কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৬, ১০:১২ এএম
আপডেট : ০৭ জুন ২০২৬, ১০:২১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

১১টায় রায় ঘোষণা, একটি ন্যায়বিচারের জন্য উন্মুখ পুরো জাতি

জনতার সামনে নিহত শিশু রামিসা ও তাকে হত্যায় অভিযুক্ত সোহেল দম্পতি। ছবি : সংগৃহীত
জনতার সামনে নিহত শিশু রামিসা ও তাকে হত্যায় অভিযুক্ত সোহেল দম্পতি। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা দেশজুড়ে আলোচিত মামলার রায় রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টার দিকে ঘোষণা হতে পারে। রায়কে ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এদিকে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সকালেই আদালতে হাজির করা হয়েছে। বহুল আলোচিত এ মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে ভুক্তভোগী পরিবারসহ পুরো দেশ।

এর আগে এদিন সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচিত মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

এদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একই মামলার অপর আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনই হাজতখানায় রয়েছেন। আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত।

এর আগে, ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। মাত্র চার কার্যদিবসে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।

রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।

গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না।

ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান।

পরবর্তীকালে জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নারী-শিশু নির্যাতন মামলা, হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির নতুন সভাপতি হলেন তামিম

মহিলা দল নেত্রীর অডিও ভাইরাল / ‘তুমি বেশি কমাইও না, ৬ হাজারের মধ্যে দিও’

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘এমটিবি ট্রেড এক্স’ চালু, মিলবে যে সুবিধা

শান্তি চুক্তি হলেও তাৎক্ষণিকভাবে মুক্ত হবে না ইরানের জব্দকৃত সম্পদ : ট্রাম্প

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা উত্তর কোরিয়ার

নিরাপদ খাদ্যে মুনাফা দেখলে চলবে না: এমপি রতন

বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিল শিবিরে দুঃসংবাদ, চোটে কাঁদলেন এই তারকা

রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় সরকারের অদক্ষতা জনগণকে হতাশ করেছে : হামিদুর রহমান

ডিসি কার্যালয়ে বিএনপি দুই নেতার হাতাহাতি

১০

লেবাননের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীর সদরদপ্তরে ইসরায়েলি হামলা

১১

পরিবারের জন্য কেনাকাটা করে ফেরার পথে প্রবাসী নিহত

১২

জার্সি পরা মিঠুন সাহার ছবিটি এআই জেনারেটেড

১৩

বিরতি ভেঙে নতুন গান নিয়ে ফিরছেন মেহরাব

১৪

অধ্যাপিকাকে হত্যা করতে ১৪০০ কিমি পাড়ি দিল দম্পতি

১৫

সংসদে আমির হামজা / ‘৩০টি নোটিশ দিয়েছি, কোনটার ওপর বলব জানি না’

১৬

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪৫ নেতাকর্মী আটক

১৭

গাজীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মারা গেছেন

১৮

ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে বোর্ড পরিচালক হলেন যারা

১৯

গান শোনাতে ঢাকা আসছেন অনুপম রায়

২০
X