শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০৮:১০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘বাঁচতে না–ও পারি, তাই কালেমা পড়ে ঘুমাতাম’

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তাহীনতা, কর্মসংকট ও মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন লাখো বাংলাদেশি প্রবাসী। নতুন করে কর্মী যাওয়া কমে গেছে, আবার অনেকেই জীবন বাঁচাতে দেশে ফিরছেন।

যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে অভিবাসন গবেষণা সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)।

বুধবার (১৩ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধ : বাংলাদেশি অভিবাসীদের ওপর প্রভাব এবং করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইরান ফেরত কয়েকজন প্রবাসী নিজেদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। কুমিল্লার মো. আব্দুল্লাহ বলেন, ‘রাতে মিসাইলের শব্দে ঘুমাতে পারতাম না। মনে হতো, বাঁচতে না–ও পারি। তাই কালেমা পড়ে ঘুমাতাম।’

তিনি জানান, ঋণ করে ইরানে গিয়েছিলেন। যুদ্ধ শুরু হলে আতঙ্কে দিন কাটাতে হয়। পরে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফিরলেও এখন পরিবার নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

আরেক প্রবাসী আব্দুল্লাহ আল কায়সার বলেন, হামলার পর মুহূর্তে মুহূর্তে বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তাহীনতায় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেশে ফেরেন তিনি।

রামরুর তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে বর্তমানে প্রায় ৫০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত অন্তত ৯ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। ইরান থেকে ২০০ জনের বেশি বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে বিদেশগামী কর্মীদের ছাড়পত্র প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে।

রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার অধ্যাপক তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, ‘যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মসংস্থান কমছে এবং অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই নতুন শ্রমবাজার খোঁজা ও দক্ষ কর্মী তৈরিতে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্বপ্নভঙ্গের খতিয়ান: বাল্যবিয়ের বিষ-ছোবলে লাখো ছাত্রী

আনোয়ার ইস্পাতের আয়োজনে বুয়েটে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

স্থানীয় সরকারে ভোট দিতে ভোটার হওয়ার শেষ সময় ৩১ জুলাই

শাশুড়িকে হত্যার পর গোপনে দাফন, পুত্রবধূর স্বীকারোক্তিতে রহস্য ফাঁস

বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল ২ ভাইয়ের

সকাল ৯টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক

পাবিপ্রবির নারী শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৯ দিন আত্মগোপনে থাকার পর ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

ম্যারাডোনা থেকে মেসি: বাংলাদেশে কেন আর্জেন্টিনার ফুটবল নিয়ে এত উন্মাদনা

১০

রিজার্ভ আরও বাড়ল

১১

রাকিবের ‘ঘৃণার’ পর জুলাই নিয়ে বক্তব্য সম্পর্কে যা বললেন নিলোফার মনি

১২

মাদকের বিরুদ্ধে বিএনপির অবস্থান জিরো টলারেন্স: গয়েশ্বর

১৩

লাল কার্ডের যে তালিকায় সবার ওপরে ব্রাজিল

১৪

রাত পোহালেই শিল্পী সমিতির ভোট, মুখোমুখি দুই প্যানেল

১৫

স্কুল ফিডিংয়ে ‘নষ্ট খাবার’ দিল ঠিকাদার, শোকজ খেলেন প্রধান শিক্ষক!

১৬

আজীবন বিএনপি করে মরতে চান নরসিংদী জেলা আ.লীগের উপদেষ্টা

১৭

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার দিনে অন্তত ২১ হাজার শিশু নিহত

১৮

যুবককে বুকে ঘুষি দিয়ে হত্যার অভিযোগে আটক ১

১৯

নতুন ভিসানীতির অনুমোদন

২০
X