শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
আপডেট : ২৪ মে ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
রামিসা হত্যা

স্ত্রীসহ সোহেলের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ, বিচারের জন্য শিশু ট্রাইব্যুনালে বদলি

নিহত শিশু রামিসা আক্তার ও প্রধান আসামি সোহেল রানা। ছবি : সংগৃহীত
নিহত শিশু রামিসা আক্তার ও প্রধান আসামি সোহেল রানা। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার নামে আট বছর বয়সী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের মামলায় সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দিয়েছে পুলিশ।

রোববার (২৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক মো. ওহিদুজ্জামান। আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের মামলা বদলির আদেশ দেন।

এদিকে এদিন কারাগারে থাকা আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়েছে।

গত ২০ মে এ মামলায় আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন মূল আসামি সোহেল রানা। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া ওইদিন সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দোষ স্বীকার করে সোহেল যে জবানবন্দি দিয়েছেন তা রেকর্ডের বিষয়ে আদালতে করা পুলিশের আবেদনে বলা হয়, হত্যার শিকার শিশু রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত সোমবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরবর্তীকালে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে অনেক ডাকাডাকিতেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ওই সময় ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। এ ছাড়া আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে তার মাথাটি রাখা ছিল।

আবেদনে আরও বলা হয়, মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশু রামিসার মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। সেই সঙ্গে তার সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে খণ্ডিত মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়।

অন্য দিকে ঘটনার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। ওইদিনই বাসা থেকে স্বপ্নাকে ও পরদিন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কালবেলা/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শনিবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

কয়েল জ্বালাতে গিয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ শ্রমিক দম্পতি

পেয়ারা পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

ঝাঁকড়া চুলের হৃদয়বিদারক গল্প শোনালেন স্পেনের ডিফেন্ডার

এমপির ইমামতি নিয়ে মসজিদে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি

মেসির অবসর ও বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে এবার মুখ খুললেন ডি মারিয়া

‘জালালাবাদ গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন জবির কাওছার

নতুন কোচের নাম ঘোষণা করল বেলজিয়াম

১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষা ফের দেওয়ার সুযোগ, অংশ নিতে পারবেন যারা

ফ্যাসিস্টের দোসর চুপ্পুকে গ্রেপ্তার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

১০

ইরানের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন নিষেধাজ্ঞা

১১

বিশ্বকাপের যে ব্যতিক্রম তালিকায় সবার উপরে এমবাপ্পে

১২

রাশিয়া-চীনকে ইরানে অস্ত্র সরবরাহ না করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

১৩

মেসির বিদায় হবে আর্জেন্টিনায়, পরিকল্পনায় ‘বিশেষ’ ম্যাচ

১৪

শীর্ষ মাদক কারবারি সীমা গ্রেপ্তার, পলাতক স্বামী ‘প্লাস্টিক ফারুক’

১৫

স্পেনকে শিরোপা জেতানোর পরই বড় দুঃসংবাদ পেলেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলজয়ী নায়ক

১৬

নীলফামারীতে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

১৭

আন্তঃদেশীয় হুমকি মোকাবিলায় আসিয়ানের সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ

১৮

চীনের উদ্যোগে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পথ খুঁজছে পাকিস্তান

১৯

মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, তরুণ নিহত

২০
X