শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে শোচনীয় পরাজয়ের পাশাপাশি বড় ধরনের ধাক্কা খেলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি ও হেভিওয়েট প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না। এই আসনে তিনি জামানত হারিয়েছেন।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে ওই আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের অন্তত ৮ ভাগের ১ ভাগ (১২.৫%) ভোট পেতে হয়।

শিবগঞ্জ আসনের নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৪২ হাজার ১৫৯টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম ভোট ৩০ হাজার ২৬৯টি। কিন্তু মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৪০৪ টি।

হিসাব অনুযায়ী, জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের চেয়ে প্রায় ২৬ হাজার ৮৬৫ ভোট কম পেয়েছেন তিনি। ফলে সরকারি নিয়ম মোতাবেক তাঁর জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বগুড়া-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মীর শাহে আলম ১লাখ ৪৫ হাজার ০২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট। এই দুই প্রার্থী বাদে নির্বাচনী মাঠে থাকা বাকি ৫ জন প্রার্থীর সবাই জামানত হারিয়েছেন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ পেয়েছেন মাত্র ৪২৮ ভোট।

এদিকে এক সময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা ও জাতীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ মাহমুদুর রহমান মান্নার নিজের এলাকায় এমন 'ভরাডুবি' রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভোটারদের বড় একটি অংশের মতে, দ্বিমুখী লড়াইয়ের মেরুকরণে ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা জনসমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হয়েছেন।

শিবগঞ্জ উপজেলার ১১৪টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা গেছে, ভোটাররা প্রধানত বিএনপি এবং জামায়াত প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। যার ফলে তৃতীয় স্থানে থাকা মান্নার প্রাপ্ত ভোটের হার ১ দশমিক ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। নির্বাচন কমিশনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে নাগরিক ঐক্যর সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দলের হয়ে অংশগ্রহণ করে পরাজিত হন।

এর মধ্যে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে প্রথম তিনি জনতা মুক্তি পার্টির হয়ে কাস্তে প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেই সময় তিনি দুই হাজার ১৮০ ভোট পান।

দ্বিতীয়বার ১৯৯৬ সালে মাহমুদুর রহমান মান্না আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছিলেন ১৯ হাজার ৮৭১টি।

২০০১ সালে মাহমুদুর রহমান মান্না নৌকার প্রার্থী হয়ে ভোট পান ৩৬ হাজার ৭৫০। সর্বশেষ ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি জোট থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে ভোট পান ৫৯ হাজার ৭১৩টি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে সিটি করপোরেশন কর্মচারী আহত

কেন হাদি হত্যার বিচার চান, ব্যাখ্যা দিলেন ডাকসু নেত্রী জুমা

চোরের মাথা ন্যাড়া করে আঁকা হলো আর্জেন্টিনার পতাকা

হানিফ সংকেতের ‘চৈতন্যে’ জুলাই নাই: সারোয়ার তুষার

ইউরোপ জয়ের অনন্য নজির বাংলাদেশের

তপুর জোড়া গোলে সান মারিনোকে হারাল বাংলাদেশ

মারধরের প্রতিবাদ করায় বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ

সাতক্ষীরায় সীমানা পিলারসহ আটক ৪

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে ফের আগুন

উপজেলা স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে সরকার

১০

বিএনপি আবারও আওয়ামী লীগের ফাঁদে পড়েছে : নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী

১১

পুলিশের উপস্থিতিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের মিছিল

১২

রাত ১টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১৩

আল্লাহর রহমতে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি: নৌ প্রতিমন্ত্রী

১৪

কৌশলগত অংশীদারত্ব-বাণিজ্য সম্প্রসারণে সম্মত বাংলাদেশ-তুরস্ক

১৫

দুধে মজাদার স্বাদ: ঘরোয়া ও ঐতিহ্যবাহী কিছু জনপ্রিয় খাবার

১৬

বিশ্বকাপের আগে বর্ষসেরার পুরস্কার জিতলেন ইয়ামাল

১৭

নির্বাচনের পরও ভারত দ্বিচারী ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে: সাইফুল হক

১৮

জেলেনস্কির বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন পুতিন

১৯

সান মারিনো ম্যাচের একাদশে নেই শমিত

২০
X