কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ০৮:০২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইউরোপ এখন সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর : ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এবার ইউরোপকে সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। বুধবার প্রকাশিত নতুন সন্ত্রাসবিরোধী কৌশলপত্রে বলা হয়েছে, ব্যাপক অভিবাসন এবং উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির কারণে ইউরোপে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি বেড়েছে।

নতুন এই কৌশলপত্রে সহিংস বামপন্থি গোষ্ঠী, নৈরাজ্যবাদী সংগঠন এবং চরম ট্রান্সজেন্ডারপন্থি গোষ্ঠীগুলোকেও হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকা মহাদেশের মাদক চক্রগুলোকে সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমের কেন্দ্রীয় লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

তবে সবচেয়ে কঠোর ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে ইউরোপকে ঘিরে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বহু ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

কৌশলপত্রে বলা হয়, সুসংগঠিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো উন্মুক্ত সীমান্ত এবং বিশ্বায়নবাদী আদর্শকে কাজে লাগাচ্ছে এটি এখন সবার কাছেই স্পষ্ট। বিদেশি সংস্কৃতির বিস্তার যত বাড়বে এবং ইউরোপের বর্তমান নীতিগুলো যত দীর্ঘস্থায়ী হবে, সন্ত্রাসবাদ ততই নিশ্চিত হয়ে উঠবে।

এতে আরও বলা হয়, পশ্চিমা সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের জন্মস্থান হিসেবে ইউরোপকে এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে এবং নিজেদের ইচ্ছাকৃত পতন থামাতে হবে।

এই কৌশলপত্রের নেতৃত্ব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী সমন্বয়ক সেবাস্টিয়ান গোরকা। তার বিরুদ্ধে অতীতে কট্টর ডানপন্থি গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ উঠেছিল।

এর আগে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলপত্রেও বলা হয়েছিল, অভিবাসনের কারণে ইউরোপ সভ্যতার বিলুপ্তির মুখে পড়েছে।

সম্প্রতি ট্রাম্প ইরানবিরোধী অভিযানে সহযোগিতা না করায় ইউরোপীয় ন্যাটো মিত্রদেরও তীব্র সমালোচনা করেন। বামপন্থিদের বিরুদ্ধে নতুন অবস্থান

নতুন কৌশলপত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম বড় উদ্বেগ হিসেবে উঠে এসেছে বামপন্থি গোষ্ঠীগুলো। এতে সহিংস বামপন্থি উগ্রবাদী, নৈরাজ্যবাদী এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

কৌশলপত্রে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে এমন সহিংস ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোকে দ্রুত শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যাদের আদর্শ আমেরিকাবিরোধী, চরম ট্রান্সজেন্ডারপন্থি এবং নৈরাজ্যবাদী।

এতে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও রক্ষণশীল প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব চার্লি কার্কের হত্যাকারীর উদাহরণও টানা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, ওই ব্যক্তি চরম ট্রান্সজেন্ডার মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন।

ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই ট্রাম্প লিঙ্গ বৈচিত্র্যের স্বীকৃতি এবং ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।

তিনি প্রায়ই দাবি করেন, তার প্রশাসন নারীদের খেলাধুলায় ট্রান্স নারীদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেছে। এছাড়া দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি একটি নির্বাহী আদেশে ঘোষণা দেন। যেখানে তিনি বলেন, মানুষের লিঙ্গ দুটি; পুরুষ ও নারী।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আরব সাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর হেলিকপ্টারের জরুরি অবতরণ

আকিজ রিসোর্স নিয়ে এলো ’মেডিপ্লেক্স’

ইয়ামালকে নিয়ে বড় সুখবর দিলেন স্পেনের কোচ

‘আমার আব্বা সাংবাদিক, চাচা আইনমন্ত্রী’ রাবি ছাত্রদল কর্মীর হুঁশিয়ারি

টানা কমার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

নতুন দায়িত্বে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

পুলিশ সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর: চট্টগ্রামের এসপি

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত

আপিল বিভাগের রায় / ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

পে-স্কেল কার্যকর, শেষের ১০ গ্রেডের বেতন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

১০

হুহু করে কমছে তেলের দাম

১১

নিখোঁজের ১০ দিন পর মাসুদের গলিত মরদেহ উদ্ধার

১২

মালয়েশিয়ার আইন মেনে চলার আহ্বান যুবদল নেতাদের

১৩

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে দেশ ছাড়লেন স্পিকার

১৪

২ জুলাই / আজকের ৫ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি

১৫

সরকারি চাকরিতে লম্বা ছুটির সুযোগ, বেসরকারিতেও আছে বড় সুসংবাদ

১৬

বিশ্বকাপে পরাজয়ের ৩০ মিনিটের মাথায় ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

১৭

ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

১৮

‘বিশ্বাস থাকলে ফুটবলে সবকিছুই সম্ভব’— নাটকীয় জয়ের পর বেলজিয়ামের কোচ

১৯

কুড়িগ্রামে তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন

২০
X