

সরকার অনুমোদিত চার বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের সীমিত পরিসরে প্রাইভেট প্র্যাকটিস রেজিস্ট্রেশন, সরকারি চাকরিতে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন, পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী দন্তস্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে সারা দেশে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ।
সোমবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদের কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের সব জেলায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা শাখার নেতারা নিজ নিজ জেলার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত কর্মপরিধির আলোকে সরকারি অনুমোদিত চার বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) মাধ্যমে সীমিত পরিসরে প্রাইভেট প্র্যাকটিস রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করা এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে সরকারি চাকরিতে ১০ম গ্রেড নিশ্চিত করা, শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ ও নতুন পদ সৃজনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ডিপ্লোমাধারীদের ন্যায্য পেশাগত মর্যাদা ও আইনগত স্বীকৃতি প্রদান এবং দেশের গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত ও স্বল্প ব্যয়ের দন্তস্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদের মহাসচিব লায়ন মুহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, সরকারি অনুমোদিত চার বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের দন্তস্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাদের দক্ষতা ও ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত কর্মপরিধির আওতায় সীমিত পরিসরে প্রাইভেট প্র্যাকটিস রেজিস্ট্রেশন চালু করা হলে একদিকে হাজার হাজার শিক্ষিত ডিপ্লোমাধারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যে প্রাথমিক দন্তস্বাস্থ্যসেবা পাবে। এর ফলে সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপও কমবে এবং জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি অনুমোদিত ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও আইনসম্মত কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে সরকারের মানবিক ও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করছে সংগঠনটি।