বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
আপডেট : ১৮ মে ২০২৬, ০৪:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গালিতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি : সিইসি

ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স
ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গালিতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি এবং এটা আমাদের কাছে নতুন নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, উনি প্রায়ই আমাদের সঙ্গে দেখা করতেন, অথচ দেখা করে দরজার বাইরে গিয়েই আমাদের গালি দিতেন।

সোমবার (১৮ মে) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, অনেকের কাছে উনার বক্তব্য নতুন মনে হতে পারে, কিন্তু বিশ্বাস করেন আমি সামান্যতম মনঃক্ষুণ্ণ নই। শুধু প্রশংসা করলে তো ইভালুয়েশন বা সঠিক মূল্যায়ন হয় না। উনি নিজের পার্সপেক্টিভ থেকে যেটা অন্তরে বিশ্বাস করেছেন, সেটাই বলেছেন। আর এটাই তো গণতন্ত্রের সৌন্দর্য; উনাকে এই বলার সুযোগ দেওয়াটাই সৌন্দর্য। এজন্য আমি একদম আহত নই।

সিইসি বলেন, যে নির্বাচন হয়েছে তার বিচারের ভার দেশবাসীর ওপরে। আমাদের কাছে না। উনার কথা শুনতে শুনতে আমরা রেজিট্যান্স হয়ে গেছে। তবে এটা রেয়ার কোয়ালিটি।

এর আগে এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সিইসির উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং হওয়ায় বর্তমান কমিশনের বিচার হবে বলে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা ছাড়া কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু সম্ভব না। এজন্য আপনারা বসেন। ব্রাহ্মবাড়িয়ায় দুই পক্ষ দাঁড়ালে তো কারবালা হয়ে যাবে। তাই দলগুলোকে বসে ফয়সালা করতে হবে।

সিইসি বলেন, স্থানীয় নির্বাচন দলীয়ভাবে হবে। এখন তো দেখতেছি দলগুলো মনোনয়ন দিচ্ছে। এতে আমার কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে। কাজেই আপনারা বসে ফয়সালা করুন। আমাদেন পক্ষে শতভাগ স্বচ্ছতার আশ্বাস দিতে পারি। আমাদের বোঝার ঘাটতি হতে পারে। কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো ঘাটতি নেই। ম্যাসিভ ক্যাম্পেইনের দরকার আছে বলে মনে করি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না। একবার বোরকা পরা মহিলারা এসেছিলেন ঘেরাও করতে। কারণ তারা ছবি না তুলে ভোটার হবেন। কাজেই এ নিয়ে আপনারা একটু কাজ করেন। কারণ মহিলাদের একটা অংশ এখনো ভোটার তালিকার বাইরে রয়েছে।

সিইসি বলেন, যেহেতু দলীয়ভাবে স্থানীয়ভাবে হবে না, এজন্য বিধি বিধান করতে হবে। এগুলো করে আমরা সরকারের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ তাদেরও কিছু কাজ থাকে তো।

তিনি বলেন, ১৩ কোটি ভোটার তো খুব কম দেশে আছে। ১৩ কোটি ভোটার আর ১০ লাখ ভোটার কি এক কথা? কীভাবে করলে এতো সফল নির্বাচন। ইউএন ওমেন থেকে আমাদের এমন বলেছে।

সিইসি বলেন, বিপ্লবের পরে কোনো প্রতিষ্ঠান ফাংশন করেনি পুলিশসহ। কাজেই কেউ ফাংশন করবে না, কেবল নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এমন দাবি ছিল সবার। আমি যেখানে গেছি জনগণকে মোটিভেট করার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, কাজেই বিচারের ভার দেশবাসীর কাছে রইল। সর্বোপরি আল্লাহ তো বিচার করবেই।

কালবেলা/এসআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সেই ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী

‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়’

ব্রাহ্মণপাড়ায় ৩২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস বিষয়ে সংসদে আলোচনা হবে: ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চোর সন্দেহে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যা: সাভারে ৩ আসামির একদিনের রিমান্ড

আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকের বিরোধের জেরে ধর্ষণ মামলা

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ ঘোষণা করল ফিফা, জায়গা পেলেন যারা

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতির বোনের বাসায় চুরি, শ্রমিকদল নেতা গ্রেপ্তার

৪৯তম বিশেষ বিসিএস: দুই প্রার্থীর ফল ও সাময়িক নিয়োগ বাতিল

বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল অটোরিকশার ২ যাত্রীর

১০

টানা বৃষ্টিতে মরিচের বাজারে আগুন

১১

লোহিত সাগরে চলাচলকারী জাহাজে রেডিওতে সতর্কবার্তা দিচ্ছে হুতিরা

১২

আধুনিক মেশিনে বদলে যাচ্ছে রামেক হাসপাতালের ল্যাব সেবা

১৩

হরমুজ প্রণালির লারাক দ্বীপে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

১৪

ফেনীতে আ.লীগের কার্যালয় গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

১৫

মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

১৬

দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই: পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

১৭

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করছে ইরান

১৮

স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় কারাগারে স্ত্রী

১৯

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশ / কমলগঞ্জে সেই ১২০০ কমলা গাছ কাটার ঘটনায় উচ্চতর তদন্ত কমিটি গঠন

২০
X