বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম
আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘প্রযোজকের বিনিয়োগের নিরাপত্তাই চলচ্চিত্র শিল্পকে বাঁচাতে পারে’

পারভেজ আবীর চৌধুরী। ছবি - সংগৃহীত
পারভেজ আবীর চৌধুরী। ছবি - সংগৃহীত

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে টিকিয়ে রাখা এবং এর সোনালি যুগ ফিরিয়ে আনার জন্য মূল সংকট চিহ্নিত করে প্রযোজকদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পারভেজ আবীর চৌধুরী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের রুগ্নদশার পেছনে মূল কারণ প্রতিভা বা নতুন উদ্যোগের অভাব নয়, বরং প্রযোজকদের বিনিয়োগের আস্থার ঘাটতি। অতীতের প্রযোজকেরা চলচ্চিত্র থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়েই সংসার চালাতেন এবং সেই মুনাফা দিয়ে পুনরায় সিনেমা নির্মাণ করতেন। কিন্তু বর্তমানে চলচ্চিত্রে বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত না আসায় এই শিল্পে নতুন মূলধনের পুনঃপ্রবাহ থমকে গেছে।

তিনি আরও বলেন, ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো চলচ্চিত্রকে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশেও একই সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তার জন্য প্রয়োজন একটি সুনির্দিষ্ট জাতীয় চলচ্চিত্র অর্থনৈতিক রোডম্যাপ। কেবল নিছক বিনোদন নয়, চলচ্চিত্রকে একটি বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখতে হবে। সিনেমা হল ও ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, টিকিট বিক্রির রাজস্ব বণ্টনে স্বচ্ছতা এবং ওটিটি ও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে অংশীদারত্ব বাড়াতে না পারলে এই সংকট কাটবে না।

পারভেজ আবীর চৌধুরী জোর দিয়ে বলেন, কোনো ভবিষ্যৎহীন বা ঝুঁকিপূর্ণ খাতে নতুন প্রতিভারাও দীর্ঘমেয়াদে আসতে চাইবে না। তাই মূল সমস্যার চিকিৎসা না করে কেবল উপসর্গ নিয়ে আলোচনা করলে কোনো লাভ হবে না। সরকার ও সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে এসে অবিলম্বে টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। যে দিন একজন প্রযোজক তার বিনিয়োগ ফেরত পাওয়া ও ন্যায্য মুনাফার বিষয়ে নিশ্চিত হবেন, সে দিনই বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্প আবার তার হারিয়ে যাওয়া গৌরব ফিরে পাবে।

কালবেলা/আরডা/এমএইচ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রোড রোলার প্রশিক্ষণে সুইডেন সফরের খবর ভিত্তিহীন: চসিক মেয়র

ফাহিমা হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ফের আদালত চত্বরে হামলার চেষ্টা

তদন্ত চলাকালেই বদলি চসিকের আলোচিত সেই প্রকৌশলী দম্পতি

রাতে স্টেডিয়ামে গাঁজা সেবন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের কারাদণ্ড

পরশুরামে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিডার উদ্যোগে বাস্তবায়নের পথে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ

কমনওয়েলথ গেমসে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা

রেল অবরোধে ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি, দুঃখ প্রকাশ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের

১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে নতুন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা

১০

জোড়াতালি দিয়ে চলছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা

১১

চকরিয়ায় বন্যায় সড়ক বিধ্বস্ত, ক্ষতি প্রায় ৩২ কোটি টাকা

১২

চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপকাণ্ডে’ বহিষ্কৃত সেই পুলিশ সদস্য

১৩

ইরানের বিরুদ্ধে ‘বৃহৎ সামরিক হামলা’ বিবেচনায়: ট্রাম্প

১৪

লেবাননে প্যারামেডিকদের ওপর ইসরায়েলের ড্রোন হামলা

১৫

ওমরাহ পালনে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহত ৩

১৬

নিরাপত্তার জেরে ইরান থেকে দূতাবাসকর্মীদের প্রত্যাহার করে নিল যুক্তরাজ্য

১৭

দেশে চাঁদাবাজি-দুর্নীতি আগের চেয়েও বেড়েছে: গাজী আতাউর

১৮

জলাবদ্ধ সড়কে হাঁস ছেড়ে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ 

১৯

জাবি চিকিৎসা কেন্দ্র উন্নয়নে প্রশাসনের ৫ সিদ্ধান্ত

২০
X