিয়ে জামায়াতের বিবৃতি

১৭

বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা, নষ্ট হচ্ছে হাজার কোটি টাকার যন্ত্রাংশ

১৮

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণ / মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন যুদ্ধ একই সংঘাতে রূপ নিতে যাচ্ছে

১৯

জুলাইয়ে অপেক্ষা করতাম, কখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিছিল আসবে: নাহিদ ইসলাম

২০
X