বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৬, ০১:৩১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আবেগঘন স্মৃতিচারণে দেবলীনা

দেবলীনা ভট্টাচার্য। ছবি : সংগৃহীত
দেবলীনা ভট্টাচার্য। ছবি : সংগৃহীত

ওপার বাংলার ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী দেবলীনা ভট্টাচার্য। পর্দায় যিনি হাসি, আবেগ আর শক্তিশালী অভিনয়ে দর্শকের মন জয় করেন প্রতিনিয়ত। কিন্তু ক্যামেরার ঝলমলে আলোর আড়ালে লুকিয়ে আছে এক বেদনাভরা সংগ্রামের গল্প।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের সেই কঠিন অধ্যায়ের কথা অকপটে তুলে ধরেছেন দেবলীনা। খুব অল্প বয়সেই বাবাকে হারানোর শোক কীভাবে তার জীবনকে আমূল বদলে দিয়েছিল, সেই স্মৃতিই যেন আবারও ফিরে এলো তার কণ্ঠে। চোখের জলে ভেসে উঠল শৈশবের হারিয়ে যাওয়া নিরাপত্তা আর সংগ্রাম করে বড় হয়ে ওঠার গল্প।

দেবলীনা জানান, বাবার আকস্মিক প্রয়াণের পর তাদের তিন ভাইবোনের বড় হওয়ার পথটা ছিল কণ্টকাকীর্ণ। মা একা হাতে তিন সন্তানকে বড় করার লড়াই শুরু করলেও শরীর সায় দিচ্ছিল না। ছোটবেলা থেকেই দেবলীনা দেখেছেন মায়ের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা। তিন ভাইবোনের মধ্যে বড় হওয়ায় মাত্র ১১ বছর বয়সেই কাঁধে তুলে নিতে হয় সংসারের গুরুভার।

অভিনেত্রী বলেন, ‘বাবার মৃত্যুর পর সব বদলে যায়। আমার মা দীর্ঘদিন ধরে স্কিৎজ়োফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। যখনই এই অসুস্থতা বাড়ত, ছোট্ট আমিই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতাম। পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না বলে পরিস্থিতি আমাকে একা হাতেই সব শিখিয়ে দিয়েছে।’ মায়ের অসুস্থতার ধরন নিয়ে বলতে গিয়ে দেবলীনা জানান, তার মা দিনে অন্তত ১৮ থেকে ১৯টি ওষুধ খান।

অভিনেত্রী বলেন,‘স্কিৎজোফ্রেনিয়া মানে এক ধরনের বিভ্রম। রোগী মনে করেন কেউ তার সাথে কথা বলছেন, যা অন্য কেউ দেখতে পায় না। শুরুতে মা ওষুধ খেতে চাইতেন না। তাই বাধ্য হয়ে খাবারের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে তাকে খাওয়াতে হতো। একজন কিশোরীর জন্য সেই সময়টা ছিল অত্যন্ত কঠিন।’

নিজের শৈশব হারিয়ে ফেলার আক্ষেপ থাকলেও পরিণত হওয়ার শিক্ষাকেই বড় করে দেখছেন দেবলীনা। তার কথায়, ‘যখন পাশে কেউ থাকে না, তখন আপনাকে নিজেকেই বড় হতে হয়। পরিস্থিতির চাপে খুব অল্প বয়সেই আপনি বুদ্ধিমান ও পরিণত হয়ে যান।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বুবলীর মা হওয়ার খবরে স্মিতার কড়া সমালোচনা

বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিল ভারত

যুবলীগ-ছাত্রলীগের ১৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে যাত্রীবোঝাই বাস

বারে ৩ বার বল লাগলে গোল, চোটের ভান করলেই শাস্তি?

‘এনসিপিকে জামায়াতের প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে’

ঐতি‌হ্যে সমৃদ্ধ দামুড়হুদার প্রাণ‌কে‌ন্দ্র, তবুও উন্নীত হয়‌নি পৌরসভায় 

শরীয়তপুরে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের আনন্দ শোভাযাত্রায় দুর্ঘটনা, আহত ৪

দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনায় যোগ দিলেন ব্রাজিল সমর্থক

দালালকে ধরে হাসপাতালের ড্রেন পরিষ্কার করাল ছাত্রদল

১০

ইরানের হাতে এখনও ২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে : ট্রাম্প

১১

হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম কমলো বিশ্ববাজারে 

১২

দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য বড় সুখবর

১৩

পদ্মায় ডুবে যাওয়া সেই বাসের চালকসহ গ্রেপ্তার ৩

১৪

ঢাবি ট্রেজারারকে ‘পাড়ার গুন্ডা-মাস্তানের’ মতো কথা না বলার অনুরোধ সর্ব মিত্র চাকমার

১৫

তিন সপ্তাহ যেতেই নতুন উপাচার্য পেল জাবিপ্রবি

১৬

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আদ্-দ্বীনের দুই কর্মীকে অব্যাহতি

১৭

ঋতুপর্ণার গোলে সমতা, স্বপ্ন বাড়ল বাংলাদেশের

১৮

কখন, কীভাবে দেখবেন আর্জেন্টিনা-হন্ডুরাসের ম্যাচ

১৯

রামিসা হত্যা মামলার রায় রোববার

২০
X